১
নামাযে আমরা কীভাবে দু‘আ করব
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
রুকূ হতে দাঁড়িয়ে
অধিকাংশ নামাযী রুকূ হতে দাঁড়িয়ে কেবল ‘‘রববানা লাকাল হামদ’’ এতটুকুই বলতে পারেন। অথচ নবী ﷺ এ সময়ে আরো অনেক সুন্দর বাক্য দ্বারা হৃদয়ের আবেগ উজাড় করে আল্লাহ তা‘আলার প্রশংসা করতেন। আর এসব প্রশংসার এত সওয়াব যে, আল্লাহর কাছে তা কে আগে নিয়ে যাবে- এ নিয়ে ফেরেশতারা প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়ে যান। সুতরাং আমাদেরও এ দু‘আগুলো জেনে আমল করা কর্তব্য। নিচে এগুলো আলোচনা করা হলো :
রুকূ হতে দাঁড়িয়ে নবী ﷺ আল্লাহর প্রশংসা করতেন :
১. রিফা‘আ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা একবার নবী ﷺ এর পেছনে নামায আদায় করছিলাম। তিনি যখন রুকূ থেকে দাঁড়ালেন, তখন পেছন থেকে এক ব্যক্তি নিচের দু‘আটি পাঠ করল। অতঃপর নামায শেষ হলে নবী ﷺ বললেন, একটু আগে এ কথাগুলো কে বলেছে? তখন ঐ লোকটি বলল, আমি বলেছি। এবার নবী ﷺ বললেন, আমি ৩০ জনেরও অধিক ফেরেশতাকে দেখেছি তারা এ ব্যাপারে তাড়াহুড়া করছেন যে, কে কার আগে এর সওয়াব লিখবেন এবং আল্লাহর কাছে নিয়ে পৌঁছাবেন। [মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/৪৯৩; সহীহ বুখারী, হা/৭৯৯; আবু দাউদ, হা/৭৭০।] দু‘আটি হলো :
رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ حَمْدًا كَثِيْرًا طَيِّبًا مُّبَارَكًا فِيْهِ
উচ্চারণ : রাববানা ওয়ালাকাল হামদু হামদান কাছীরান ত্বায়্যিবান মুবা-রাকান ফীহ্।
অর্থ : হে আমাদের রব! তোমার জন্যই সমস্ত প্রশংসা। আর তা এত অধিক প্রশংসা, যা পবিত্র ও বরকতপূর্ণ।
২. আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী ﷺ রুকূ হতে দাঁড়ানোর পর নিচের দু‘আ পড়ে আল্লাহর প্রশংসা করতেন। [সহীহ মুসলিম, হা/১০৮৬; আবু দাউদ, হা/৮৪৭; নাসাঈ, হা/১০৬৮।]
اَللّٰهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ مِلْءَ السَّمٰوَاتِ وَ مِلْءَ الْاَرْضِ وَمِلْءَ مَاشِئْتَ مِنْ شَىْءٍ بَعْدُ اَهْلَ الثَّنَاءِ وَ الْمَجْدِ اَحَقُّ مَا قَالَ الْعَبْدُ وَ كُلُّنَا لَكَ عَبْدٌ ‐ - اَللّٰهُمَّ لَامَانِعَ لِمَا اَعْطَيْتَ وَ لَامُعْطِىَ لِمَا مَنَعْتَ وَلَا يَنْفَعُ ذَالْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা রববানা লাকাল হামদু মিলআস সামা-ওয়া-তি ওয়া মিলআল আরযি ওয়া মিলআ মা-শি’তা মিন শায়ইন বা‘দু আহলাছ ছানা-ই ওয়াল মাজদি, আহাক্কু মা-ক্বা-লাল ‘আবদু ওয়া কুল্লুনা লাকা ‘আবদুন। আল্লা-হুম্মা লা-মা-নি‘আ লিমা- আ‘ত্বাইতা ওয়ালা- মু‘ত্বিয়া লিমা- মানা‘তা ওয়ালা- ইয়ানফা‘উ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দু।
