hadith book logo

হাদিস সম্ভার: হাদিস ৬৯৬

৬. সলাত বা নামায অধ্যায়

جمع الحديث

৪/২০ পরিচ্ছেদঃ

আমলের রক্ষণাবেক্ষণ

আল্লাহ তাআলা বলেন, (আরবি) অর্থাৎ, যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে তাদের সময় কি আসেনি যে, আল্লাহর স্মরণে এবং যে সত্য অবতীর্ণ হয়েছে তাতে তাদের হৃদয় ভক্তি-বিগলিত হবে? এবং পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেওয়া হয়েছিল তাদের মত তারা হবে না? বহুকাল অতিক্রান্ত হয়ে গেলে যাদের অন্তর কঠিন হয়ে পড়েছিল। (সূরা হাদীদ ১৬ আয়াত) তিনি আরো বলেন, (আরবি) অর্থাৎ, অতঃপর আমি তাদের অনুগামী করেছিলাম আমার রসূলগণকে এবং অনুগামী করেছিলাম মরিয়্যাম তনয় ঈসাকে আর তাকে দিয়েছিলাম ইঞ্জীল এবং তার অনুসারীদের অন্তরে দিয়েছিলাম করুণা ও দয়া; কিন্তু সন্ন্যাসবাদ এটা তো তারা নিজেরা প্রবর্তন করেছিল, আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের বিধান ছাড়া আমি তাদেরকে এর (সন্ন্যাসবাদ) বিধান দিইনি, অথচ এটাও তারা যথাযথভাবে পালন করেনি। (সূরা হাদীদ ২৭ আয়াত) তিনি আরো বলেন, (আরবি) অর্থাৎ তোমরা সে নারীর মত হয়ে না, যে তার সুতা মজবুত ক’রে পাকবার পর ওর পাক খুলে নষ্ট ক’রে দেয়। (সুরা নাহ্‌ল ৯২ আয়াত) তিনি অন্যত্র বলেছেন, (আরবি) অর্থাৎ, আর তোমার মৃত্যু উপস্থিত হওয়া পর্যন্ত তুমি তোমার প্রতিপালকের ইবাদত কর। (সূরা হিজ্‌র ৯৯ আয়াত) এ মর্মের অন্যতম হাদীস আয়েশা (রাঃ)-র হাদীস, “সেই আমল তাঁর নিকট প্রিয়তম ছিল, যা তার আমলকারী লাগাতার করে থাকে।” (বুখারী ৬৪৬২, মুসলিম ১৮৭০নং)
৬৯৬
হাদিস সম্ভার
সহিহ হাদিস
عَن أُمِّ حُمَيْدٍ قَالَتْ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللهِ يَمْنَعَنا أَزْوَاجُنَا أَنَّ نُصَلِّيَ مَعَكَ وَنُحِبُّ الصَّلاةَ مَعَكَ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم صَلاتُكُنَّ فِي بُيُوتِكُنَّ أَفْضَلُ مِنْ صَلاتِكُنَّ فِي حُجُرِكُنَّ وَصَلاتُكُنَّ فِي حُجُرِكُنَّ أَفْضَلُ مِنْ صَلاتِكُنَّ فِي دُورِكُنَّ وَصَلاتُكُنَّ فِي دُورِكُنَّ أَفْضَلُ مِنْ صَلاتِكُنَّ فِي الْجَمَاعَةِ
উন্মে হুমাইদ (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
একদা আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমাদের স্বামীরা আমাদেরকে আপনার সাথে নামায পড়তে বাধা দেয়। অথচ আমরা আপনার সাথে নামায পড়তে ভালোবাসি।’ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “তোমাদের খাস কক্ষের নামায সাধারণ কক্ষে নামায অপেক্ষা উত্তম, তোমাদের সাধারণ কক্ষের নামায বাড়ির ভিতরে কোন জায়গায় নামায অপেক্ষা উত্তম এবং তোমাদের বাড়ির ভিতরের নামায মসজিদে জামাআতে নামায অপেক্ষা উত্তম।” (আহমাদ ২৭০৯০, ত্বাবারানী ২০৮৬৪, বাইহাক্বী ৫১৫৪, সহীহুল জামে’ ৩৮৪৪নং)