এ হাদীসে আরো আছে, তিনি আমাদের উদ্দেশে বললেনঃ “যাকাতের এ অর্থ হলো মানুষের (সম্পদের) আবর্জনা। তাই এ অর্থ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর বংশধরদের জন্য হালাল নয়।” অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মাহ্মিয়্যাহ্ ইবনু জায-কে আমার কাছে ডেকে আনো। তিনি বানী আসাদ গোত্রের লোক ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে খুমুসের (গনীমাতের মালের) কোষাধ্যক্ষ নিয়োগ করেছিলেন। (ই. ফা. ২৩৫০, ই. সে. ২৩৫০)
সহিহ মুসলিম: হাদিস ২৩৭২
১৩. যাকাত
صحيح مسلم
১/৫১ পরিচ্ছেদঃ
‘আমাল বিনষ্ট হওয়া সম্পর্কে মু’মিনের আশঙ্কা
২৩৭২
সহিহ মুসলিমحَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مَعْرُوفٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ، شِهَابٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ نَوْفَلٍ الْهَاشِمِيِّ، أَنَّ عَبْدَ الْمُطَّلِبِ بْنَ رَبِيعَةَ بْنِ الْحَارِثِ، بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ أَخْبَرَهُ أَنَّ أَبَاهُ رَبِيعَةَ بْنَ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ وَالْعَبَّاسَ بْنَ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ قَالاَ لِعَبْدِ الْمُطَّلِبِ بْنِ رَبِيعَةَ وَلِلْفَضْلِ بْنِ عَبَّاسٍ ائْتِيَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَسَاقَ الْحَدِيثَ بِنَحْوِ حَدِيثِ مَالِكٍ وَقَالَ فِيهِ فَأَلْقَى عَلِيٌّ رِدَاءَهُ ثُمَّ اضْطَجَعَ عَلَيْهِ وَقَالَ أَنَا أَبُو حَسَنٍ الْقَرْمُ وَاللَّهِ لاَ أَرِيمُ مَكَانِي حَتَّى يَرْجِعَ إِلَيْكُمَا ابْنَاكُمَا بِحَوْرِ مَا بَعَثْتُمَا بِهِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . وَقَالَ فِي الْحَدِيثِ ثُمَّ قَالَ لَنَا " إِنَّ هَذِهِ الصَّدَقَاتِ إِنَّمَا هِيَ أَوْسَاخُ النَّاسِ وَإِنَّهَا لاَ تَحِلُّ لِمُحَمَّدٍ وَلاَ لآلِ مُحَمَّدٍ " . وَقَالَ أَيْضًا ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " ادْعُوَا لِي مَحْمِيَةَ بْنَ جَزْءٍ " . وَهُوَ رَجُلٌ مِنْ بَنِي أَسَدٍ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم اسْتَعْمَلَهُ عَلَى الأَخْمَاسِ .
‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রবী’আহ্ ইবনু হারিস ইবনু ‘আবদুল মুত্ত্বালিব (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রাবী’আহ্ ইবনু হারিস ও ‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্ত্বালিব উভয়ে নিজ নিজ পুত্র ‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রাবী’আহ্ ও ফায্ল ইবনু ‘আব্বাসকে বললেন, তোমরা দু’জন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যাও। হাদীসের বাকী অংশ মালিক কর্তৃক বর্ণিত উপরের হাদীসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে- তারপর ‘আলী (রাঃ) নিজের চাদর বিছিয়ে শুয়ে পড়লেনে এবং বললেন, “আমি হাসানের পিতা এবং সাইয়্যিদ। আল্লাহর শপথ! তোমরা যে কথা বলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে তোমার ছেলেদের পাঠিয়েছো তারা তার জবাব নিয়ে না আসা পর্যন্ত আমি এখান থেকে নড়ব না।
এ হাদীসে আরো আছে, তিনি আমাদের উদ্দেশে বললেনঃ “যাকাতের এ অর্থ হলো মানুষের (সম্পদের) আবর্জনা। তাই এ অর্থ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর বংশধরদের জন্য হালাল নয়।” অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মাহ্মিয়্যাহ্ ইবনু জায-কে আমার কাছে ডেকে আনো। তিনি বানী আসাদ গোত্রের লোক ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে খুমুসের (গনীমাতের মালের) কোষাধ্যক্ষ নিয়োগ করেছিলেন। (ই. ফা. ২৩৫০, ই. সে. ২৩৫০)
এ হাদীসে আরো আছে, তিনি আমাদের উদ্দেশে বললেনঃ “যাকাতের এ অর্থ হলো মানুষের (সম্পদের) আবর্জনা। তাই এ অর্থ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর বংশধরদের জন্য হালাল নয়।” অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মাহ্মিয়্যাহ্ ইবনু জায-কে আমার কাছে ডেকে আনো। তিনি বানী আসাদ গোত্রের লোক ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে খুমুসের (গনীমাতের মালের) কোষাধ্যক্ষ নিয়োগ করেছিলেন। (ই. ফা. ২৩৫০, ই. সে. ২৩৫০)