মা‘মার তাঁর বর্ণনায় যেমন বলেছেন। আর সালিহ-এর হাদীসের মধ্যে ইউনুসের বর্ণনার মতো এতে রয়েছে (আরবী) অর্থাৎ- ‘গোত্রীয় আত্মম্ভরিতা তাকে উত্তেজিত করলো।’
সালিহ-এর হাদীসে এটাও রয়েছে যে, ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ)-কে কটু বাক্য বলার বিষয়টিকে অপছন্দ করতেন। তিনি বলতেন, হাস্সান তো নিম্নোক্ত কবিতা রচনা করেছেন,
“আমার পিতা-মাতা, আমার ইয্যত সবই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইয্যত-সম্মানের জন্যে রক্ষাকবচ।”
এতে এটাও বর্ধিত রয়েছে যে, ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, যে লোকের ব্যাপারে দোষারোপ করা হয়েছে তিনি বলতেন, সুবহানাল্লাহ! আল্লাহর কসম! আমি কক্ষনো কোন মহিলার-আবরণ খুলিনি। অতঃপর তিনি আল্লাহর পথে শাহীদ হন।
ইয়া’কূব ইবনু ইব্রাহীম-এর হাদীসে রয়েছে (আরবী)
কিন্তু ‘আবদুর রায্যাক (রহঃ) বলেন, (আরবী)
‘আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) বলেন, আমি ‘আবদুর রায্যাককে (আবরী) শব্দের ব্যাখ্যা সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, (আরবী) অর্থ কঠিন গরম। (ই.ফা. ৬৭৬৪, ই.সে. ৬৮১৯)