hadith book logo

হাদিস সম্ভার: হাদিস ৪৪০

৪. আন্তরিক কর্মাবলী অধ্যায়

جمع الحديث

৪/১৯ পরিচ্ছেদঃ

পরকালের কাজে প্রতিযোগিতা করা এবং বরকতময় জিনিস অধিক কামনা করার বিবরণ

আল্লাহ তাআলা বলেন, (আরবি) অর্থাৎ, এ ব্যাপারে (জান্নাত লাভের জন্য) প্রতিযোগীরা প্রতিযোগিতা করুক। (সূরা মুত্বাফফিফীন ২৬ আয়াত)
৪৪০
হাদিস সম্ভার
সহিহ হাদিস
عَن أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُ أَنَّ عَمَّهُ غَابَ عَن بَدْرٍ فَقَالَ غِبْتُ عَن أَوَّلِ قِتَالِ النَّبِيِّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم لَئِنْ أَشْهَدَنِي اللهُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم لَيَرَيَنَّ اللهُ مَا أُجِدُّ فَلَقِيَ يَوْمَ أُحُدٍ فَهُزِمَ النَّاسُ فَقَالَ اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعْتَذِرُ إِلَيْكَ مِمَّا صَنَعَ هَؤُلَاءِ يَعَني الْمُسْلِمِينَ وَأَبْرَأُ إِلَيْكَ مِمَّا جَاءَ بِهِ الْمُشْرِكُونَ فَتَقَدَّمَ بِسَيْفِهِ فَلَقِيَ سَعْدَ بْنَ مُعَاذٍ فَقَالَ أَيْنَ يَا سَعْدُ إِنِّي أَجِدُ رِيحَ الْجَنَّةِ دُونَ أُحُدٍ فَمَضَى فَقُتِلَ فَمَا عُرِفَ حَتَّى عَرَفَتْهُ أُخْتُهُ بِشَامَةٍ أَوْ بِبَنَانِهِ وَبِهِ بِضْعٌ وَثَمَانُونَ مِنْ طَعَنةٍ وَضَرْبَةٍ وَرَمْيَةٍ بِسَهْمٍ
আনাস (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তাঁর চাচা আনাস ইবনে নায্‌র (রাঃ) বদর যুদ্ধে অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি (আনাস ইবনে নায্‌র) বলেন, আমি নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রথম যুদ্ধে তার সাথে শরীক হতে পারিনি। তাই মহান আল্লাহ যদি আমাকে নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে কোন যুদ্ধে শরীক হওয়ার সুযোগ দেন, তাহলে তিনি অবশ্যই দেখে নেবেন, আমি কী বীরত্ব সহকারে লড়াই করি। উহুদের যুদ্ধের দিন লোকেরা পরাস্ত হয়ে পালাতে শুরু করলে (তা দেখে) তিনি বললেন, হে আল্লাহ! এসব লোক অর্থাৎ মুসলিমগণ যা করলো, আমি তার জন্য তোমার কাছে ওজর পেশ করছি এবং মুশরিকরা যা করলো, তার সাথে সম্পর্কহীনতা ও অসন্তুষ্টি প্রকাশ করছি। এরপর তিনি তরবারি নিয়ে অগ্রসর হলেন। ইত্যবসরে সা’দ ইবনে মুআযের সাথে তাঁর দেখা হলে তিনি (আনাস ইবনে নায্‌র) তাকে বললেন, ‘হে সা’দ তুমি কোথায় পালাচ্ছ? আমি তো উহুদের অপর প্রান্ত থেকে জান্নাতের সুবাস-সুগন্ধি পাচ্ছি।’ এরপর তিনি গিয়ে যুদ্ধ করলেন এবং শাহাদত বরণ করলেন। তাঁর দেহে এত ক্ষতের চিহ্ন ছিলো যে, তাকে চেনা যাচ্ছিলো না। অবশেষে তাঁর বোন তাঁর দেহের তিল-চিহ্ন ও আঙ্গুল দেখে তাকে চিনতে পারলো। তার দেহে আশিরও বেশী বর্শা, তির ও তরবারির আঘাতের চিহ্ন ছিলো।” (বুখারী ৪০৪৮, মুসলিম ১৯০৩নং)