hadith book logo

রমজান ও পরবর্তী সময়ে করণীয়

লেখকঃ আবুল কালাম আজাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৮

রোজা ভঙ্গের কারণসমূহ

১। সহবাস : কেউ রোজাবস্থায় সহবাস করলে রোজা ভেঙে যাবে এবং তার ওপর কাজা ও কাফ্ফারা উভয়টিই ওয়াজিব হবে।

কাফ্ফারা হল একাধারে দুইমাস রোজা রাখা অথবা এক জন গোলাম আজাদ করা কিংবা ৬০ জন মিসকিনকে খাবার খাওয়ানো।

২। রমজান মাসের দিনের বেলায় ইচ্ছাকৃত পানাহার। আল্লাহ তাআলা বলেন :—

وَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكُمُ الْخَيْطُ الْأَبْيَضُ مِنَ الْخَيْطِ الْأَسْوَدِ مِنَ الْفَجْرِ ﴿187﴾ البقرة

আর পানাহার কর যতক্ষণ না কালো রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিষ্কার দেখা যায়। সূরা বাকারা:১৮৭

৩। সহবাস ছাড়া অন্য যে কোন পন্থায়—যেমন : চুম্বন,স্পর্শকরণ ও হস্তমৈথুন—ইত্যাদির মাধ্যমে বীর্যপাত ঘটানো।

৪। পানাহারের বিকল্প উপায় গ্রহণ করা, যেমন: রক্ত গ্রহণ স্যালাইন গ্রহণ, এমন ইঞ্জেকশন যা আহারের কাজ করে যথা—গ্লুকোজ ইঞ্জেকশন।

৫। ইচ্ছাকৃত বমি করা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:—

من استقاء عمدا فليقض . رواه مسلم

যে ইচ্ছাকৃত বমি করে সে যেন পরবর্তীতে রোজা কাজা করে। মুসলিম

৬। মহিলাদের হায়েজ (ঋতুস্রাব) ও নেফাস (প্রসব জনিত রক্তক্ষরণ) হওয়া, এমনকি ইফতারের কিছু সময় পূর্বে হলেও রোজা ভেঙে যাবে।