রাবী বলেন, আনাস (রাঃ) যখনই কোন দু‘আ করার সংকল্প করতেন তখন তিনি [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ন্যায়] দু‘আ করতেন। তারপর যখন তিনি কোন ব্যাপারে দু‘আ করার সংকল্প করতেন তখন তাতে এ দু‘আ পড়তেন। (ই.ফা. ৬৫৯৬, ই.সে. ৬৬৪৮)
সহিহ মুসলিম: হাদিস ৬৭৩৩
৪৯. যিক্র, দু’আ, তওবা ও ইস্তিগফার
صحيح مسلم
১/৯ পরিচ্ছেদঃ
যে ব্যক্তি তাওহীদের উপর মৃত্যুবরণ করবে সে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে- এর দলীল প্রমাণ
৬৭৩৩
সহিহ মুসলিমحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنِي ابْنَ عُلَيَّةَ - عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ، - وَهُوَ ابْنُ صُهَيْبٍ - قَالَ سَأَلَ قَتَادَةُ أَنَسًا أَىُّ دَعْوَةٍ كَانَ يَدْعُو بِهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَكْثَرَ قَالَ كَانَ أَكْثَرُ دَعْوَةٍ يَدْعُو بِهَا يَقُولُ " اللَّهُمَّ آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ " . قَالَ وَكَانَ أَنَسٌ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَدْعُوَ بِدَعْوَةٍ دَعَا بِهَا فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَدْعُوَ بِدُعَاءٍ دَعَا بِهَا فِيهِ .
‘আবদুল ‘আযীয ইবনু সুহায়ব (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, কাতাদাহ্ আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন্ দু‘আ সর্বাধিক পড়তেন? তিনি বললেন, তিনি যে দু‘আ দ্বারা সর্বাধিক দু‘আ করতেন তাতে বলতেন : “আল্ল-হুম্মা আ-তিনা- ফিদ্দুন্ইয়া- হাসানাতাও ওয়াফিল আ-খিরতি হাসানাতাও ওয়াকিনা- ‘আযা-বান্ না-র”। অর্থাৎ- ‘হে আল্লাহ! আমাদেরকে দুনিয়ায় কল্যাণ দান কর এবং আখিরাতে কল্যাণ দান কর। আর আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি হতে বাঁচিয়ে রাখো।’
রাবী বলেন, আনাস (রাঃ) যখনই কোন দু‘আ করার সংকল্প করতেন তখন তিনি [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ন্যায়] দু‘আ করতেন। তারপর যখন তিনি কোন ব্যাপারে দু‘আ করার সংকল্প করতেন তখন তাতে এ দু‘আ পড়তেন। (ই.ফা. ৬৫৯৬, ই.সে. ৬৬৪৮)
রাবী বলেন, আনাস (রাঃ) যখনই কোন দু‘আ করার সংকল্প করতেন তখন তিনি [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ন্যায়] দু‘আ করতেন। তারপর যখন তিনি কোন ব্যাপারে দু‘আ করার সংকল্প করতেন তখন তাতে এ দু‘আ পড়তেন। (ই.ফা. ৬৫৯৬, ই.সে. ৬৬৪৮)