ইমাম মুসলিম বলেছেনঃ আশজা’ঈ (রহঃ) …… বারাইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বেশ কিছু দিন যাবৎ আমরা ও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াতটি (পূর্বোক্তরূপে) পড়তাম। ফুযায়ল ইবনু মারযূক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা.১৩০২, ই.সে.১৩১৪ (ক) )
সহিহ মুসলিম: হাদিস ১৩১৫
৫. মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ
صحيح مسلم
১/৩৬ পরিচ্ছেদঃ
শিরক ঘৃণ্যতম গুনাহ এবং শিরকের পরে সর্বাপেক্ষা বড় গুনাহ
১৩১৫
সহিহ মুসলিমحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْحَنْظَلِيُّ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، حَدَّثَنَا الْفُضَيْلُ بْنُ مَرْزُوقٍ، عَنْ شَقِيقِ بْنِ عُقْبَةَ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، قَالَ نَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَصَلاَةِ الْعَصْرِ . فَقَرَأْنَاهَا مَا شَاءَ اللَّهُ ثُمَّ نَسَخَهَا اللَّهُ فَنَزَلَتْ { حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلاَةِ الْوُسْطَى} فَقَالَ رَجُلٌ كَانَ جَالِسًا عِنْدَ شَقِيقٍ لَهُ هِيَ إِذًا صَلاَةُ الْعَصْرِ . فَقَالَ الْبَرَاءُ قَدْ أَخْبَرْتُكَ كَيْفَ نَزَلَتْ وَكَيْفَ نَسَخَهَا اللَّهُ . وَاللَّهُ أَعْلَمُ .
قَالَ مُسْلِمٌ وَرَوَاهُ الأَشْجَعِيُّ عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ شَقِيقِ بْنِ عُقْبَةَ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، قَالَ قَرَأْنَاهَا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم زَمَانًا . بِمِثْلِ حَدِيثِ فُضَيْلِ بْنِ مَرْزُوقٍ .
বারা ইবনু আযিব (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, এ আয়াতটি এভাবে অবতীর্ণ হয়েছিল- (আরবী)। যতদিন আল্লাহর ইচ্ছা ছিল ততদিন এভাবেই আমরা আয়াতটি তিলাওয়াত করতাম। অতঃপর মহান আল্লাহ আয়াতটি ‘মানসূখ’ বা বাতিল ঘোষণা করে এভাবে অবতীর্ণ করলেন, (আরবী) (পূর্বোক্ত আয়াতটির অর্থ দাঁড়ায় সলাত সমূহের ও আসরের সলাতের রক্ষণাবেক্ষণ করো। পরবর্তীকালে নাযিলকৃত আয়াতটির অর্থ দাঁড়ায় সলাতসমূহের রক্ষণাবেক্ষণ করো এবং (আরবী) বা মধ্যবর্তী কালীন সলাতের রক্ষণাবেক্ষণ করো। বর্ণনাকারী শ্বাক্বীক ইবনু ‘উকবাহ্ এর কাছে জনৈক ব্যক্তি বসেছিল। এ কথা শুনে তিনি বারা ইবনু ‘আযিবকে লক্ষ্য করে বললঃ তাহলে তো এ কথা দ্বারা আসরের সলাতই বুঝায়। বারা ইবনু ‘আযিব তাকে বললেনঃ কী পরিস্থিতিতে কেমন করে পূর্বোক্ত আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছিল এবং কী পরিস্থিতিতে কেমন করে তা ‘মানসূখ’ বা বাতিল হয়েছিল, তা আমি তোমাকে বলে দিয়েছি। আর আল্লাহ তা’আলাই এ সম্পর্কে সমধিক পরিজ্ঞাত। (ই.সে.১৩১৪)
ইমাম মুসলিম বলেছেনঃ আশজা’ঈ (রহঃ) …… বারাইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বেশ কিছু দিন যাবৎ আমরা ও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াতটি (পূর্বোক্তরূপে) পড়তাম। ফুযায়ল ইবনু মারযূক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা.১৩০২, ই.সে.১৩১৪ (ক) )
ইমাম মুসলিম বলেছেনঃ আশজা’ঈ (রহঃ) …… বারাইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বেশ কিছু দিন যাবৎ আমরা ও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াতটি (পূর্বোক্তরূপে) পড়তাম। ফুযায়ল ইবনু মারযূক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা.১৩০২, ই.সে.১৩১৪ (ক) )