১
সৎ মানুষের হৃদয়ে শয়তান প্রবেশের ধরণ ও প্রকৃতি
লেখকঃ ডক্টর আব্দুল্লাহ আল-খাতির • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
দুই: বিদ‘আতকে মানুষের জন্য সুসজ্জিত করা
বিদ‘আতকে মানুষের জন্য সুসজ্জিত করা। বিদ‘আতকে সুসজ্জিত করে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে শয়তান মানুষের কাছে এসে বলে, আজকাল লোকেরা দ্বীন-ধর্ম পরিত্যাগ করেছে। তাদেরকে দ্বীনের পথে প্রত্যাবর্তন করানো দুস্কর। তাই কোনো কোনো ‘ইবাদত যদি আমরা বাড়িয়ে করতাম, তাহলে হয়ত লোকেরা পূণরায় ‘ইবাদতে লিপ্ত হত।
কখনো আবার সে হাদীসে বর্ণিত ‘ইবাদাতের উপর বর্ধিত কোনো পদ্ধতি নিয়ে এসে বলে, ‘ভালোর বৃদ্ধিও ভাল’, তাই বাড়িয়ে কর। এ বৃদ্ধি তখন এ ‘ইবাদতের আদলেই বা নয়া সংযোজন রূপে অস্তিত্ব লাভ করে।
আবার কেউ কেউ বলে, লোকেরা দ্বীন থেকে দূরে সরে গেছে তাই ভীতি সঞ্চারক [অথবা আগ্রহ ও উৎসাহব্যঞ্জক, অথবা ফযিলত বিষয়ক কিছু হাদিস বানিয়ে বলা বা বর্ণনা করা। [২য় সম্পাদক]] কিছু হাদীস সংগ্রহ করা প্রয়োজন। এই বলে মনগড়া হাদীস তৈরী করে রাসূলের নামে বর্ণনা করে। আর বলে, আমরা মিথ্যা বলি, তবে রাসূলের বিরুদ্ধে নয়; পক্ষে।
অদ্ভুত যুক্তি! রাসূলের পক্ষে (?) মিথ্যা বলে! তাই মনগড়া হাদীস তৈরী করে তা দ্বারা লোকদেরকে জাহান্নামের ভয় দেখায়। অভিনব পন্থায় জাহান্নামের চিত্রায়ন করে;
আমরা জানি যে, ইবাদাতসমূহ শরী‘আত নির্ধারিত। অর্থাৎ আল্লাহর থেকে রাসূলের কাছে যেভাবে এসেছে, রাসূলের থেকে যেভাবে বর্ণিত হয়েছে, আমরা হুবহু সেভাবেই গ্রহণ করব। কোনো বৃদ্ধি-সংযোজন ইচ্ছামাফিক পরিবর্তনের অবকাশ নেই। যদি করি, তবে সেটাই বিদ‘আত যা শয়তানের কাজ। অনেক লোক এমন আছেন স্বীকার করেন কাজটি বিদ‘আত। তারপরও করেন এ যুক্তি দিয়ে যে এর দ্বারা আল্লাহ মানুষকে হেদায়েত করতে পারেন। এর দ্বারা মানুষকে ডেকে কিছু ভাল কথা শুনানো যায়। এতে মন্দের কি আছে?
কখনো আবার সে হাদীসে বর্ণিত ‘ইবাদাতের উপর বর্ধিত কোনো পদ্ধতি নিয়ে এসে বলে, ‘ভালোর বৃদ্ধিও ভাল’, তাই বাড়িয়ে কর। এ বৃদ্ধি তখন এ ‘ইবাদতের আদলেই বা নয়া সংযোজন রূপে অস্তিত্ব লাভ করে।
আবার কেউ কেউ বলে, লোকেরা দ্বীন থেকে দূরে সরে গেছে তাই ভীতি সঞ্চারক [অথবা আগ্রহ ও উৎসাহব্যঞ্জক, অথবা ফযিলত বিষয়ক কিছু হাদিস বানিয়ে বলা বা বর্ণনা করা। [২য় সম্পাদক]] কিছু হাদীস সংগ্রহ করা প্রয়োজন। এই বলে মনগড়া হাদীস তৈরী করে রাসূলের নামে বর্ণনা করে। আর বলে, আমরা মিথ্যা বলি, তবে রাসূলের বিরুদ্ধে নয়; পক্ষে।
অদ্ভুত যুক্তি! রাসূলের পক্ষে (?) মিথ্যা বলে! তাই মনগড়া হাদীস তৈরী করে তা দ্বারা লোকদেরকে জাহান্নামের ভয় দেখায়। অভিনব পন্থায় জাহান্নামের চিত্রায়ন করে;
আমরা জানি যে, ইবাদাতসমূহ শরী‘আত নির্ধারিত। অর্থাৎ আল্লাহর থেকে রাসূলের কাছে যেভাবে এসেছে, রাসূলের থেকে যেভাবে বর্ণিত হয়েছে, আমরা হুবহু সেভাবেই গ্রহণ করব। কোনো বৃদ্ধি-সংযোজন ইচ্ছামাফিক পরিবর্তনের অবকাশ নেই। যদি করি, তবে সেটাই বিদ‘আত যা শয়তানের কাজ। অনেক লোক এমন আছেন স্বীকার করেন কাজটি বিদ‘আত। তারপরও করেন এ যুক্তি দিয়ে যে এর দ্বারা আল্লাহ মানুষকে হেদায়েত করতে পারেন। এর দ্বারা মানুষকে ডেকে কিছু ভাল কথা শুনানো যায়। এতে মন্দের কি আছে?