২৪৭২
মিশকাতুল মাসাবিহوَعَنْ شُتَيْرِ بْنِ شَكَلِ بْنِ حُمَيْدٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قُلْتُ: يَا نَبِىَّ اللّٰهِ عَلِّمْنِىْ تَعْوِيذًا أَتَعَوَّذُ بِه قَالَ: «قُلِ اَللّٰهُمَّ إِنِّىْ أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ سَمْعِىْ وَمِنْ شَرِّ بَصَرِىْ وَشَرِّ لِسَانِىْ وَشَرِّ قَلْبِىْ وَشَرِّ مَنِيِّىْ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَالتِّرْمِذِىُّ وَالنَّسَائِىُّ
তায়র ইবনু শাকাল ইবনু হুমায়দ (রহঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তাঁর পিতা শাকাল (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি একদিন বললাম, হে আল্লাহর নাবী! আমাকে এমন একটি দু‘আ শিখিয়ে দিন, যা দিয়ে আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে পারি। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, পড়-
‘‘আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিন্ শাররি সাম্‘ঈ, ওয়ামিন্ শাররি বাসারী, ওয়া শাররি লিসা-নী ওয়া শাররি কলবী ওয়া শাররি মানিয়্যি’’
(অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই- আমার কানের [মন্দ শোনার] অনিষ্টতা, চোখের [দেখার] অনিষ্টতা, আমার মুখের [বলার] অনিষ্টতা, আমার কলবের [অন্তরের চিন্তা-ভাবনার] অনিষ্টতা ও বীর্যের [যিনা-ব্যভিচারের] অনিষ্টতা হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য।)। (আবূ দাঊদ, তিরমিযী ও নাসায়ী)[১]
‘‘আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিন্ শাররি সাম্‘ঈ, ওয়ামিন্ শাররি বাসারী, ওয়া শাররি লিসা-নী ওয়া শাররি কলবী ওয়া শাররি মানিয়্যি’’
(অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই- আমার কানের [মন্দ শোনার] অনিষ্টতা, চোখের [দেখার] অনিষ্টতা, আমার মুখের [বলার] অনিষ্টতা, আমার কলবের [অন্তরের চিন্তা-ভাবনার] অনিষ্টতা ও বীর্যের [যিনা-ব্যভিচারের] অনিষ্টতা হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য।)। (আবূ দাঊদ, তিরমিযী ও নাসায়ী)[১]
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ১৫৫১, তিরমিযী ৩৪৯২, নাসায়ী ৫৪৫৫, ইবনু আবী শায়বাহ্ ২৯৪৫, আহমাদ ১৫৫৪১, সহীহ আল জামি‘ ১২৯২, ৪৩৯৯।