কাতাদাহ্ (রহঃ) বলেন, আমি প্রশ্ন করলাম, হে আবূ ‘আবদুল্লাহ! এমনটি কি হবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ অবশ্যই। জাহিলিয়্যাতের যুগে আমি তাদেরকে পেয়েছি। আর এরূপ এক গোত্রে কোন এক লোক ছিল। সে বকরী চরাতো। দাসী ছাড়া সেখানে তার কাছে কেউ যেত না। তার সাথেই সে সহবাস করত। (ই.ফা. ৬৯৪৬, ই.সে. ৭০০৪)
সহিহ মুসলিম: হাদিস ৭১০২
৫৩. জান্নাত, জান্নাতের নি’আমাত ও জান্নাতবাসীদের বর্ণনা
صحيح مسلم
১/১৬ পরিচ্ছেদঃ
প্রতিবেশী ও মেহমানকে সম্মান প্রদর্শন করতে উৎসাহিত করা, কল্যাণ সাধন ব্যতীত নিরবতা অবলম্বন করা এবং এগুলো ঈমানের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বর্ণনা
৭১০২
সহিহ মুসলিমবানী মুজাশি’-এর ভাই ‘ইয়ায ইবনু হিমার (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভাষণ প্রদানকালে আমাদের মাঝে দাঁড়িয়ে বললেনঃ আল্লাহ তা‘আলা আমাকে আদেশ দিয়েছেন। তারপর তিনি কাতাদাহ্ (রহঃ) হতে হিশাম-এর সানাদে বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে এতে এ কথা বর্ধিত উল্লেখ করেছেন যে, আল্লাহ তা‘আলা আমার প্রতি ওয়াহী নাযিল করেছেন যে, তোমরা বিনয়ী হও, কারো উপর কেউ যেন গর্ব না করে এবং কারো প্রতি যেন কেউ যুল্ম না করে। এ হাদীসে এটাও রয়েছে যে, তারা তোমাদের এমন অনুগামী যে, পরিবার-পরিজন, ধন-সম্পদ সন্ধান করে না।
কাতাদাহ্ (রহঃ) বলেন, আমি প্রশ্ন করলাম, হে আবূ ‘আবদুল্লাহ! এমনটি কি হবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ অবশ্যই। জাহিলিয়্যাতের যুগে আমি তাদেরকে পেয়েছি। আর এরূপ এক গোত্রে কোন এক লোক ছিল। সে বকরী চরাতো। দাসী ছাড়া সেখানে তার কাছে কেউ যেত না। তার সাথেই সে সহবাস করত। (ই.ফা. ৬৯৪৬, ই.সে. ৭০০৪)
কাতাদাহ্ (রহঃ) বলেন, আমি প্রশ্ন করলাম, হে আবূ ‘আবদুল্লাহ! এমনটি কি হবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ অবশ্যই। জাহিলিয়্যাতের যুগে আমি তাদেরকে পেয়েছি। আর এরূপ এক গোত্রে কোন এক লোক ছিল। সে বকরী চরাতো। দাসী ছাড়া সেখানে তার কাছে কেউ যেত না। তার সাথেই সে সহবাস করত। (ই.ফা. ৬৯৪৬, ই.সে. ৭০০৪)