১
বিদায় হজের খুতবা কিছু আলোকপাত
লেখকঃ আলী হাসান তৈয়ব • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
২. জাহিলিয়াতের সব কিছু বাতিল ঘোষণা :
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে খুতবায় আরও বলেন,
« أَلاَ كُلُّ شَىْءٍ مِنْ أَمْرِ الْجَاهِلِيَّةِ تَحْتَ قَدَمَىَّ مَوْضُوعٌ وَدِمَاءُ الْجَاهِلِيَّةِ مَوْضُوعَةٌ وَإِنَّ أَوَّلَ دَمٍ أَضَعُ مِنْ دِمَائِنَا دَمُ ابْنِ رَبِيعَةَ بْنِ الْحَارِثِ كَانَ مُسْتَرْضِعًا فِى بَنِى سَعْدٍ فَقَتَلَتْهُ هُذَيْلٌ وَرِبَا الْجَاهِلِيَّةِ مَوْضُوعٌ وَأَوَّلُ رِبًا أَضَعُ رِبَانَا رِبَا عَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ فَإِنَّهُ مَوْضُوعٌ كُلُّهُ» .
‘জেনে রেখো জাহিলিয়াতের সকল বিষয় আমার পদতলে স্থাপিত। জাহিলিয়াতের সকল হত্যা মামলা রহিত। সর্বপ্রথম আমাদের যে হত্যার বদলা রহিত করছি তা হলো ইবন রবিআ বিন হারেছের হত্যার প্রতিশোধ। সে বনু সা’দ গোত্রে স্তন্যদানকারীর সন্ধানে গিয়েছিল। যেখানে হুযাইল তাকে হত্যা করেছিল। আর জাহেলী যুগের প্রথম যে সুদ রহিত করছি তাহলো আব্বাস ইবন আবদুল মুত্তালেবের সুদ। কারণ তার সবটাই রহিত।’ [মুসলিম : ১২১৮]
অনন্তকালের জন্য জাহেলী যুগের বিষয়গুলোকে পেছনে ছুড়ে ফেলা দেয়ার এ ব্যাপারে এখানে বক্তব্য অত্যন্ত পরিষ্কার। জাহিলিয়াতের যাবতীয় বিষয় ছিল শিরক, প্রবৃত্তি পূজা, ব্যাপক অরাজকতা এবং সুস্পষ্ট জুলুম নির্ভর। তাই তাতে ফিরে যাবার অবকাশ নেই। কারণ, ইসলাম বলতে বুঝায় আল্লাহ তা‘আলা যে সকল বিধান প্রণয়ন করেছেন তা অপরিহার্য করে নেয়া। ইলাহ হিসেবে তাকে একমাত্র মনে করা এবং সত্যায়নের মধ্য দিয়ে মাখলুকের একমাত্র রব হিসেবে আল্লাহর জন্য নিজেকে নত করা। এছাড়া গোটা জীবন বিস্তৃত ব্যবস্থাকে অপরিহার্য করে নেয়া। পক্ষান্তরে জাহিলিয়াহ বলতে বুঝায় চিন্তা ও বিশ্বাসে ভ্রান্তি, জীবনের মর্ম উপলব্ধিতে ভ্রান্তি, লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গিতে ভ্রান্তি, অভ্যাস ও আচরণে ভ্রান্তি, ব্যবস্থাপনা ও চরিত্রিক ভ্রান্তির সমষ্টিকে। ইসলামের আগমনে এর সবই বিদূরিত হয়েছে। ইসলাম আগমন করেছে মানুষের ইচ্ছা, অভ্যাস, কল্পনা, বাস্তবতা, পদ্ধতি ও আকীদাকে পরিবর্তন করতে। সম্মানজনক ভিত্তির ওপর মানুষের জীবনকে অধিষ্ঠিত করতে। যাতে নেই পদস্খলন, অস্থিরতা কিংবা সদা বিরাজমান অশান্তি। হ্যা, ইসলাম এসেছে আদর্শিক, চৈন্তিক ও রাজনৈতিক তথা জাহিলিয়াতের সকল রূপের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। যেমন :
« أَلاَ كُلُّ شَىْءٍ مِنْ أَمْرِ الْجَاهِلِيَّةِ تَحْتَ قَدَمَىَّ مَوْضُوعٌ وَدِمَاءُ الْجَاهِلِيَّةِ مَوْضُوعَةٌ وَإِنَّ أَوَّلَ دَمٍ أَضَعُ مِنْ دِمَائِنَا دَمُ ابْنِ رَبِيعَةَ بْنِ الْحَارِثِ كَانَ مُسْتَرْضِعًا فِى بَنِى سَعْدٍ فَقَتَلَتْهُ هُذَيْلٌ وَرِبَا الْجَاهِلِيَّةِ مَوْضُوعٌ وَأَوَّلُ رِبًا أَضَعُ رِبَانَا رِبَا عَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ فَإِنَّهُ مَوْضُوعٌ كُلُّهُ» .
