১
সহজ হজ্জ ও ওমরাহ্ নির্দেশিকা
লেখকঃ শাইখ আখতারুল আমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
হজ্জ ও উমরাহ্র কাজগুলি ধারাবাহিকভাবে নিম্নরূপঃ
ইহরামের পূর্বে শারীরিকভাবে পরিচ্ছন্নতা অর্জন করা তথা- নাভীমূল, বগলের লোম পরিস্কার করা, নখ কাটা।
মিক্কাত থেকে ইহ্রাম বাঁধা। (ওয়াজিব)
মীকাতে গিয়ে ইহরামের উদ্দেশ্যে প্রথমে গোসল করা।
মাথা, দাড়ি বা শরীরে আতর-সুগন্ধি ব্যবহার করা।
সেলাই বিহীন দুটি কাপড়ে ইহ্রাম বাঁধা। (শুধু পূরুষদের জন্য)
কাপড় দুটি সাদা হওয়া উত্তম।
হজ্জ্ব বা উমরার উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট মীকাত অতিক্রমের পূর্বে (অন্তরে) নিয়ত করে ইহ্রাম বাঁধা। (রুকন)
তামাত্তু হজ্জ্বের জন্য প্রথমে উমরাহ্ আদায় করা।
উমরার ইহ্রাম বাঁধার সময় বলাঃ আল্লাহুম্মা লাব্বাইকা উমরাতান।চ
ক্বিরান হজ্জ্বের ইহ্রাম বাঁধার সময় বলাঃ আল্লাহুম্মা লাব্বাইকা হাজ্জান ওয়া উমরাতান।চ
ইফরাদ হজ্জ্বের ইহ্রাম বাঁধার সময় বলাঃ আল্লাহুম্মা লাব্বাইকা হাজ্জান।চ
রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামের এর পঠিত তালবিয়া জোরে জোরে পাঠ করা।
তালবিয়াঃ ( لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ، لَبَّيْكَ لاَ شَرِيْكَ لَكَ لَبَّيْكَ، إنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ، لاَ شَرِيْكَ لَكَ ) ওলাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইকা, লাব্বাইকা লা-শারীকা লাকা লাব্বাইকা, ইন্নাল হামদা ওয়ান্নিহয়মাতা লাকা ওয়াল্ মুল্ক্, লা-শারীকা লাকাহ।
অজু-গোসল করে পবিত্রতার সহিত মসজিদুল হারামে প্রবেশ করা।
মসজিদে হারামে প্রবেশের পূর্বে তালবিয়া বলা বন্ধ করা।
তাওয়াফের জন্য সরাসরি হজরে আসওয়াদের দিকে এগিয়ে যাওয়া।
তাওয়াফ শুরুর পূর্বে (পুরুষের জন্য) ইযতিবা করা। (ইহরামের কাপড় ডান বগলের নীচ দিয়ে নিয়ে বাম কাধের উপর রাখা) নামাযের সময় উভয় কাঁধ ঢেকে রাখা জরুরী।
بسم الله، الله أكبر ওবিসমিল্লাহি আল্লাহু আক্বারহ বলে হজরে আসওয়াদকে চুমু দিয়ে বা ইশারা করে তওয়াফ শুরু করা।
প্রথম তিন চক্করে রমল করা। (দ্রুত পদে চলা)
তাওয়াফ অবস্থায় কোন দুহআ নির্দিষ্ট না করে যে কোন দুহআ যিকির পাঠ করা।
আল্লাহ্র ঘর বাম দিকে রেখে তওয়াফ করা।
হাতিমের বাহির দিয়ে তওয়াফ করা।
রোক্নে ইয়ামানী সপর্শ করা। তা না পারলে ইঙ্গিত না করেই চলতে থাকা।
রোকনে ইয়ামানী এবং হজরে আসওয়াদের মধ্যবর্তী স্থানে এই দোয়া পড়াঃ رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতাঁও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাঁও ওয়া ক্কিনা আযাবান্নার।চ
একাধারে সাত চক্কর পূর্ণ করা। (রুকন)
মাকামে ইবরাহীমের পিছনে ২ রাকাত নামায পড়া। (সেখানে সম্ভব না হলে মসজিদুল হারামের যে কোন স্থানে তা আদায় করা।
সূরা ফাতিহার পর প্রথম রাকাআতে সূরা কাফেরূন এবং দ্বিতীয় রাকাআতে সূরা ইখলাছ পড়া।
যম্যম্ এর পানি পান করা এবং উহা মাথায় ঢালা।
আবার হজরে আসওয়াদে চুমু দেয়া বা ইঙ্গিত করা।
إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ ওইন্নাছ্ছাফা ওয়াল মার্ওয়াতা মিন শাহআয়িরিল্লাহিহ বলতে বলতে সাফা পাহাড়ে আরোহণ করা।
ক্বিবলামুখি হয়ে দাঁড়িয়ে তাওহীদ, তাক্বীর, তাহমীদ ইত্যাদি পাঠ করা। অতঃপর তিনবার বলবে:
( لاَ إلَهَ إلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَشَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِيْ وَيُمِيْتُ وَهُوَ عَلىَ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ . لاَ إلَهَ إلاَّ اللهُ وَحْدَهُ أنْجَزَ وَعْدَهُ وَنَصَرَ عَبْدَهُ
وهَزَمَ الأحْزاَبَ وَحْدَهُ .)
