বাহারিন-এ ঈদুল আযহা ২০২৭ সম্ভাব্য তারিখ ও নামাজের সময়
⚠️ সম্ভাব্য তারিখ ও চাঁদ দেখার গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
এটি আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ও ইসলামিক হিজরি ক্যালেন্ডার ভিত্তিক একটি সম্ভাব্য তারিখ। ইসলামিক শরীয়ত মোতাবেক প্রকৃত ঈদের দিন ইসলামিক বিষয়ক সুপ্রিম কাউন্সিল (বাহরাইন) কর্তৃক ২৯শে জিলকদ সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশে নতুন চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হবে।
ঈদুল আযহা ২০২৭
রবিবার, ১৬ই মে ২০২৭
১০ই জিলহজ ১৪৪৮ হিজরি
ঈদের নামাজের আনুমানিক সময়সকাল ৫:৩০ - ৬:০০ মিনিট
স্থানীয় চাঁদ দেখা কর্তৃপক্ষইসলামিক বিষয়ক সুপ্রিম কাউন্সিল (বাহরাইন)
ঈদের বাকি সময়
বাহারিন-এ ঈদ আগমনী ক্ষণগণনা
০দিন
০ঘণ্টা
০মিনিট
০সেকেন্ড
আল্লাহ আমাদের সকলের রোজা ও ইবাদত কবুল করুন, আমীন।
ঈদের তাকবীর
ঈদের তাকবীরে তাশরীক পাঠের নিয়ম ও অডিও
اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ
উচ্চারণ: আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
অর্থ: আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ; আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই; আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ; এবং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্যই।
নামাজের সহীহ নিয়ম
সহীহ হাদিস মোতাবেক ঈদের নামাজ পড়ার সঠিক পদ্ধতি
হানাফী মাযহাবে অতিরিক্ত ৬ তাকবীর এবং অন্যান্য মাযহাবে ১২ তাকবীরে নামাজ আদায় করা হয়—উভয় পদ্ধতিই সুন্নাহ সম্মত।
পদ্ধতি ১: অতিরিক্ত ৬ তাকবীর (হানাফী)
বাংলাদেশ ও উপমহাদেশে প্রচলিত- প্রথম রাকাত: তাকবীরে তাহরীমার পর ছানা পড়ে অতিরিক্ত ৩টি তাকবীর (হাত কান পর্যন্ত উঠিয়ে ছেড়ে দেওয়া, ৩য় তাকবীরে হাত বাঁধা)।
- ইমাম সূরা ফাতিহা ও অন্য সূরা পড়বেন, এরপর রুকু-সিজদা সম্পন্ন করবেন।
- দ্বিতীয় রাকাত: কিরাত পড়ার পর রুকুতে যাওয়ার পূর্বে অতিরিক্ত ৩টি তাকবীর দেওয়া হবে এবং ৪র্থ তাকবীরে রুকুতে যাওয়া হবে।
পদ্ধতি ২: অতিরিক্ত ১২ তাকবীর (জমহুর)
আরব বিশ্ব ও সহীহ হাদিস- প্রথম রাকাত: তাকবীরে তাহরীমার পর কিরাতের পূর্বে অতিরিক্ত ৭টি তাকবীর (সহীহ আবু দাউদ: ১১৫১)।
- দ্বিতীয় রাকাত: সিজদা থেকে দাঁড়িয়ে কিরাতের পূর্বে অতিরিক্ত ৫টি তাকবীর দেওয়া হবে।
- উভয় পদ্ধতিই হাদিস দ্বারা প্রমাণিত, কোনোটিকে নিয়ে বিবাদ বা মতভেদ করা উচিত নয়।
ঈদের দিনের ১২টি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাতসমূহ
১. ফজরের নামাজ জামাতে পড়া
২. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে গোসল করা
৩. মিসওয়াক করা ও সুগন্ধি লাগানো
৪. উত্তম বা নতুন পোশাক পরিধান করা
৫. কুরবানীর নামাজ শেষে কুরবানীর গোশত দিয়ে আহার করা
৬. সামর্থ্যবানদের কুরবানী সম্পন্ন করা
৭. পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া
৮. যাওয়ার পথে উচ্চৈঃস্বরে তাকবীর পাঠ করা
৯. এক রাস্তায় যাওয়া এবং অন্য রাস্তায় ফেরা
১০. যথাসম্ভব উন্মুক্ত ঈদগাহে নামাজ আদায় করা
১১. একে অপরের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় (তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না)
১২. গরীব-মিসকীন ও আত্মীয়দের খোঁজখবর নেওয়া
সহীহ হাদিস ভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ নামাজ শিক্ষা গাইড
তাকবীরে তাহরীমা থেকে সালাম পর্যন্ত প্রতিটি রুকন, তাশাহহুদ ও গুরুত্বপূর্ণ দোয়াসমূহ রেফারেন্সসহ পড়ুন।
