১
রমজান ও পরবর্তী সময়ে করণীয়
লেখকঃ আবুল কালাম আজাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৪
লাইলাতুল কদরের ফজিলত
১। উক্ত রজনিতে মহান রববুল আলামিন কোরআনুল করিম অবতীর্ণ করেন, আল্লাহ তাআলা বলেন :—
إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ ﴿1﴾ القدر
‘নিশ্চয়ই আমি একে (কোরআন) অবতীর্ণ করেছি কদর রজনিতে।’
ইবনে আববাস রা. বলেন, মহান আল্লাহ এ রজনিতেই লওহে মাহফুজ হতে প্রথম আসমানের বাইতুল ইজ্জতে পূর্ণ কোরআন নাজিল করেন। অত:পর তেইশ বছর সময়ে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম )-এর উপর ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন পর্বে নাজিল করেন।
২। উক্ত রজনি হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। আল্লাহ তাআলা বলেন—
لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ شَهْرٍ ﴿3﴾ القدر
‘লাইলাতুল কদর সহস্র মাস অপেক্ষা উত্তম।’
অর্থাৎ উক্ত রজনিতে এবাদত করা তিরাশি বছর চার মাস এবাদত করার চেয়ে উত্তম।
৩। উক্ত রজনি বরকতময়। আল্লাহ তাআলা বলেন:—
إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةٍ مُبَارَكَةٍ ﴿3﴾ الدخان
‘নিশ্চয় আমি একে অবতীর্ণ করেছি মুবারক তথা বরকতময় রজনিতে।’
৪। এ রজনিতে ফেরেস্তাগণ এবং জিবরাইল আমিন অবতীর্ণ হন। যেমন, আল্লাহ তাআলা বলেন—
تَنَزَّلُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِمْ مِنْ كُلِّ أَمْرٍ ﴿4﴾ القدر
‘এতে প্রত্যেক কাজের জন্য ফেরেস্তাগণ এবং রুহ (জিবরাইল) অবতীর্ণ হয় তাদের প্রতি পালকের নিদেশক্রমে।’ সূরা কদর
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন : কদর রজনি সাতাশ অথবা উনত্রিশ তারিখের রজনি এবং নিশ্চয়ই ফেরেস্তাগণ ঐ রজনিতে পৃথিবীতে ছোট কঙ্করের সংখ্যার চেয়েও অধিক হারে অবতীর্ণ হয়।
৫। উক্ত রজনি শান্তির রজনি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেন:—
سَلَامٌ هِيَ حَتَّى مَطْلَعِ الْفَجْرِ ﴿5﴾ القدر
‘শান্তিই শান্তি উক্ত রজনি উষার অভ্যুদয় পর্যন্ত।’ সূরা কদর
৬। উক্ত রজনিতে এক বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করা হয়। মহান আল্লাহ বলেন :—
إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةٍ مُبَارَكَةٍ إِنَّا كُنَّا مُنْذِرِينَ ﴿3﴾ فِيهَا يُفْرَقُ كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ ﴿4﴾ الدخان
নিশ্চয় আমি কোরআনকে একটি বরকতপূর্ণ রজনিতে অবতীর্ণ করি আর নিশ্চয় আমি ভয় প্রদর্শনকারী। এই রজনিতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় স্থিরীকৃত হয়। সূরা দুখান : ৪
৭। উক্ত রজনি মাগফেরাতের রজনি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন : যে ব্যক্তি কদর রজনিতে ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় এবাদতে অতিবাহিত করে তার অতীতের গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।
৮। উক্ত রজনিতে শয়তান বের হয় না। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন :—‘এ রজনিতে শয়তানের বের হওয়ার অনুমতি নেই।’
৯। উক্ত রজনির সম্মানার্থে মহান রাববুল আলামিন একটি পূর্ণাঙ্গ সূরা নাজিল করেছেন।
إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ ﴿1﴾ القدر
‘নিশ্চয়ই আমি একে (কোরআন) অবতীর্ণ করেছি কদর রজনিতে।’
ইবনে আববাস রা. বলেন, মহান আল্লাহ এ রজনিতেই লওহে মাহফুজ হতে প্রথম আসমানের বাইতুল ইজ্জতে পূর্ণ কোরআন নাজিল করেন। অত:পর তেইশ বছর সময়ে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম )-এর উপর ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন পর্বে নাজিল করেন।
২। উক্ত রজনি হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। আল্লাহ তাআলা বলেন—
لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ شَهْرٍ ﴿3﴾ القدر
‘লাইলাতুল কদর সহস্র মাস অপেক্ষা উত্তম।’
অর্থাৎ উক্ত রজনিতে এবাদত করা তিরাশি বছর চার মাস এবাদত করার চেয়ে উত্তম।
৩। উক্ত রজনি বরকতময়। আল্লাহ তাআলা বলেন:—
إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةٍ مُبَارَكَةٍ ﴿3﴾ الدخان
‘নিশ্চয় আমি একে অবতীর্ণ করেছি মুবারক তথা বরকতময় রজনিতে।’
৪। এ রজনিতে ফেরেস্তাগণ এবং জিবরাইল আমিন অবতীর্ণ হন। যেমন, আল্লাহ তাআলা বলেন—
تَنَزَّلُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِمْ مِنْ كُلِّ أَمْرٍ ﴿4﴾ القدر
‘এতে প্রত্যেক কাজের জন্য ফেরেস্তাগণ এবং রুহ (জিবরাইল) অবতীর্ণ হয় তাদের প্রতি পালকের নিদেশক্রমে।’ সূরা কদর
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন : কদর রজনি সাতাশ অথবা উনত্রিশ তারিখের রজনি এবং নিশ্চয়ই ফেরেস্তাগণ ঐ রজনিতে পৃথিবীতে ছোট কঙ্করের সংখ্যার চেয়েও অধিক হারে অবতীর্ণ হয়।
৫। উক্ত রজনি শান্তির রজনি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেন:—
سَلَامٌ هِيَ حَتَّى مَطْلَعِ الْفَجْرِ ﴿5﴾ القدر
‘শান্তিই শান্তি উক্ত রজনি উষার অভ্যুদয় পর্যন্ত।’ সূরা কদর
৬। উক্ত রজনিতে এক বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করা হয়। মহান আল্লাহ বলেন :—
إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةٍ مُبَارَكَةٍ إِنَّا كُنَّا مُنْذِرِينَ ﴿3﴾ فِيهَا يُفْرَقُ كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ ﴿4﴾ الدخان
নিশ্চয় আমি কোরআনকে একটি বরকতপূর্ণ রজনিতে অবতীর্ণ করি আর নিশ্চয় আমি ভয় প্রদর্শনকারী। এই রজনিতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় স্থিরীকৃত হয়। সূরা দুখান : ৪
৭। উক্ত রজনি মাগফেরাতের রজনি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন : যে ব্যক্তি কদর রজনিতে ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় এবাদতে অতিবাহিত করে তার অতীতের গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।
৮। উক্ত রজনিতে শয়তান বের হয় না। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন :—‘এ রজনিতে শয়তানের বের হওয়ার অনুমতি নেই।’
৯। উক্ত রজনির সম্মানার্থে মহান রাববুল আলামিন একটি পূর্ণাঙ্গ সূরা নাজিল করেছেন।