১
রোযা বা সাওম
লেখকঃ মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
রোযা ভঙ্গের কারণসমূহ
১। ইচ্ছাকৃতভাবে রোযার সময়ে খাবার বা পানীয় গ্রহণ।
৩। রোযা অবস্থায় যৌন-মিলন ঘটলে রোযা শুধু ভঙ্গই হয় না বরং ক্বাযা ও কাফ্ফারা উভয়টাই ওয়াজিব হয়ে যায়।
৩। চুম্বন, স্পর্শ, হস্তমৈথুন ইত্যাদির মাধ্যমে বীর্যপাত ঘটালেও রোযা ভেঙ্গে যায়।
৪। পানাহারের বিকল্প হিসেবে রক্তগ্রহণ, স্যালাইনগ্রহণ, এমন ইঞ্জেকশন নেয়া যা আহারের কাজ করে, যথা- গ্লুকোজ ইঞ্জেকশন ইত্যাদিতে রোযা ভেঙ্গে যায়।
৫। ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করলে রোযা ভেঙ্গে যায়। হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করল তার রোযা ভেঙ্গে গেল’। (মুসলিম )
৬। মহিলাদের হায়েয (ঋতুস্রাব) ও নেফাস (প্রসবজনিত রক্তক্ষরণ) হলে রোযা ভেঙ্গে যায়।
৩। রোযা অবস্থায় যৌন-মিলন ঘটলে রোযা শুধু ভঙ্গই হয় না বরং ক্বাযা ও কাফ্ফারা উভয়টাই ওয়াজিব হয়ে যায়।
৩। চুম্বন, স্পর্শ, হস্তমৈথুন ইত্যাদির মাধ্যমে বীর্যপাত ঘটালেও রোযা ভেঙ্গে যায়।
৪। পানাহারের বিকল্প হিসেবে রক্তগ্রহণ, স্যালাইনগ্রহণ, এমন ইঞ্জেকশন নেয়া যা আহারের কাজ করে, যথা- গ্লুকোজ ইঞ্জেকশন ইত্যাদিতে রোযা ভেঙ্গে যায়।
৫। ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করলে রোযা ভেঙ্গে যায়। হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করল তার রোযা ভেঙ্গে গেল’। (মুসলিম )
৬। মহিলাদের হায়েয (ঋতুস্রাব) ও নেফাস (প্রসবজনিত রক্তক্ষরণ) হলে রোযা ভেঙ্গে যায়।