১
সহজ হজ্জ ও ওমরাহ্ নির্দেশিকা
লেখকঃ শাইখ আখতারুল আমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
৯ই - জিল্ হজ্জের কার্যাবলীঃ
এদিন সূর্যদয়ের পর আরাফাতে গমন করা, এসময় অধিক পরিমাণে তালবিয়া ও তাকবীর পাঠ করা।
দুপুর পর্যন্ত আরাফাত সীমানার বাইরে ওনামেরাহ নামক স্থানে অবস্থান করা।
সেখানে প্রদত্ব খোতবা শোনা।
যোহর আছরের নামায যোহরের সময় এক আজানে দুই ইকামতে ক্বছর করে আদায় করা।
দুই নামাযের মাঝে সুন্নত ইত্যাদি না পড়া।
সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে যাওয়ার পর আরাফাতে অবস্থান নেয়া। (রুকন)
বেশী বেশী তালবিয়া, তাকবীর পাঠ করা এবং ক্বিবলামুখী হয়ে হাত তুলে দুওআয় মাশগুল থাকা।
সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাত ময়দানে অবস্থান করা। (ওয়াজিব)
অতঃপর ধীর গতিতে মুযদালিফার উদ্দেশ্যে গমন করা।
সেখানে সর্বপ্রথম মাগরীব ও এশার নামায এক আজানে ও দুই ইক্বামতে আদায় করা।
মুযদালিফায় রাত্রি যাপন করা । (ওয়াজিব)
রাতে কোন প্রকার ইবাদতে মাশগুল না হয়ে সরাসরি ঘুমিয়ে পড়া।
ফজর নামায আদায় করে মাশআরুল হারামে ক্বিলামুখী হয়ে দুওআ করা।
সূর্যদয়ের পূর্বে মিনার দিকে রাওয়ানা হওয়া।
ওবাত্বনে মুহাস্সারহ (মুযদালিফা ও মিনার মধ্যবর্তী অঞ্চল) নামক স্থানে দ্রুত গতিতে চলা।
দুপুর পর্যন্ত আরাফাত সীমানার বাইরে ওনামেরাহ নামক স্থানে অবস্থান করা।
সেখানে প্রদত্ব খোতবা শোনা।
যোহর আছরের নামায যোহরের সময় এক আজানে দুই ইকামতে ক্বছর করে আদায় করা।
দুই নামাযের মাঝে সুন্নত ইত্যাদি না পড়া।
সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে যাওয়ার পর আরাফাতে অবস্থান নেয়া। (রুকন)
বেশী বেশী তালবিয়া, তাকবীর পাঠ করা এবং ক্বিবলামুখী হয়ে হাত তুলে দুওআয় মাশগুল থাকা।
সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাত ময়দানে অবস্থান করা। (ওয়াজিব)
অতঃপর ধীর গতিতে মুযদালিফার উদ্দেশ্যে গমন করা।
সেখানে সর্বপ্রথম মাগরীব ও এশার নামায এক আজানে ও দুই ইক্বামতে আদায় করা।
মুযদালিফায় রাত্রি যাপন করা । (ওয়াজিব)
রাতে কোন প্রকার ইবাদতে মাশগুল না হয়ে সরাসরি ঘুমিয়ে পড়া।
ফজর নামায আদায় করে মাশআরুল হারামে ক্বিলামুখী হয়ে দুওআ করা।
সূর্যদয়ের পূর্বে মিনার দিকে রাওয়ানা হওয়া।
ওবাত্বনে মুহাস্সারহ (মুযদালিফা ও মিনার মধ্যবর্তী অঞ্চল) নামক স্থানে দ্রুত গতিতে চলা।