hadith book logo

নবী ﷺ যেভাবে হজ করেছেন (জাবের রা. যেমন বর্ণনা করেছেন)

লেখকঃ শাইখ মুহাম্মাদ নাসেরুদ্দীন আল-আলবানী – রাহেমাহুল্লাহ – • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১৯

বড় জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ

৭৭- ‘তারপর তিনি মাঝপথ ধরে চলতে লাগলেন [. ইমাম নাববী রহ. বলেন, এ থেকে জানা গেল, আরাফা থেকে ফেরার সময় এ পথে আসা অর্থাৎ এক পথ দিয়ে যাওয়া এবং আরেক পথ দিয়ে ফেরা সুন্নত।], যা বড় জামরার কাছ দিয়ে বের হয়ে গেছে।’ [. নাসাঈ, আবূ দাউদ।] অবশেষে তিনি গাছের সন্নিকটে অবস্থিত জামরায় এসে পৌঁছলেন।

৭৮- অতপর ‘সূর্য পূর্ণ আলোকিত হওয়ার পর’ [. মুসনাদে আহমদ, মুসলিম, আবূ দাউদ।] তিনি বড় জামরাতে সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করলেন।

৭৯- প্রতিটি কঙ্কর নিক্ষেপের সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বললেন। প্রত্যেকটি কঙ্কর ছিল বুটের ন্যায়। [. ইমাম নাববী রহ. বলেন, পাথরগুলো ছিল শিমের বিচির মতো। সুতরাং এরচেয়ে বড় বা ছোট না হওয়া সুন্নত। তবে এরচেয়ে ছোট বা বড় হলেও তা জায়িজ হবে।]

৮০- তিনি তাঁর বাহনে আরোহন অবস্থায় উপত্যকার মধ্যভাগ থেকে কঙ্কর নিক্ষেপ করেন ‘আর তিনি’ [. নাসাঈ।] বলছিলেন,’

لِتَأْخُذُوا مَنَاسِكَكُمْ فَإِنِّى لاَ أَدْرِى لَعَلِّى لاَ أَحُجُّ بَعْدَ حَجَّتِى هَذِهِ

‘তোমরা তোমাদের হজের বিধি-বিধান শিখে নাও। কারণ আমি জানি না, হয়ত আমি এই হজের পরে আর হজ করতে পারব না।’ [. মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসাঈ।]

৮১- জাবের রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ ‘তাশরীকের সব দিনেই’ [. মুসনাদে আহমদ।] ‘সূর্য হেলে যাওয়ার পরে’ [. মুসলিম।] কঙ্কর নিক্ষেপ করলেন [. যিলহজ মাসের ১১-১২-১৩ তারিখের দিনগুলোকে আইয়্যামে তাশরীক বলা হয়।]।

৮২- ‘তিনি আকাবা তথা বড় জামরাতে কঙ্কর নিক্ষেপকালে সুরাকা তাঁর সাথে সাক্ষাত করলেন। অতপর বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, এটা কি খাস করে আমাদের জন্য ? তিনি বললেন,

لاََ بَلْ لأَبَدٍ ‘না, বরং সবসময়ের জন্য।’ [. বুখারী , মুসলিম।]