৪৮৬
মিশকাতুল মাসাবিহعَنْ يَحْىَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمنِ قَالَ اِنَّ عُمَرَ خَرَجَ فَىْ رَكْبٍ فِيْهِمْ عَمْرُو بْنُ الْعَاصِ حَتّى وَرَدُوْا حَوْضًا فَقَالَ عَمْرٌو يَا صَاحِبَ الْحَوْضِ هَلْ تَرِدُ حَوْضَكَ السِّبَاعُ فَقَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يَا صَاحِبَ الْحَوْضِ لَا تُخْبِرْنَا فَاِنَّا نَرِدُ عَلَى السِّبَاعِ وَتَرِدُ عَلَيْنَا. رَوَاهُ مَالِكٌ
ইয়াহ্ইয়া ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এক কাফিলার সাথে বের হলেন। এদের মধ্যে ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ)–ও ছিলেন। পথ চলতে চলতে তাঁরা একটি হাওযের কাছে পৌঁছলেন। তখন ‘আমর ইবনুল আস (রাঃ) বললেন, হে হাওযের মালিক! তোমার হাওযে হিংস্র জন্তরা ও কি পানি পান করতে আসে? ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বলেন, হে হাওযের মালিক! আমাদেরকে এ সংবাদ দিও না। এ পানির ঘাটে কখনো আমরা আসি আর কখনো আসে জন্তু জানোয়ার। (তাতে অসুবিধা কী?) [১]
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
[১] য‘ঈফ : মুয়াত্ত্বা মালিক ৪৫। কারণ ইয়াহ্ইয়া ইবনু ‘আবদুর রহমান ‘উমার (রাঃ)-এর সাক্ষাৎ লাভ করেননি। বরং তিনি ‘আলী (রাঃ) ও ‘উসমান (রাঃ)-এর সাক্ষাৎ লাভ করেছেন। ইবনু মা‘ঈন বলেনঃ কেউ কেউ বলেছেন যে সে (ইয়াহ্ইয়া) ‘উমার (রাঃ)-এর কাছ থেকে শুনেছে কিন্তু এটি সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে তার পিতা ‘আবদুর রহমান ‘উমার (রাঃ)-এর কাছ থেকে শুনেছেন সে নয়।