১
বিশ্ব বাবা দিবস ইসলামী দৃষ্টিকোণ
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
বাবা দিবসের সূচনা যেভাবে:
আমেরিকার ওয়াশিংটনের স্পোকান শহরে সোনোরা লুইস ডডের মা সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মারা যায়। তখন ডডের বয়স ছিল ষোল বছর। আর ডডের বাবা উইলিয়াম জ্যাকসন সবেমাত্র যুদ্ধ থেকে ফিরেছে। তারপর থেকে ডড দেখেছে তার বাবা ছয় ভাই-বোনকে মানুষ করার জন্য রাত দিন কঠিন পরিশ্রম করে যাচ্ছে। তাদের স্বার্থে সে আর বিবাহ করেনি। বাবা তাদেরকে মায়েব অভাব বুঝতে দেয়নি। যেন বাবাই তাদের মা। বাবাই ছিল তাদের সবকিছু।
১৯০৯ সালে ডডের বয়স যখন সাতাশ বছর তখন সে দেখল মায়ের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের জন্য একটি দিন আছে অথচ বাবার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের কোন দিন নেই। ডড ভাবলো, মা দিবসের মত বাবা দিবসও থাকা উচিত। তাই সে বাবা দিবস পালনের জন্য জনমত সৃষ্টি করতে লাগল। তার প্রচেষ্টায় এর পরের বছর ১৯১০ সালে ওয়াশিংটনের স্পোকান শহরে কয়েকটি সংগঠনের উদ্যোগে পালিত হল বাবা দিবস। এরপর ১৯১৬ সালে তৎকালীন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন এ দিবসকে সমর্থন করেন। এক সময় এটা তাদের জাতীয় আইন সভাতেও স্বীকৃতি পায়। সেই থেকে জুন মাসের তৃতীয় রবিবার বাবা দিবস পালিত হয়ে আসছে আমেরিকাসহ কয়েকটি দেশে।
১৯০৯ সালে ডডের বয়স যখন সাতাশ বছর তখন সে দেখল মায়ের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের জন্য একটি দিন আছে অথচ বাবার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের কোন দিন নেই। ডড ভাবলো, মা দিবসের মত বাবা দিবসও থাকা উচিত। তাই সে বাবা দিবস পালনের জন্য জনমত সৃষ্টি করতে লাগল। তার প্রচেষ্টায় এর পরের বছর ১৯১০ সালে ওয়াশিংটনের স্পোকান শহরে কয়েকটি সংগঠনের উদ্যোগে পালিত হল বাবা দিবস। এরপর ১৯১৬ সালে তৎকালীন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন এ দিবসকে সমর্থন করেন। এক সময় এটা তাদের জাতীয় আইন সভাতেও স্বীকৃতি পায়। সেই থেকে জুন মাসের তৃতীয় রবিবার বাবা দিবস পালিত হয়ে আসছে আমেরিকাসহ কয়েকটি দেশে।