১
নবী ﷺ যেভাবে হজ করেছেন (জাবের রা. যেমন বর্ণনা করেছেন)
লেখকঃ শাইখ মুহাম্মাদ নাসেরুদ্দীন আল-আলবানী – রাহেমাহুল্লাহ – • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭
মাশ‘আরে হারাম তথা মুযদালিফায় অবস্থান
৭০- অতপর তিনি কাসওয়ায় আরোহন করে মাশ‘আরে হারামে এলেন। [. মাশআরে হারাম দ্বারা উদ্দেশ্য ‘কুযাহ’ নামক স্থান। এটি মুযদালিফার একটি প্রসিদ্ধ পাহাড়। সকল সীরাতবিদ ও মুফাসসিরের মতে, সমগ্র মুযদালিফাকেই মাশআরে হারাম বলে। ইমাম নাববী রহ.।] অতপর তিনি তাতে আরোহন করলেন।’ [২৫.. আবূ দাউদ।]
৭১- এরপর তিনি কিবলামুখী হয়ে আল্লাহর কাছে দু‘আ করলেন। ‘অতপর আল্লাহর প্রশংসা করলেন।’ [. আবূ দাউদ।] তাঁর মহত্ব, শ্রেষ্ঠত্ব ও একত্ববাদের ঘোষণা দিলেন। পূর্ব আকাশ পূর্ণ ফর্সা হওয়া পর্যন্ত তিনি সেখানে উকূফ করলেন।
৭২- ‘তিনি বললেন,
قَدْ وَقَفْتُ هَهُنَا وَالْمُزْدَلِفَةُ كُلُّهَا مَوْقِفٌ
‘আমি এখানে উকূফ করেছি; তবে মুযদালিফার পুরোটাই উকূফের স্থান।’ [. নাসাঈ।]
৭১- এরপর তিনি কিবলামুখী হয়ে আল্লাহর কাছে দু‘আ করলেন। ‘অতপর আল্লাহর প্রশংসা করলেন।’ [. আবূ দাউদ।] তাঁর মহত্ব, শ্রেষ্ঠত্ব ও একত্ববাদের ঘোষণা দিলেন। পূর্ব আকাশ পূর্ণ ফর্সা হওয়া পর্যন্ত তিনি সেখানে উকূফ করলেন।
৭২- ‘তিনি বললেন,
قَدْ وَقَفْتُ هَهُنَا وَالْمُزْدَلِفَةُ كُلُّهَا مَوْقِفٌ
‘আমি এখানে উকূফ করেছি; তবে মুযদালিফার পুরোটাই উকূফের স্থান।’ [. নাসাঈ।]