ইবনু আবী শাইবাহ্-এর বর্ণনাতে (আরবি) অর্থাৎ একই ব্যক্তির চরিত্রের। আর আবূ কুরায়ব-এর বর্ণনাতে (আরবি) অর্থাৎ একই ব্যক্তির গঠনের ন্যায় হবে। কিন্তু ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) বলেছেন, তাদের আকৃতি আদি পিতা আদাম (‘আঃ)-এর ন্যায় হবে। (ই.ফা. ৬৮৮৭, ই.সে. ৬৯৪৪)
সহিহ মুসলিম: হাদিস ৭০৪২
৫৩. জান্নাত, জান্নাতের নি’আমাত ও জান্নাতবাসীদের বর্ণনা
صحيح مسلم
১/৬ পরিচ্ছেদঃ
তাওহীদ ও রিসলাতের শাহাদাত এবং ইসলামের বিধানের দিকে আহবান
৭০৪২
সহিহ মুসলিমআবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রথমে আমার উম্মাতের যে দলটি জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের চেহারা হবে পূর্ণিমার চাঁদের মতো আলোকিত। তারপর যারা জান্নাতে যাবে তাদের মুখমণ্ডল হবে ঊর্ধ্বাকাশে উদিত তারকারাজির মতো। অতঃপর যারা জান্নাতে দাখিল হবে তাদের কয়েকটি ধাপ হবে। তারা প্রস্রাব-পায়খানা করবে না, নাক ঝাড়বে না এবং থু-থু ফেলবে না। তাদের চিরুনি হবে স্বর্ণের এবং তাদের ধূপদানী হবে আলূওয়াহ্ নামক সুগন্ধিযুক্ত কাষ্ঠের। তাদের শরীরের ঘাম হতে মিশকের ঘ্রাণ বিচ্ছুরিত হবে। তাদের চরিত্র একই ব্যক্তির চরিত্রের ন্যায় হবে। তারা তাদের আদি পিতা আদাম (‘আঃ)-এর মতো ষাট হাত দীর্ঘ হবে।
ইবনু আবী শাইবাহ্-এর বর্ণনাতে (আরবি) অর্থাৎ একই ব্যক্তির চরিত্রের। আর আবূ কুরায়ব-এর বর্ণনাতে (আরবি) অর্থাৎ একই ব্যক্তির গঠনের ন্যায় হবে। কিন্তু ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) বলেছেন, তাদের আকৃতি আদি পিতা আদাম (‘আঃ)-এর ন্যায় হবে। (ই.ফা. ৬৮৮৭, ই.সে. ৬৯৪৪)
ইবনু আবী শাইবাহ্-এর বর্ণনাতে (আরবি) অর্থাৎ একই ব্যক্তির চরিত্রের। আর আবূ কুরায়ব-এর বর্ণনাতে (আরবি) অর্থাৎ একই ব্যক্তির গঠনের ন্যায় হবে। কিন্তু ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) বলেছেন, তাদের আকৃতি আদি পিতা আদাম (‘আঃ)-এর ন্যায় হবে। (ই.ফা. ৬৮৮৭, ই.সে. ৬৯৪৪)