১
রোযা বা সাওম
লেখকঃ মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
রোযাদারের করণীয়
* সেহরী খাওয়া। কারণ সেহরী খাওয়া রাসূলের সুন্নাত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘তোমরা সেহরী খাও, কারণ সেহরীর মধ্যে বরকত রয়েছে।’
* যথাসম্ভব সূর্যাস্তের সাথে সাথে ইফতার করা, বিলম্ব না করা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘মানুষ ঐ সময় পর্যন্ত কল্যাণের ওপর থাকবে যতক্ষণ তারা যথাশীঘ্র ইফতার করবে।’ (বুখারী)
* কল্যাণকর কাজ বেশি বেশি করা।
* দান-খয়রাত বেশি বেশি করা।
* বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত এবং আল্লাহর যিকর করা।
* কম খাওয়া ও কম ঘুমানো।
* গরীব-দুঃখী, অসহায় মানুষের খোঁজ-খবর নেয়া এবং তাদের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করা।
* ধৈর্য্যের অনুশীলন করা।
* দুনিয়ার ব্যস্ততা কমিয়ে আখেরাতের প্রতি ধাবিত হতে চেষ্টা করা।
* জান্নাত পাওয়ার জন্য প্রার্থনা করা এবং জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি চাওয়া।
* দুআ-মুনাজাত অধিক পরিমাণে করা এবং গুনাহ মাফের জন্য কান্নাকাটি করা।
* যথাসাধ্য রোযাদারদের ইফতার করানো।
* শক্তি-সামর্থ্য থাকলে রমযান মাসে উমরা পালন করা।
* রমযানের শেষ দশ দিন ই‘তেকাফ করা।
* যথাসম্ভব সূর্যাস্তের সাথে সাথে ইফতার করা, বিলম্ব না করা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘মানুষ ঐ সময় পর্যন্ত কল্যাণের ওপর থাকবে যতক্ষণ তারা যথাশীঘ্র ইফতার করবে।’ (বুখারী)
* কল্যাণকর কাজ বেশি বেশি করা।
* দান-খয়রাত বেশি বেশি করা।
* বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত এবং আল্লাহর যিকর করা।
* কম খাওয়া ও কম ঘুমানো।
* গরীব-দুঃখী, অসহায় মানুষের খোঁজ-খবর নেয়া এবং তাদের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করা।
* ধৈর্য্যের অনুশীলন করা।
* দুনিয়ার ব্যস্ততা কমিয়ে আখেরাতের প্রতি ধাবিত হতে চেষ্টা করা।
* জান্নাত পাওয়ার জন্য প্রার্থনা করা এবং জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি চাওয়া।
* দুআ-মুনাজাত অধিক পরিমাণে করা এবং গুনাহ মাফের জন্য কান্নাকাটি করা।
* যথাসাধ্য রোযাদারদের ইফতার করানো।
* শক্তি-সামর্থ্য থাকলে রমযান মাসে উমরা পালন করা।
* রমযানের শেষ দশ দিন ই‘তেকাফ করা।