১৮৮৪
মিশকাতুল মাসাবিহوَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللّهُ عَنْهَا قَالَتْ: كَانَ لِرَسُولِ اللّهِ ﷺ عِنْدِىْ فِىْ مَرَضِه سِتَّةُ دَنَانِيرَ أَوْ سَبْعَةٌ فَأَمَرَنِىْ رَسُولُ اللّهِ ﷺ أَنْ أُفَرِّقَهَا فَشَغَلَنِىْ وَجَعُ نَبِيِّ اللّهِ ﷺ ثُمَّ سَأَلَنِىْ عَنْهَا: «مَا فَعَلَتِ السِّتَّةَ أَوِ السَّبْعَةً؟» قُلْتُ: لَا وَاللهِ لَقَدْ كَانَ شَغَلَنِىْ وَجَعُكَ فَدَعَا بِهَا ثُمَّ وَضَعَهَا فِىْ كَفِّه فَقَالَ: «مَا ظَنُّ نَبِيِّ اللّهِ لَوْ لَقِيَ اللّهَ عَزَّ وَجَلَّ وَهذِه عِنْدَه؟» . رَوَاهُ أَحْمَدُ
আয়িশাহ্ (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আমার কাছে (‘আরবে তখনকার প্রচলিত) ছয় কি সাতটি দীনার রক্ষিত ছিল।(মৃত্যু শয্যায় থাকাকালে) তিনি আমাকে তা বণ্টন করে দেবার নির্দেশ দিলেন। কিন্তু তাঁর রোগের তীব্রতা কারণে আমি ব্যস্ত থাকাতে ভুলে গিয়েছিলাম। তিনি আমাকে পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, ঐ ছয় কি সাতটি দীনার তুমি কি করেছ? আমি বললাম, এখনো বণ্টন করা হয়নি। আল্লাহ্র কসম! আপনার রোগযন্ত্রণা আমাকে ব্যস্ত রেখেছে। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন দীনারগুলো চেয়ে নিজের হাতে রেখে বললেন, এ কথা কি ভাবা যায় যে, আল্লাহর নাবী আল্লাহর সাথে মিলিত হবেন অথচ সে সময় তাঁর হাতে এ দীনারগুলো থেকে যাবে! (আহমদ) [১]
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
[১] সহীহ : আহমাদ ২৪৭৩৩, ইবনু হিব্বান ৩২১৩, সুনানুল বায়হাক্বী লিল কুবরা ১৩০২৯, সিলসিলাহ্ আস্ সহীহাহ্ ১০১৪।