‘জেনে রেখো জাহিলিয়াতের সকল বিষয় আমার পদতলে স্থাপিত। জাহিলিয়াতের সকল হত্যা মামলা রহিত। সর্বপ্রথম আমাদের যে হত্যার বদলা রহিত করছি তা হলো ইবন রবিআ বিন হারেছের হত্যার প্রতিশোধ। সে বনু সা’দ গোত্রে স্তন্যদানকারীর সন্ধানে গিয়েছিল। যেখানে হুযাইল তাকে হত্যা করেছিল। আর জাহেলী যুগের প্রথম যে সুদ রহিত করছি তাহলো আব্বাস ইবন আবদুল মুত্তালেবের সুদ। কারণ তার সবটাই রহিত।’ [মুসলিম : ১২১৮]
অনন্তকালের জন্য জাহেলী যুগের বিষয়গুলোকে পেছনে ছুড়ে ফেলা দেয়ার এ ব্যাপারে এখানে বক্তব্য অত্যন্ত পরিষ্কার। জাহিলিয়াতের যাবতীয় বিষয় ছিল শিরক, প্রবৃত্তি পূজা, ব্যাপক অরাজকতা এবং সুস্পষ্ট জুলুম নির্ভর। তাই তাতে ফিরে যাবার অবকাশ নেই। কারণ, ইসলাম বলতে বুঝায় আল্লাহ তা‘আলা যে সকল বিধান প্রণয়ন করেছেন তা অপরিহার্য করে নেয়া। ইলাহ হিসেবে তাকে একমাত্র মনে করা এবং সত্যায়নের মধ্য দিয়ে মাখলুকের একমাত্র রব হিসেবে আল্লাহর জন্য নিজেকে নত করা। এছাড়া গোটা জীবন বিস্তৃত ব্যবস্থাকে অপরিহার্য করে নেয়া। পক্ষান্তরে জাহিলিয়াহ বলতে বুঝায় চিন্তা ও বিশ্বাসে ভ্রান্তি, জীবনের মর্ম উপলব্ধিতে ভ্রান্তি, লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গিতে ভ্রান্তি, অভ্যাস ও আচরণে ভ্রান্তি, ব্যবস্থাপনা ও চরিত্রিক ভ্রান্তির সমষ্টিকে। ইসলামের আগমনে এর সবই বিদূরিত হয়েছে। ইসলাম আগমন করেছে মানুষের ইচ্ছা, অভ্যাস, কল্পনা, বাস্তবতা, পদ্ধতি ও আকীদাকে পরিবর্তন করতে। সম্মানজনক ভিত্তির ওপর মানুষের জীবনকে অধিষ্ঠিত করতে। যাতে নেই পদস্খলন, অস্থিরতা কিংবা সদা বিরাজমান অশান্তি। হ্যা, ইসলাম এসেছে আদর্শিক, চৈন্তিক ও রাজনৈতিক তথা জাহিলিয়াতের সকল রূপের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। যেমন :