এরপর জানা যে কোন দুহআ পাঠ করবে।
সবুজ বাতিদ্বয়ের মধ্যবর্তী অংশে (পুরুষদের) দৌড়ানো। (মহিলারা দৌড়াবে না।)
ছাফা-মারওয়া সাঈ করার সময় কোন দোয়া নির্দিষ্ট না করে, জানা যে কোন দুআ পড়া।
মারওয়া পাহাড়ে আরোহণ করা।
সেখানেও ছাফা পাহাড়ের ন্যায় দুহআ করা।
সাত বার সাঈ করা। (রুকন)
ছাফা থেকে মারওয়া গমণ ১ম চক্কর, মারওয়া থেকে ছাফা প্রত্যাবর্তন ২য় চক্কর। এভাবে ৭ম চক্কর মারওয়ায় এসে শেষ করা।
তামাত্তুকারী মাথার চুল মুড়িয়ে বা খাটো করে হালাল হয়ে যাওয়া।
ক্কিরাণ ও ইফরাদকারী ইহ্রাম অবস্থাতেই থেকে যাওয়া।
মিক্কাত থেকে ইহ্রাম বাঁধা। (ওয়াজিব)
মীকাতে গিয়ে ইহরামের উদ্দেশ্যে প্রথমে গোসল করা।
মাথা, দাড়ি বা শরীরে আতর-সুগন্ধি ব্যবহার করা।
সেলাই বিহীন দুটি কাপড়ে ইহ্রাম বাঁধা। (শুধু পূরুষদের জন্য)
কাপড় দুটি সাদা হওয়া উত্তম।
হজ্জ্ব বা উমরার উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট মীকাত অতিক্রমের পূর্বে (অন্তরে) নিয়ত করে ইহ্রাম বাঁধা। (রুকন)
তামাত্তু হজ্জ্বের জন্য প্রথমে উমরাহ্ আদায় করা।
উমরার ইহ্রাম বাঁধার সময় বলাঃ আল্লাহুম্মা লাব্বাইকা উমরাতান।চ
ক্বিরান হজ্জ্বের ইহ্রাম বাঁধার সময় বলাঃ আল্লাহুম্মা লাব্বাইকা হাজ্জান ওয়া উমরাতান।চ
ইফরাদ হজ্জ্বের ইহ্রাম বাঁধার সময় বলাঃ আল্লাহুম্মা লাব্বাইকা হাজ্জান।চ
রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামের এর পঠিত তালবিয়া জোরে জোরে পাঠ করা।
তালবিয়াঃ ( لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ، لَبَّيْكَ لاَ شَرِيْكَ لَكَ لَبَّيْكَ، إنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ، لاَ شَرِيْكَ لَكَ ) ওলাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইকা, লাব্বাইকা লা-শারীকা লাকা লাব্বাইকা, ইন্নাল হামদা ওয়ান্নিহয়মাতা লাকা ওয়াল্ মুল্ক্, লা-শারীকা লাকাহ।
অজু-গোসল করে পবিত্রতার সহিত মসজিদুল হারামে প্রবেশ করা।
মসজিদে হারামে প্রবেশের পূর্বে তালবিয়া বলা বন্ধ করা।
তাওয়াফের জন্য সরাসরি হজরে আসওয়াদের দিকে এগিয়ে যাওয়া।
তাওয়াফ শুরুর পূর্বে (পুরুষের জন্য) ইযতিবা করা। (ইহরামের কাপড় ডান বগলের নীচ দিয়ে নিয়ে বাম কাধের উপর রাখা) নামাযের সময় উভয় কাঁধ ঢেকে রাখা জরুরী।
