১
প্রশ্নোত্তরে রমযান ও ঈদ
লেখকঃ অধ্যাপক মোঃ নূরুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৮
১১-ঈদে যা বর্জনীয়
প্রশ্ন ২২১ : পবিত্র ঈদের কল্যাণ হাসিলের জন্য কী ধরণের কাজ থেকে সতর্ক থাকা উচিত?
উঃ নিম্নবর্ণিত পাপাচার থেকে দূরে থাকা ফরয :
(১) অমুসলিমদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ পোশাক পরিধান করা ও আচার-আচরণ করা।
(২) ছেলেরা মেয়েদের এবং মেয়েরা ছেলেদের বেশ ধারণ।
(৩) বেগানা নারী পুরুষ একত্রে দেখা সাক্ষাৎ করা।
(৪) মহিলাদের বেপর্দা ও খোলামেলা অবস্থায় রাস্তাঘাট ও বাজার বন্দরে চলাফেলা করা।
৫. গানবাদ্য করা ও সিনেমা-নাটক দেখা।
প্রশ্ন ২২২ : কারো পোশাক যদি অন্য ধর্মীয় লোকদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তাহলে এর হুকুম কি?
উঃ এটা হারাম।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ
‘‘যে কেউ অন্য জাতির অনুসরণ করবে সে সে ঐ কওমের (বা ধর্মের) লোক বলে বিবেচিত হবে।’’ (আবূ দাউদ : ৪০৩১)
প্রশ্ন ২২৩ : পোশাক-আশাক, চুলটাকা ও চালচলনে মেয়েরা ছেলেদের এবং ছেলেরা মেয়েদের অনুসরণ করলে এর হুকুম কি?
উঃ এ ধরনের ছেলে ও মেয়েদেরকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিসম্পাত করেছেন। (বুখারী ৫৮৮৪)
প্রশ্ন ২২৪ : যেসব মেয়ে বেপর্দা অবস্থায় দোকানপাট ও রাস্তাঘাটে বের হয় তাদের সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলেছেন?
উঃ আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এক হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
صِنْفَانِ مِنْ أَهْلِ النَّارِ لَمْ أَرَهُمَا قَوْمٌ مَعَهُمْ سَيَاطٌ كَأَذْنَابِ الْبَقَرِ يَضْرِبُوْنَ بِهَا النَّاسَ وَنِسَاءٌ كَاسِيَاتٌ عَارِيَاتٌ مُمِيْلاَتٌ مَائِلاَتٌ رُؤْوْسُهُنَّ كَأَسْنمَة الْبَخْتِ الْمَائِلَةِ لاَ يَدْخُلْنَ الْجَنَّةَ وَلاَ يَجِدْنَ رِيْحَهَا وَإِنَّ رِيْحَهَا لَيُوْجَدُ مِنْ مَسِيْرَةٍ كَذَا وَكَذَا
দু’ ধরনের লোক দুনিয়ায় আসবে যাদেরকে আমি এখনো দেখতে পাইনি (আমার যুগের পরে তাদের আগমন) এদের একদল লোক যাদের সাথে গরুর লেজের ন্যায় চাবুক থাকবে, তা দিয়ে তারা লোকজনকে প্রহার করতে থাকবে। আর একদল লোক হবে এমন মেয়েলোক যারা পোশাক পরিধান করেও উলঙ্গ মানুষের মত থাকবে, অন্য পুরুষকে নিজের দিকে আকর্ষণ করবে, অন্যরা তাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়েও যাবে, তাদের মাথার চুলের অবস্থা হবে উটের হেলে পড়া কুঁজের মত। ঐসব মেয়েরা জান্নাতেতো প্রবেশ করবেই না, এমনকি জান্নাতের সুগন্ধিও তারা পাবে না যদিও জান্নাতের সুগন্ধী বহুদূর থেকে পাওয়া যায়। (মুসলিম : ২১২৮)
প্রশ্ন ২২৫ : দেবরেরা কি ভাবীর সাথে দেখা করতে পারবে?
উঃ না। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, اَلْحَمْوُ الْمَوْتُ ‘‘দেবর-ভাসুর মৃত্যু সমতুল্য ভয়ানক বিষয়।’’ অর্থাৎ মৃত্যু যেমন জীবনের জন্য ভয়ানক, অনুরূপভাবে চাচাতো, মামাতো, খালাতো, ফুফাতো ভাইবোন ও দেবর ভাবী ও শালিকা -দুলাভাইয়ের সাক্ষাত ঈমান আমলের জন্য তদ্রূপ ভয়ানক।
প্রশ্ন ২২৬ : ইসলামে গান বাদ্যের হুকুম কি? যাতে ঈদের সময় মানুষকে আরো বেশি লিপ্ত হতে দেখা যায়?
