hadith book logo

নবী ﷺ যেভাবে হজ করেছেন (জাবের রা. যেমন বর্ণনা করেছেন)

লেখকঃ শাইখ মুহাম্মাদ নাসেরুদ্দীন আল-আলবানী – রাহেমাহুল্লাহ – • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১৮

জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপের উদ্দেশ্যে মুযদালিফা থেকে রওয়ানা

৭৩- অতপর তিনি সূর্য উঠার পূর্বেই ‘মুযদালিফা’ [. বাইহাকী।] থেকে মিনার দিকে রওয়ানা হলেন। [. সূর্যোদয়ের পূর্বে মুযদালিফা থেকে প্রস্থান মুশরিকদের নিয়মের বিপরীত করার লক্ষ্যেই ছিল, কেননা মুশরিকরা মুযদালিফা ত্যাগ করতো সূর্যোদয়ের পর। রাসূল ﷺ বলেছেন, ‘আমাদের আদর্শ ওদের থেকে ভিন্ন।’] ‘আর তিনি ছিলেন শান্ত ও সুস্থির।’ [. আবূ দাউদ।]

৭৪- তিনি ফযল ইবন আববাস রা কে নিজের উটনীর পেছনে বসালেন। [. এ হাদীস এবং পূর্বে বর্ণিত ৫৬ নং হাদীস থেকে বুঝা যায় বাহনের পেছনে কাউকে নিতে কোনো অসুবিধা নেই।] আর তিনি ছিলেন সুন্দর চুল ও উজ্জ্বল ফর্সা চেহারার অধিকারী।

৭৫- রাসুলূল্লাহ ﷺ যখন মিনার দিকে রওয়ানা হলেন। তখন তাঁর কাছ দিয়ে কতিপয় মহিলা চলতে লাগল, আর ফযল তাদের দিকে তাকাতেন লাগলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর হাত ফযলের চেহারায় রাখলেন। তখন ফযল তার চেহারা অন্য দিকে ফিরিয়ে নিলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর হাত অন্য দিক থেকে সরিয়ে ফযলের চেহারার ওপর আবার রেখে যেদিকে তিনি তাকাচ্ছিলেন সেদিক থেকে তার চেহারা ঘুরিয়ে দিলেন।

৭৬- অবশেষে তিনি মুহাস্সার উপত্যকার মধ্যস্থলে [. এই স্থানে আবরাহার হস্তি বাহিনীকে আল্লাহ তা‘আলা ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। ইবনুল-কায়্যিম রহ. বলেন, মুহাস্সার মিনা ও মুযদালিফার মাঝখানে অবস্থিত। এটা মিনা বা মুযদালিফার অন্তর্ভুক্ত নয়।] পৌঁছলে উটের গতি কিছুটা বাড়িয়ে দিলেন এবং বললেন,

عَلَيْكُمُ السَّكِينَةُ ‘তোমরা শান্ত ও সুস্থিরভাবে চল।’ [. দারেমী।]