بسم الله، الله أكبر ওবিসমিল্লাহি আল্লাহু আক্বারহ বলে হজরে আসওয়াদকে চুমু দিয়ে বা ইশারা করে তওয়াফ শুরু করা।
প্রথম তিন চক্করে রমল করা। (দ্রুত পদে চলা)
তাওয়াফ অবস্থায় কোন দুহআ নির্দিষ্ট না করে যে কোন দুহআ যিকির পাঠ করা।
আল্লাহ্র ঘর বাম দিকে রেখে তওয়াফ করা।
হাতিমের বাহির দিয়ে তওয়াফ করা।
রোক্নে ইয়ামানী সপর্শ করা। তা না পারলে ইঙ্গিত না করেই চলতে থাকা।
রোকনে ইয়ামানী এবং হজরে আসওয়াদের মধ্যবর্তী স্থানে এই দোয়া পড়াঃ رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতাঁও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাঁও ওয়া ক্কিনা আযাবান্নার।চ
একাধারে সাত চক্কর পূর্ণ করা। (রুকন)
মাকামে ইবরাহীমের পিছনে ২ রাকাত নামায পড়া। (সেখানে সম্ভব না হলে মসজিদুল হারামের যে কোন স্থানে তা আদায় করা।
সূরা ফাতিহার পর প্রথম রাকাআতে সূরা কাফেরূন এবং দ্বিতীয় রাকাআতে সূরা ইখলাছ পড়া।
যম্যম্ এর পানি পান করা এবং উহা মাথায় ঢালা।
আবার হজরে আসওয়াদে চুমু দেয়া বা ইঙ্গিত করা।
إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ ওইন্নাছ্ছাফা ওয়াল মার্ওয়াতা মিন শাহআয়িরিল্লাহিহ বলতে বলতে সাফা পাহাড়ে আরোহণ করা।
ক্বিবলামুখি হয়ে দাঁড়িয়ে তাওহীদ, তাক্বীর, তাহমীদ ইত্যাদি পাঠ করা। অতঃপর তিনবার বলবে:
( لاَ إلَهَ إلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَشَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِيْ وَيُمِيْتُ وَهُوَ عَلىَ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ . لاَ إلَهَ إلاَّ اللهُ وَحْدَهُ أنْجَزَ وَعْدَهُ وَنَصَرَ عَبْدَهُ
وهَزَمَ الأحْزاَبَ وَحْدَهُ .)
এরপর জানা যে কোন দুহআ পাঠ করবে।
সবুজ বাতিদ্বয়ের মধ্যবর্তী অংশে (পুরুষদের) দৌড়ানো। (মহিলারা দৌড়াবে না।)
ছাফা-মারওয়া সাঈ করার সময় কোন দোয়া নির্দিষ্ট না করে, জানা যে কোন দুআ পড়া।
মারওয়া পাহাড়ে আরোহণ করা।
সেখানেও ছাফা পাহাড়ের ন্যায় দুহআ করা।
সাত বার সাঈ করা। (রুকন)
ছাফা থেকে মারওয়া গমণ ১ম চক্কর, মারওয়া থেকে ছাফা প্রত্যাবর্তন ২য় চক্কর। এভাবে ৭ম চক্কর মারওয়ায় এসে শেষ করা।
তামাত্তুকারী মাথার চুল মুড়িয়ে বা খাটো করে হালাল হয়ে যাওয়া।
ক্কিরাণ ও ইফরাদকারী ইহ্রাম অবস্থাতেই থেকে যাওয়া।