উঃ গান ও বাদ্যযন্ত্র শরী‘আতে নিষিদ্ধ। এটা সম্পূর্ণ হারাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
لِيَكُوْنَ أَقْوَامًا مِنْ أُمَّتِيْ يَسْتَحِلُّوْنَ الْحِرَّ وَالْحَرِيْرَ وَالْخَمْرَ وَالْمَعَازِفَ
‘‘আমার উম্মাতের মধ্যে এমন একদল লোক থাকবে যারা যেনা-ব্যভিচার, রেশমী পোশাক পরিধান, মদ ও বাদ্যযন্ত্রকে হালাল (বৈধ) মনে করবে। (বুখারী : ৫৫৯০)
উঃ নিম্নবর্ণিত পাপাচার থেকে দূরে থাকা ফরয :
(১) অমুসলিমদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ পোশাক পরিধান করা ও আচার-আচরণ করা।
(২) ছেলেরা মেয়েদের এবং মেয়েরা ছেলেদের বেশ ধারণ।
(৩) বেগানা নারী পুরুষ একত্রে দেখা সাক্ষাৎ করা।
(৪) মহিলাদের বেপর্দা ও খোলামেলা অবস্থায় রাস্তাঘাট ও বাজার বন্দরে চলাফেলা করা।
৫. গানবাদ্য করা ও সিনেমা-নাটক দেখা।
প্রশ্ন ২২২ : কারো পোশাক যদি অন্য ধর্মীয় লোকদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তাহলে এর হুকুম কি?
উঃ এটা হারাম।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ
‘‘যে কেউ অন্য জাতির অনুসরণ করবে সে সে ঐ কওমের (বা ধর্মের) লোক বলে বিবেচিত হবে।’’ (আবূ দাউদ : ৪০৩১)
প্রশ্ন ২২৩ : পোশাক-আশাক, চুলটাকা ও চালচলনে মেয়েরা ছেলেদের এবং ছেলেরা মেয়েদের অনুসরণ করলে এর হুকুম কি?
উঃ এ ধরনের ছেলে ও মেয়েদেরকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিসম্পাত করেছেন। (বুখারী ৫৮৮৪)
প্রশ্ন ২২৪ : যেসব মেয়ে বেপর্দা অবস্থায় দোকানপাট ও রাস্তাঘাটে বের হয় তাদের সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলেছেন?
উঃ আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এক হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
صِنْفَانِ مِنْ أَهْلِ النَّارِ لَمْ أَرَهُمَا قَوْمٌ مَعَهُمْ سَيَاطٌ كَأَذْنَابِ الْبَقَرِ يَضْرِبُوْنَ بِهَا النَّاسَ وَنِسَاءٌ كَاسِيَاتٌ عَارِيَاتٌ مُمِيْلاَتٌ مَائِلاَتٌ رُؤْوْسُهُنَّ كَأَسْنمَة الْبَخْتِ الْمَائِلَةِ لاَ يَدْخُلْنَ الْجَنَّةَ وَلاَ يَجِدْنَ رِيْحَهَا وَإِنَّ رِيْحَهَا لَيُوْجَدُ مِنْ مَسِيْرَةٍ كَذَا وَكَذَا
দু’ ধরনের লোক দুনিয়ায় আসবে যাদেরকে আমি এখনো দেখতে পাইনি (আমার যুগের পরে তাদের আগমন) এদের একদল লোক যাদের সাথে গরুর লেজের ন্যায় চাবুক থাকবে, তা দিয়ে তারা লোকজনকে প্রহার করতে থাকবে। আর একদল লোক হবে এমন মেয়েলোক যারা পোশাক পরিধান করেও উলঙ্গ মানুষের মত থাকবে, অন্য পুরুষকে নিজের দিকে আকর্ষণ করবে, অন্যরা তাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়েও যাবে, তাদের মাথার চুলের অবস্থা হবে উটের হেলে পড়া কুঁজের মত। ঐসব মেয়েরা জান্নাতেতো প্রবেশ করবেই না, এমনকি জান্নাতের সুগন্ধিও তারা পাবে না যদিও জান্নাতের সুগন্ধী বহুদূর থেকে পাওয়া যায়। (মুসলিম : ২১২৮)
প্রশ্ন ২২৫ : দেবরেরা কি ভাবীর সাথে দেখা করতে পারবে?
উঃ না। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, اَلْحَمْوُ الْمَوْتُ ‘‘দেবর-ভাসুর মৃত্যু সমতুল্য ভয়ানক বিষয়।’’ অর্থাৎ মৃত্যু যেমন জীবনের জন্য ভয়ানক, অনুরূপভাবে চাচাতো, মামাতো, খালাতো, ফুফাতো ভাইবোন ও দেবর ভাবী ও শালিকা -দুলাভাইয়ের সাক্ষাত ঈমান আমলের জন্য তদ্রূপ ভয়ানক।
প্রশ্ন ২২৬ : ইসলামে গান বাদ্যের হুকুম কি? যাতে ঈদের সময় মানুষকে আরো বেশি লিপ্ত হতে দেখা যায়?
উঃ গান ও বাদ্যযন্ত্র শরী‘আতে নিষিদ্ধ। এটা সম্পূর্ণ হারাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
لِيَكُوْنَ أَقْوَامًا مِنْ أُمَّتِيْ يَسْتَحِلُّوْنَ الْحِرَّ وَالْحَرِيْرَ وَالْخَمْرَ وَالْمَعَازِفَ
‘‘আমার উম্মাতের মধ্যে এমন একদল লোক থাকবে যারা যেনা-ব্যভিচার, রেশমী পোশাক পরিধান, মদ ও বাদ্যযন্ত্রকে হালাল (বৈধ) মনে করবে। (বুখারী : ৫৫৯০)