১
দুআ-মুনাজাতে নবী রাসূলের অসীলা দেয়া একটি পর্যালোচনা
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
নবী আদম আলাইহিস সালাম কি মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অসীলা দিয়ে দুআ করেছিলেন?
আমাদের সমাজে এ কথা প্রচলিত আছে যে, নবী আদম আলাইহিস সালাম নিষিদ্ধ ফল খাওয়ার পর নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অসীলা দিয়ে দুআ করেছেন। ফলে আল্লাহ তাআলা তার তওবা কবুল করে তাকে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। তাই দুআ-মুনাজাতের মধ্যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অসীলা দেয়া একটি প্রমাণিত ও অনুমোদিত বিষয়। বরং এটি একটি সুন্নাত।
প্রচলিত এ কথার ভিত্তি হল একটি দুর্বল ও মুনকার হাদীস। যা আল কুরআনের আয়াতের বিরোধী হওয়ার কারণে মুনকার বা প্রত্যাখ্যাত হাদীস বলে গণ্য হয়েছে।
সেই হাদীসটি হল :
أخرجه الحاكم في " المستدرك " (2/615) من طريق أبي الحارث عبد الله بن مسلم الفهري : حدثنا إسماعيل بن مسلمة : أنبأ عبد الرحمن بن زيد بن أسلم عن أبيه عن جده عن عمر بن الخطاب مرفوعاً : لما اقترف آدم الخطيئة قال : يا رب أسألك بحق محمد لما غفرت لي، فقال : يا آدم ! وكيف عرفت محمداً ولم أخلقه؟ قال : يا رب لما خلقتني بيدك، ونفخت في من روحك رفعت رأسي، فرأيت على قوائم العرش مكتوباً : لا إله إلا الله محمد رسول الله، فعلمت أنك لم تضِف إلى اسمك إلا أحب الخلق إليك، فقال : غفرت لك، ولولا محمد ما خلقتُك .
হাকেম তার মুস্তাদরাক কিতাবে ( ৬১৫/২ নম্বরে) আবু হারিস আব্দুল্লাহ বিন মুসলিম আল ফাহরীর সূত্রে বর্ণনা করেন যে, ইসমাঈল ইবনে মুসলিমাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন এই সূত্রে যে, আব্দুর রহমান ইবনে যায়েদ বিন আসলাম তার পিতা থেকে, পিতা তার দাদা থেকে, দাদা উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, যখন আদম আলাইহিস সালাম ভুল করলেন, তখন বললেন, 'হে আমার প্রভূ! আমি মুহাম্মাদ এর হকের অসীলায় আপনার কাছে প্রার্থনা করছি যেন আপনি আমাকে ক্ষমা করে দেন।' তিনি বললেন, 'হে আদম! তুমি কিভাবে চিনলে মুহাম্মাদকে, অথচ আমি তো তাকে এখনো সৃষ্টি করিনি?'
আদম বললেন, 'হে আমার প্রভূ! আপনি যখন আমাকে নিজ হাতে সৃষ্টি করলেন, আপনার রূহ আমার মধ্যে ফুঁকে দিলেন তখন আমি মাথা উঠালাম। দেখলাম, আপনার আরশের খুটির উপর লেখা আছে, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ। আমি বুঝে নিলাম, এটা আপনার সৃষ্টির সর্বোত্তম নাম না হলে আপনি নিজের নামের সাথে লিখতেন না।'
তখন আল্লাহ তাআলা বললেন : 'আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিলাম। যদি মুহাম্মাদ না হত, তা হলে আমি তোমাকে সৃষ্টি করতাম না।'
প্রচলিত এ কথার ভিত্তি হল একটি দুর্বল ও মুনকার হাদীস। যা আল কুরআনের আয়াতের বিরোধী হওয়ার কারণে মুনকার বা প্রত্যাখ্যাত হাদীস বলে গণ্য হয়েছে।
সেই হাদীসটি হল :
أخرجه الحاكم في " المستدرك " (2/615) من طريق أبي الحارث عبد الله بن مسلم الفهري : حدثنا إسماعيل بن مسلمة : أنبأ عبد الرحمن بن زيد بن أسلم عن أبيه عن جده عن عمر بن الخطاب مرفوعاً : لما اقترف آدم الخطيئة قال : يا رب أسألك بحق محمد لما غفرت لي، فقال : يا آدم ! وكيف عرفت محمداً ولم أخلقه؟ قال : يا رب لما خلقتني بيدك، ونفخت في من روحك رفعت رأسي، فرأيت على قوائم العرش مكتوباً : لا إله إلا الله محمد رسول الله، فعلمت أنك لم تضِف إلى اسمك إلا أحب الخلق إليك، فقال : غفرت لك، ولولا محمد ما خلقتُك .
হাকেম তার মুস্তাদরাক কিতাবে ( ৬১৫/২ নম্বরে) আবু হারিস আব্দুল্লাহ বিন মুসলিম আল ফাহরীর সূত্রে বর্ণনা করেন যে, ইসমাঈল ইবনে মুসলিমাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন এই সূত্রে যে, আব্দুর রহমান ইবনে যায়েদ বিন আসলাম তার পিতা থেকে, পিতা তার দাদা থেকে, দাদা উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, যখন আদম আলাইহিস সালাম ভুল করলেন, তখন বললেন, 'হে আমার প্রভূ! আমি মুহাম্মাদ এর হকের অসীলায় আপনার কাছে প্রার্থনা করছি যেন আপনি আমাকে ক্ষমা করে দেন।' তিনি বললেন, 'হে আদম! তুমি কিভাবে চিনলে মুহাম্মাদকে, অথচ আমি তো তাকে এখনো সৃষ্টি করিনি?'
আদম বললেন, 'হে আমার প্রভূ! আপনি যখন আমাকে নিজ হাতে সৃষ্টি করলেন, আপনার রূহ আমার মধ্যে ফুঁকে দিলেন তখন আমি মাথা উঠালাম। দেখলাম, আপনার আরশের খুটির উপর লেখা আছে, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ। আমি বুঝে নিলাম, এটা আপনার সৃষ্টির সর্বোত্তম নাম না হলে আপনি নিজের নামের সাথে লিখতেন না।'
তখন আল্লাহ তাআলা বললেন : 'আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিলাম। যদি মুহাম্মাদ না হত, তা হলে আমি তোমাকে সৃষ্টি করতাম না।'