১
বর্ষাকালের বিবিধ বিধান
লেখকঃ আলী হাসান তৈয়ব • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
বৃষ্টিপূর্ব বাতাস ও মেঘদৌড়:
বৃষ্টির আগমুহূর্তে আকাশে মেঘের আনাগোনা দেখা যায়। বিশেষত বর্ষার অব্যবহিত পরে আসা কাশফুলের অসাধারণ সৌন্দর্যের ঋতু শরতের পেঁজা মেঘের লুকোচুরি কাকে না মুগ্ধ করে। ঈষাণকোণে যখন মেঘের ঘনঘটা দেখা যায়, তখন প্রবাহিত হয় হৃদয় জুড়ানো শীতল বায়ু। তারপর বৃষ্টির ধারায় স্নাত হয়ে আমরা আনন্দিত হই। বৃষ্টির নির্মল পানিতে সিক্ত হয়ে আমাদের দেহ-মন হয় পবিত্র। এও আল্লাহর অকৃপণ দান। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ٱللَّهُ ٱلَّذِي يُرۡسِلُ ٱلرِّيَٰحَ فَتُثِيرُ سَحَابٗا فَيَبۡسُطُهُۥ فِي ٱلسَّمَآءِ كَيۡفَ يَشَآءُ وَيَجۡعَلُهُۥ كِسَفٗا فَتَرَى ٱلۡوَدۡقَ يَخۡرُجُ مِنۡ خِلَٰلِهِۦۖ فَإِذَآ أَصَابَ بِهِۦ مَن يَشَآءُ مِنۡ عِبَادِهِۦٓ إِذَا هُمۡ يَسۡتَبۡشِرُونَ ٤٨﴾ [ الروم : ٤٨ ]
‘‘আল্লাহ, যিনি বাতাস প্রেরণ করেন ফলে তা মেঘমালাকে ধাওয়া করে; অতঃপর তিনি মেঘমালাকে যেমন ইচ্ছা আকাশে ছড়িয়ে দেন এবং তাকে খণ্ড-বিখণ্ড করে দেন, ফলে তুমি দেখতে পাও, তার মধ্য থেকে নির্গত হয় বারিধারা। অতঃপর যখন তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাদের উপর ইচ্ছা বারি বর্ষণ করেন, তখন তারা হয় আনন্দিত”। [সূরা আর-রূম, আয়াত: ৪৮]
﴿وَهُوَ ٱلَّذِيٓ أَرۡسَلَ ٱلرِّيَٰحَ بُشۡرَۢا بَيۡنَ يَدَيۡ رَحۡمَتِهِۦۚ وَأَنزَلۡنَا مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءٗ طَهُورٗا ٤٨﴾ [ الفرقان : ٤٧ ]
“আর তিনিই তাঁর রহমতের (বৃষ্টির) প্রাক্কালে সুসংবাদস্বরূপ বায়ু পাঠিয়েছেন এবং আমরা আকাশ থেকে পবিত্র পানি বর্ষণ করেছি”। [সূরা আল-ফুরকান, আয়াত: ৪৭]
﴿هُوَ ٱلَّذِي يُرِيكُمُ ٱلۡبَرۡقَ خَوۡفٗا وَطَمَعٗا وَيُنشِئُ ٱلسَّحَابَ ٱلثِّقَالَ ١٢﴾ [ الرعد : ١٢ ]
“তিনিই ভয় ও আশা সঞ্চার করার জন্য তোমাদেরকে বিজলী দেখান এবং তিনি ভারী মেঘমালা সৃষ্টি করেন”। [সূরা আর-রা‘দ, আয়াত: ১২]
﴿ٱللَّهُ ٱلَّذِي يُرۡسِلُ ٱلرِّيَٰحَ فَتُثِيرُ سَحَابٗا فَيَبۡسُطُهُۥ فِي ٱلسَّمَآءِ كَيۡفَ يَشَآءُ وَيَجۡعَلُهُۥ كِسَفٗا فَتَرَى ٱلۡوَدۡقَ يَخۡرُجُ مِنۡ خِلَٰلِهِۦۖ فَإِذَآ أَصَابَ بِهِۦ مَن يَشَآءُ مِنۡ عِبَادِهِۦٓ إِذَا هُمۡ يَسۡتَبۡشِرُونَ ٤٨﴾ [ الروم : ٤٨ ]
‘‘আল্লাহ, যিনি বাতাস প্রেরণ করেন ফলে তা মেঘমালাকে ধাওয়া করে; অতঃপর তিনি মেঘমালাকে যেমন ইচ্ছা আকাশে ছড়িয়ে দেন এবং তাকে খণ্ড-বিখণ্ড করে দেন, ফলে তুমি দেখতে পাও, তার মধ্য থেকে নির্গত হয় বারিধারা। অতঃপর যখন তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাদের উপর ইচ্ছা বারি বর্ষণ করেন, তখন তারা হয় আনন্দিত”। [সূরা আর-রূম, আয়াত: ৪৮]
﴿وَهُوَ ٱلَّذِيٓ أَرۡسَلَ ٱلرِّيَٰحَ بُشۡرَۢا بَيۡنَ يَدَيۡ رَحۡمَتِهِۦۚ وَأَنزَلۡنَا مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءٗ طَهُورٗا ٤٨﴾ [ الفرقان : ٤٧ ]
“আর তিনিই তাঁর রহমতের (বৃষ্টির) প্রাক্কালে সুসংবাদস্বরূপ বায়ু পাঠিয়েছেন এবং আমরা আকাশ থেকে পবিত্র পানি বর্ষণ করেছি”। [সূরা আল-ফুরকান, আয়াত: ৪৭]
﴿هُوَ ٱلَّذِي يُرِيكُمُ ٱلۡبَرۡقَ خَوۡفٗا وَطَمَعٗا وَيُنشِئُ ٱلسَّحَابَ ٱلثِّقَالَ ١٢﴾ [ الرعد : ١٢ ]
“তিনিই ভয় ও আশা সঞ্চার করার জন্য তোমাদেরকে বিজলী দেখান এবং তিনি ভারী মেঘমালা সৃষ্টি করেন”। [সূরা আর-রা‘দ, আয়াত: ১২]