তবে বর্ণনাকারী কুতায়বাহ্ তার বর্ণনায় “তারা ‘আওয়ালী বা শহরতলীর দিকে চলে যেত” কথাটা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা.১২৮২, ই.সে.১২৯৫)
সহিহ মুসলিম: হাদিস ১২৯৫
৫. মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ
صحيح مسلم
১/৩৪ পরিচ্ছেদঃ
সলাত পরিত্যাগকারীর উপর কুফর শব্দের প্রয়োগ
১২৯৫
সহিহ মুসলিমحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي الْعَصْرَ وَالشَّمْسُ مُرْتَفِعَةٌ حَيَّةٌ فَيَذْهَبُ الذَّاهِبُ إِلَى الْعَوَالِي فَيَأْتِي الْعَوَالِيَ وَالشَّمْسُ مُرْتَفِعَةٌ . وَلَمْ يَذْكُرْ قُتَيْبَةُ فَيَأْتِي الْعَوَالِيَ .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সময় সলাত আদায় করতেন সূর্য তখনও আকাশের অনেক উপরে অবস্থান করত এবং তখনও তার তেজ বিদ্যমান থাকত। (অর্থাৎ-তেজ কমে বর্ণ পরিবর্তন হত না) সলাত শেষে যার দরকার পড়ত সে মাদীনার ‘আওয়ালী বা শহরতলীর দিকে চলে যেত এবং সেখানে পৌছার পরেও সূর্য আকাশের বেশ উপরে থাকত।[১]
তবে বর্ণনাকারী কুতায়বাহ্ তার বর্ণনায় “তারা ‘আওয়ালী বা শহরতলীর দিকে চলে যেত” কথাটা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা.১২৮২, ই.সে.১২৯৫)
তবে বর্ণনাকারী কুতায়বাহ্ তার বর্ণনায় “তারা ‘আওয়ালী বা শহরতলীর দিকে চলে যেত” কথাটা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা.১২৮২, ই.সে.১২৯৫)
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
[১] ‘আওয়ালী মাদীনাহ্ নগরীর চতুস্পার্শ্বস্থ গ্রামসমূহ যেগুলো মাদীনার ২/৩ মাইল থেকে ৮ মাইল পর্যন্ত সীমানায় অবস্থিত। (শারহে মুসলিম- ১ম খন্ড ২২৫ পৃষ্ঠা) ]