অর্থঃ হে আল্লাহ! তুমি আমাদের প্রতিপালক, আসমান এবং জমিন সবই তোমার প্রশংসায় পরিপূর্ণ, এরপর তুমি যা চাও তাও পরিপূর্ণ। তুমিই প্রশংসা ও মর্যাদা পাওয়ার অধিকারী। তোমার প্রশংসায় বান্দা যা বলবে তুমি তার চেয়ে বেশি পাওয়ার হকদার। আমরা সকলেই তোমার গোলাম। হে আল্লাহ! তুমি কাউকে যা দান কর তা বাধা দেয়ার মতো কেউ নেই। আর কাউকে যা দিতে চাও না তা দেয়ার মতো কেউ নেই। আর কোন সম্পদশালীর সম্পদ তোমার আযাব হতে তাকে রক্ষা করতে পারবে না।
রুকূ হতে দাঁড়িয়ে নবী ﷺ আল্লাহর প্রশংসা করতেন :
১. রিফা‘আ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা একবার নবী ﷺ এর পেছনে নামায আদায় করছিলাম। তিনি যখন রুকূ থেকে দাঁড়ালেন, তখন পেছন থেকে এক ব্যক্তি নিচের দু‘আটি পাঠ করল। অতঃপর নামায শেষ হলে নবী ﷺ বললেন, একটু আগে এ কথাগুলো কে বলেছে? তখন ঐ লোকটি বলল, আমি বলেছি। এবার নবী ﷺ বললেন, আমি ৩০ জনেরও অধিক ফেরেশতাকে দেখেছি তারা এ ব্যাপারে তাড়াহুড়া করছেন যে, কে কার আগে এর সওয়াব লিখবেন এবং আল্লাহর কাছে নিয়ে পৌঁছাবেন। [মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/৪৯৩; সহীহ বুখারী, হা/৭৯৯; আবু দাউদ, হা/৭৭০।] দু‘আটি হলো :
رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ حَمْدًا كَثِيْرًا طَيِّبًا مُّبَارَكًا فِيْهِ
উচ্চারণ : রাববানা ওয়ালাকাল হামদু হামদান কাছীরান ত্বায়্যিবান মুবা-রাকান ফীহ্।
অর্থ : হে আমাদের রব! তোমার জন্যই সমস্ত প্রশংসা। আর তা এত অধিক প্রশংসা, যা পবিত্র ও বরকতপূর্ণ।
২. আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী ﷺ রুকূ হতে দাঁড়ানোর পর নিচের দু‘আ পড়ে আল্লাহর প্রশংসা করতেন। [সহীহ মুসলিম, হা/১০৮৬; আবু দাউদ, হা/৮৪৭; নাসাঈ, হা/১০৬৮।]
اَللّٰهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ مِلْءَ السَّمٰوَاتِ وَ مِلْءَ الْاَرْضِ وَمِلْءَ مَاشِئْتَ مِنْ شَىْءٍ بَعْدُ اَهْلَ الثَّنَاءِ وَ الْمَجْدِ اَحَقُّ مَا قَالَ الْعَبْدُ وَ كُلُّنَا لَكَ عَبْدٌ ‐ - اَللّٰهُمَّ لَامَانِعَ لِمَا اَعْطَيْتَ وَ لَامُعْطِىَ لِمَا مَنَعْتَ وَلَا يَنْفَعُ ذَالْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা রববানা লাকাল হামদু মিলআস সামা-ওয়া-তি ওয়া মিলআল আরযি ওয়া মিলআ মা-শি’তা মিন শায়ইন বা‘দু আহলাছ ছানা-ই ওয়াল মাজদি, আহাক্কু মা-ক্বা-লাল ‘আবদু ওয়া কুল্লুনা লাকা ‘আবদুন। আল্লা-হুম্মা লা-মা-নি‘আ লিমা- আ‘ত্বাইতা ওয়ালা- মু‘ত্বিয়া লিমা- মানা‘তা ওয়ালা- ইয়ানফা‘উ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দু।
অর্থঃ হে আল্লাহ! তুমি আমাদের প্রতিপালক, আসমান এবং জমিন সবই তোমার প্রশংসায় পরিপূর্ণ, এরপর তুমি যা চাও তাও পরিপূর্ণ। তুমিই প্রশংসা ও মর্যাদা পাওয়ার অধিকারী। তোমার প্রশংসায় বান্দা যা বলবে তুমি তার চেয়ে বেশি পাওয়ার হকদার। আমরা সকলেই তোমার গোলাম। হে আল্লাহ! তুমি কাউকে যা দান কর তা বাধা দেয়ার মতো কেউ নেই। আর কাউকে যা দিতে চাও না তা দেয়ার মতো কেউ নেই। আর কোন সম্পদশালীর সম্পদ তোমার আযাব হতে তাকে রক্ষা করতে পারবে না।