‘আবদুল আ’লা ইবনু হাম্মাদ, আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ্, যুহায়র ইবনু হার্ব, হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহ্ইয়া, হাসান আল হুলওয়ানী ও ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) থেকে পূর্ব বর্ণিত সানাদের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (তবে প্রত্যেক রিওয়ায়াতে কিছু ব্যবধান যেমন) ইবনু ‘উয়াইনাহ্ তার রিওয়ায়াতে (আরবী) কথাটির উল্লেখ করেন। ইউনুস তাঁর রিওয়ায়াতে (আরবী) এর উল্লেখ করেছেন (আরবী) উল্লেখ করেননি। সালিহ তাঁর রিওয়ায়াতে লায়স বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ (আরবী) বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণনায় আরও রয়েছে, সে সময় এক একটি সাজদাহ পৃথিবী ও পৃথিবীর সমুদয় সম্পদ অপেক্ষা অধিক শ্রেয় বলে বিবেচিত হবে। তারপর আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেনঃ ইচ্ছা করলে তোমরা এ আয়াতটি পড়তে পার : “কিতাবীদের মধ্যে প্রত্যেকে তার মৃত্যুর পূর্বে তাঁকে [‘ঈসা (আ.-কে)] বিশ্বাস করবেই এবং কিয়ামাতের দিন তিনি তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবেন”-(সূরাহ আন্ নিসা ৪ : ১৫৯)। (ই.ফা. ২৮৬, ২৮৭; ই.সে. ২৯৭, ২৯৮)
[৬৩] জিযয়াহ্ রহিত করা তো মুহাম্মাদী শারী’আতের পরিপন্থী। এর সঠিক উত্তর এই যে, এ নির্দেশ শারী’আতে মুহাম্মাদীর পরিপন্থী নয়। এজন্য যে, জিয্য়াহ্ বা কর গ্রহণ করার হুকুম ‘ঈসা (‘আঃ) আসার পূর্ব পর্যন্ত থাকবে। যখন ‘ঈসা (‘আঃ) এসে যাবেন তখন জিয্য়াহ্ রহিত হয়ে যাবে। যা হাদীসে প্রকাশ্যে বলা হয়েছে। আর সম্পদ বেশি হওয়ার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ ‘আদল ও ইনসাফের কারণে খুব বারাকাত হবে ও মাল বেশি হবে। ভূগর্ভের খনিজ সম্পদ উত্তোলন করা হবে। অন্য হাদীসে এসেছে : কিয়ামাত নিকটবর্তী হওয়ার কারণে অর্থ-সম্পদের দিকে মানুষের লোভ-লালসা থাকবে না। কাজেই কেউ মাল দিতে চাইলে তা গ্রহণ করতে রাজি হবে না। (সংক্ষিপ্ত নাবাবী)