১. যখন সে মুক্তি লাভ করেছিল তখন স্বামীর (বৈবাহিক সূত্র বহাল রাখা, না রাখার ) ব্যাপারে তাকে ইখ্তিয়ার প্রদান করা হয়েছিল।
২. তাকে গোশ্ত সদাকাহ্ করা হয়েছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের (‘আয়িশাহ্র) কাছে এলেন। তখন গোশতের হাঁড়ি চুলার উপর টগবগ করছিল। তিনি খাবার চাইলেন। তখন তাঁর সামনে রুটি এবং ঘর থেকে তরকারী পরিবেশন করা হল। তিনি বললেনঃ আমি কি লক্ষ্য করিনি যে, চুলার উপর হাঁড়ি আছে যার মধ্যে গোশ্ত রয়েছে। তারা বললেনঃ জ্বি হ্যাঁ, আল্লাহ্র রসূল! ওটা তো বারীরাকে সদাকাহ্ দেয়া গোশ্ত। আমরা তা থেকে আপনাকে খাওয়ানো পছন্দ করিনা। তখন তিনি বললেনঃ এতো তার জন্য সদাকাহ্ এবং তার পক্ষ থেকে তা আমাদের জন্য হাদিয়া।
৩. নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার (বারীরার) মুক্তির ব্যাপারে বললেনঃ আসলে ‘ওয়ালা’ সে-ই পাবে যে আযাদ করে। (ই.ফা. ৩৬৪৪, ই.সে. ৩৬৪৪)