১
নারীর প্রাকৃতিক রক্তস্রাব
লেখকঃ শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
ভূমিকা
নারী জাতি সাধারণত তিন প্রকার রক্তস্রাবে আক্রান্ত হয়ে থাকে:
১. হায়েয (মাসিক রক্তস্রাব)।
২. ইস্তেহাযাহ (হায়েয ও নিফাসের দিন উত্তীর্ণ হওয়ার পর যে রক্তস্রাব হয়)।
৩. নিফাস (সন্তান প্রসবের পরের রক্তস্রাব)।
উপরোক্ত তিন প্রকার রক্তস্রাব এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলীর অন্তর্ভুক্ত যার বিধি-বিধানের বর্ণনা অতীব জরুরী এবং এ প্রসঙ্গে ওলামায়ে কেরামের বিভিন্ন মতামতের মধ্যে ভুল-শুদ্ধ পার্থক্য নিরূপন করে কুরআন ও সুন্নাহ’র ভিত্তিতে যা সঠিক ও নির্ভুল তা গ্রহণ করা অত্যাবশ্যক। কেননা,
প্রথমত: মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদেরকে ইবাদতের যে সকল হুকুম-আহকাম দিয়েছেন কুরআন ও সুন্নাহই হচ্ছে সেগুলোর মূল ভিত্তি এবং উৎস।
দ্বিতীয়ত: কুরআন ও হাদীসের ওপর পরিপূর্ণ আস্থা স্থাপন করে তদনুযায়ী আমল করলে আত্মিক প্রশান্তি, মানসিক স্থিরতা, মনের আনন্দ এবং অল্লাহ প্রদত্ত দায়িত্ব থেকে মুক্তি অর্জিত হয়।
তৃতীয়ত: কুরআন ও সুন্নাহ ছাড়া অন্য কোনো কিছুই শরী‘আতের আইন-কানূন ও বিধি বিধানের দলীল হতে পারে না। শরী‘আতের সমুদয় আইন-কানূন ও হুকুম-আহকামের একমাত্র মানদণ্ড হলো কুরআন ও হাদীস। তবে অভিজ্ঞ সাহাবীগণের অভিমতও কোনো কোনো ক্ষেত্রে দলীল হতে পারে। এর জন্য শর্ত হচ্ছে সাহাবীর অভিমত ও কুরআন-সুন্নাহ’র মাঝে কোনো অসঙ্গতি ও বৈপরীত্য না থাকা, এমনিভাবে অন্য কোনো সাহাবীর সিদ্ধান্তের পরিপন্থীও না হওয়া। এক্ষেত্রে স্মরণ রাখতে হবে যে, যদি কখনো কোনো সাহাবীর অভিমত এবং কুরআন-হাদীসের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়, তাহলে কুরআন ও সুন্নাহ’র সিদ্ধান্তকে গ্রহণ ও বরণ করা ওয়াজিব হবে। আর দুই সাহাবীর মত ও সিদ্ধান্তে বৈপরীত্য দেখা দিলে দু‘টোর শক্তিশালীটিকেই গ্রহণ করতে হবে। কেননা পবিত্র কুরআনের সূরা নিসার ৫৯ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:
﴿فَإِن تَنَٰزَعۡتُمۡ فِي شَيۡءٖ فَرُدُّوهُ إِلَى ٱللَّهِ وَٱلرَّسُولِ إِن كُنتُمۡ تُؤۡمِنُونَ بِٱللَّهِ وَٱلۡيَوۡمِ ٱلۡأٓخِرِۚ ذَٰلِكَ خَيۡرٞ وَأَحۡسَنُ تَأۡوِيلًا﴾ [ النساء : ٥٩ ]
‘‘যদি তোমরা পরস্পর কোনো বিষয়ে ঝগড়া-বিবাদে জড়িয়ে পড় তাহলে সেটিকে আেল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি প্রত্যার্পিত কর। যদি তোমরা আল্লাহ ও কিয়ামত দিবসের ওপর ঈমান আনয়ন করে থাক। এটাই কল্যাণকর এবং পরিণতির দিক দিয়ে সর্বোত্তম।’’ [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৫৯]
এই পুস্তিকাটি নারী জাতির উপরোক্ত তিন প্রকার রক্তস্রাব ও তার হুকুম-আহকাম সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলীর ওপর সংক্ষিপ্তাকারে রচিত এবং সাত পরিচ্ছেদে বিভক্ত। পরিচ্ছেদগুলো হচ্ছে:
১ম পরিচ্ছেদ: হায়েযের অর্থ ও তা সৃষ্টির রহস্য।
২য় পরিচ্ছেদ: হায়েযের বয়স এবং সময়-সীমা।
৩য় পরিচ্ছেদ: হায়েয সংক্রান্ত কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী।
৪র্থ পরিচ্ছেদ: হায়েযের বিধি-বিধান।
৫ম পরিচ্ছেদ: ইস্তেহাযাহ ও তার হুকুম।
৬ষ্ট পরিচ্ছেদ: নিফাস ও তার হুকুম।
