আবূ উসমান (রহঃ) বলেন, আমাদের বুঝতে দেরী হলো না যে, তিনি (এ দ্বারা) নক্শী ও নক্শার দিকে ইশারা করছেন। (ই.ফা. ৫২৪১, ই.সে. ৫২৫৪)
সহিহ মুসলিম: হাদিস ৫৩০৮
৩৮. পোশাক ও সাজসজ্জা
صحيح مسلم
১/২ পরিচ্ছেদঃ
সলাতের বর্ণনা যা ইসলামের একটি রুকন
৫৩০৮
সহিহ মুসলিমحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ - وَاللَّفْظُ لاِبْنِ الْمُثَنَّى - قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ، بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا عُثْمَانَ النَّهْدِيَّ، قَالَ جَاءَنَا كِتَابُ عُمَرَ وَنَحْنُ بِأَذْرَبِيجَانَ مَعَ عُتْبَةَ بْنِ فَرْقَدٍ أَوْ بِالشَّامِ أَمَّا بَعْدُ فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنِ الْحَرِيرِ إِلاَّ هَكَذَا إِصْبَعَيْنِ . قَالَ أَبُو عُثْمَانَ فَمَا عَتَّمْنَا أَنَّهُ يَعْنِي الأَعْلاَمَ.
আবূ উসমান (রহঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমরা উতবাহ্ ইবনু ফারকাদ (রহঃ) এর সঙ্গে আজারবাইজান কিংবা সিরিয়ায় ছিলাম। তখন আমাদের নিকট উমার (রাঃ) এর কাছ থেকে এ মর্মে একটি চিঠি এলো যে, আম্মা বা’দু, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রেশমী বস্ত্র পরিধান করতে বারণ করেছেন, তবে দু’আঙ্গুল পরিমাণ বৈধ হবে।
আবূ উসমান (রহঃ) বলেন, আমাদের বুঝতে দেরী হলো না যে, তিনি (এ দ্বারা) নক্শী ও নক্শার দিকে ইশারা করছেন। (ই.ফা. ৫২৪১, ই.সে. ৫২৫৪)
আবূ উসমান (রহঃ) বলেন, আমাদের বুঝতে দেরী হলো না যে, তিনি (এ দ্বারা) নক্শী ও নক্শার দিকে ইশারা করছেন। (ই.ফা. ৫২৪১, ই.সে. ৫২৫৪)