তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে ফরয সলাত শেষে লোকেরা উচ্চৈঃস্বরে তাকবীর বা অন্য কোন যিক্র পাঠ করত। [১৩] আবূ মা’বাদ বলেন, ‘আবদূল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস আরো বলেছেনঃ ঐ উচ্চৈঃস্বরে শুনেই আমি সলাত শেষ হওয়ার কথা বুঝতে পারতাম। (ই.ফা. ১১৯৪, ই.সে. ১২০৫)
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
[১৩] ইমাম নাবাবী (রহঃ) বলেন, কোন কোন সালাফ বা ইবনু হায্ম জাহিরী (রহঃ) -এর মতে সালাম শেষে উচ্চৈঃস্বরে মাসনূন যিক্র পাঠ মুস্তাহাব। আর ইবনু বাত্ত্বল-এর মতে, অনুসরণীয় ইমামগনের নিকট যিক্রসমূহ ও তাকবীর নীরবে পঠনীয়। ইমাম শাফি’ঈ (রহঃ) এর বক্তব্য হলোঃ উচৈস্বরে যিক্র পাঠ সর্বদা ছিল না; তাই ইমাম সাহেব যিক্রসমূহ শিক্ষাদানের জন্য কিছুদিন সালাম ফিরানোর পর জোরে জোরে শোনাতে পারেন। (শারহে মুসলিম- ১ম ২১৭ পৃষ্ঠা) উল্লেখ্য যে, প্রচলিত সমবেত মুনাজাতটা পদ্ধতিগত ও এক্ষেত্রে মাসনূন যিক্র নয় এমন ভিন্ন দু’আ পঠিত হওয়া এসব মিলিয়ে এটা পরিত্যাজ্য বিদ’আত।
হাদিস ফটো স্টুডিও
ইসলামিক ওয়ালপেপার সার্চ, হাদিস কার্ড ডিজাইন ও ডাউনলোড সুবিধা
মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।