৭ম পরিচ্ছেদ: হায়েয প্রতিরোধক কিংবা সঞ্চালক এবং জন্মনিয়ন্ত্রণকারী কিংবা গর্ভপাতকারী ঔষধ ব্যবহারের বিধান।
১. হায়েয (মাসিক রক্তস্রাব)।
২. ইস্তেহাযাহ (হায়েয ও নিফাসের দিন উত্তীর্ণ হওয়ার পর যে রক্তস্রাব হয়)।
৩. নিফাস (সন্তান প্রসবের পরের রক্তস্রাব)।
উপরোক্ত তিন প্রকার রক্তস্রাব এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলীর অন্তর্ভুক্ত যার বিধি-বিধানের বর্ণনা অতীব জরুরী এবং এ প্রসঙ্গে ওলামায়ে কেরামের বিভিন্ন মতামতের মধ্যে ভুল-শুদ্ধ পার্থক্য নিরূপন করে কুরআন ও সুন্নাহ’র ভিত্তিতে যা সঠিক ও নির্ভুল তা গ্রহণ করা অত্যাবশ্যক। কেননা,
প্রথমত: মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদেরকে ইবাদতের যে সকল হুকুম-আহকাম দিয়েছেন কুরআন ও সুন্নাহই হচ্ছে সেগুলোর মূল ভিত্তি এবং উৎস।
দ্বিতীয়ত: কুরআন ও হাদীসের ওপর পরিপূর্ণ আস্থা স্থাপন করে তদনুযায়ী আমল করলে আত্মিক প্রশান্তি, মানসিক স্থিরতা, মনের আনন্দ এবং অল্লাহ প্রদত্ত দায়িত্ব থেকে মুক্তি অর্জিত হয়।
তৃতীয়ত: কুরআন ও সুন্নাহ ছাড়া অন্য কোনো কিছুই শরী‘আতের আইন-কানূন ও বিধি বিধানের দলীল হতে পারে না। শরী‘আতের সমুদয় আইন-কানূন ও হুকুম-আহকামের একমাত্র মানদণ্ড হলো কুরআন ও হাদীস। তবে অভিজ্ঞ সাহাবীগণের অভিমতও কোনো কোনো ক্ষেত্রে দলীল হতে পারে। এর জন্য শর্ত হচ্ছে সাহাবীর অভিমত ও কুরআন-সুন্নাহ’র মাঝে কোনো অসঙ্গতি ও বৈপরীত্য না থাকা, এমনিভাবে অন্য কোনো সাহাবীর সিদ্ধান্তের পরিপন্থীও না হওয়া। এক্ষেত্রে স্মরণ রাখতে হবে যে, যদি কখনো কোনো সাহাবীর অভিমত এবং কুরআন-হাদীসের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়, তাহলে কুরআন ও সুন্নাহ’র সিদ্ধান্তকে গ্রহণ ও বরণ করা ওয়াজিব হবে। আর দুই সাহাবীর মত ও সিদ্ধান্তে বৈপরীত্য দেখা দিলে দু‘টোর শক্তিশালীটিকেই গ্রহণ করতে হবে। কেননা পবিত্র কুরআনের সূরা নিসার ৫৯ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:
﴿فَإِن تَنَٰزَعۡتُمۡ فِي شَيۡءٖ فَرُدُّوهُ إِلَى ٱللَّهِ وَٱلرَّسُولِ إِن كُنتُمۡ تُؤۡمِنُونَ بِٱللَّهِ وَٱلۡيَوۡمِ ٱلۡأٓخِرِۚ ذَٰلِكَ خَيۡرٞ وَأَحۡسَنُ تَأۡوِيلًا﴾ [ النساء : ٥٩ ]
‘‘যদি তোমরা পরস্পর কোনো বিষয়ে ঝগড়া-বিবাদে জড়িয়ে পড় তাহলে সেটিকে আেল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি প্রত্যার্পিত কর। যদি তোমরা আল্লাহ ও কিয়ামত দিবসের ওপর ঈমান আনয়ন করে থাক। এটাই কল্যাণকর এবং পরিণতির দিক দিয়ে সর্বোত্তম।’’ [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৫৯]
এই পুস্তিকাটি নারী জাতির উপরোক্ত তিন প্রকার রক্তস্রাব ও তার হুকুম-আহকাম সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলীর ওপর সংক্ষিপ্তাকারে রচিত এবং সাত পরিচ্ছেদে বিভক্ত। পরিচ্ছেদগুলো হচ্ছে:
১ম পরিচ্ছেদ: হায়েযের অর্থ ও তা সৃষ্টির রহস্য।
২য় পরিচ্ছেদ: হায়েযের বয়স এবং সময়-সীমা।
৩য় পরিচ্ছেদ: হায়েয সংক্রান্ত কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী।
৪র্থ পরিচ্ছেদ: হায়েযের বিধি-বিধান।
৫ম পরিচ্ছেদ: ইস্তেহাযাহ ও তার হুকুম।
৬ষ্ট পরিচ্ছেদ: নিফাস ও তার হুকুম।
৭ম পরিচ্ছেদ: হায়েয প্রতিরোধক কিংবা সঞ্চালক এবং জন্মনিয়ন্ত্রণকারী কিংবা গর্ভপাতকারী ঔষধ ব্যবহারের বিধান।