১
সূরা কাফিরুন ও ইখলাস আমাদেরকে যা শেখায়
লেখকঃ ফায়িয বিন সাঈদ আয-যাহরানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮
ত্রয়দশতম পর্ব:
কোরআনি মৌলনীতির আলোকে জীবন যাপন করতে হলে আমাদের জন্য অনিবার্য করণীয় হচ্ছে, নিজ সন্তান-সন্ততি, স্ত্রী-পরিজন ও সমাজকে কোরআনের এ দীপ্তিময় শিক্ষায় প্রশিক্ষণ প্রদান। যেমনটি করেছেন স্বয়ং আল্লাহ নিজ নবী ও তাঁর সাহাবিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে। আর এটিই উদ্ভাসিত হয়েছে কোরআনের নিম্নোক্ত বাণীতে।
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا ادْخُلُوا فِي السِّلْمِ كَافَّةً وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُبِينٌ ﴿208﴾
হে মুমিনগণ, তোমরা ইসলামে পূর্ণরূপে প্রবেশ কর এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না । নিশ্চয় সে তোমাদের জন্য স্পষ্ট শত্রু। (সূরা বাকারা:২০৮)
তাফসির কারকগণ বলেন, অর্থাৎ দ্বীনের প্রতিটি অনুষঙ্গে, তার কোনো একটিকেও বাদ দেওয়া চলবে না। {তাইসিরুল কারিমির রহমান লিস-সা’দি :৭৭}
আমাদের আরো করণীয় হচ্ছে, নিম্নোক্ত আয়াতে গভীর মনোনিবেশ করা।
وَإِنْ كَادُوا لَيَفْتِنُونَكَ عَنِ الَّذِي أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ لِتَفْتَرِيَ عَلَيْنَا غَيْرَهُ وَإِذًا لَاتَّخَذُوكَ خَلِيلًا ﴿73﴾ وَلَوْلَا أَنْ ثَبَّتْنَاكَ لَقَدْ كِدْتَ تَرْكَنُ إِلَيْهِمْ شَيْئًا قَلِيلًا ﴿74﴾ إِذًا لَأَذَقْنَاكَ ضِعْفَ الْحَيَاةِ وَضِعْفَ الْمَمَاتِ ثُمَّ لَا تَجِدُ لَكَ عَلَيْنَا نَصِيرًا ﴿75﴾
আর তাদের অবস্থা এমন ছিল যে, আমি তোমাকে যে ওহী দিয়েছি, তা থেকে তারা তোমাকে প্রায় ফিতনায় ফেলে দিয়েছিল, যাতে তুমি আমার নামে এর বিপরীত মিথ্যা রটাতে পার এবং তখন তারা অবশ্যই তোমাকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করত। আর আমি যদি তোমাকে অবিচল না রাখতাম, তবে অবশ্যই তুমি তাদের দিকে কিছুটা ঝুঁকে পড়তে। তখন আমি অবশ্যই তোমাকে আস্বাদন করাতাম জীবনের দ্বিগুণ ও মরণের দ্বিগুণ আযাব। তারপর তুমি তোমার জন্য আমার বিরুদ্ধে কোন সাহায্যকারী পাবে না। (সূরা আল-ইসরা:৭৩-৭৫)
এমন আশঙ্কার কারণ, তাদের প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা ছিল রাসূলুল্লাহ তাদের প্রবৃত্তির চাহিদা চরিতার্থ করবেন যে ব্যাপারে আল্লাহ অনুমতি প্রদান করেননি। অনুরূপভাবে নবীজি আপন হৃদয়ে তাদের হেদায়াতের অদম্য বাসনা পোষণ করতেন। {তাফসির আস-সা’দি:৪১৫}
নবীজির পবিত্র জীবন চরিত ও সাহাবাদের দৈনন্দিন যাপিত জীবনের চিত্র ছিল আলোচ্য কোরআনি বুঝের আদর্শরূপ।
এ বুঝের আলোকে আল্লাহ আমাদের জীবন গড়ার তাওফিক দান করুন।
সমাপ্ত
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا ادْخُلُوا فِي السِّلْمِ كَافَّةً وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُبِينٌ ﴿208﴾
হে মুমিনগণ, তোমরা ইসলামে পূর্ণরূপে প্রবেশ কর এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না । নিশ্চয় সে তোমাদের জন্য স্পষ্ট শত্রু। (সূরা বাকারা:২০৮)
তাফসির কারকগণ বলেন, অর্থাৎ দ্বীনের প্রতিটি অনুষঙ্গে, তার কোনো একটিকেও বাদ দেওয়া চলবে না। {তাইসিরুল কারিমির রহমান লিস-সা’দি :৭৭}
আমাদের আরো করণীয় হচ্ছে, নিম্নোক্ত আয়াতে গভীর মনোনিবেশ করা।
وَإِنْ كَادُوا لَيَفْتِنُونَكَ عَنِ الَّذِي أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ لِتَفْتَرِيَ عَلَيْنَا غَيْرَهُ وَإِذًا لَاتَّخَذُوكَ خَلِيلًا ﴿73﴾ وَلَوْلَا أَنْ ثَبَّتْنَاكَ لَقَدْ كِدْتَ تَرْكَنُ إِلَيْهِمْ شَيْئًا قَلِيلًا ﴿74﴾ إِذًا لَأَذَقْنَاكَ ضِعْفَ الْحَيَاةِ وَضِعْفَ الْمَمَاتِ ثُمَّ لَا تَجِدُ لَكَ عَلَيْنَا نَصِيرًا ﴿75﴾
আর তাদের অবস্থা এমন ছিল যে, আমি তোমাকে যে ওহী দিয়েছি, তা থেকে তারা তোমাকে প্রায় ফিতনায় ফেলে দিয়েছিল, যাতে তুমি আমার নামে এর বিপরীত মিথ্যা রটাতে পার এবং তখন তারা অবশ্যই তোমাকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করত। আর আমি যদি তোমাকে অবিচল না রাখতাম, তবে অবশ্যই তুমি তাদের দিকে কিছুটা ঝুঁকে পড়তে। তখন আমি অবশ্যই তোমাকে আস্বাদন করাতাম জীবনের দ্বিগুণ ও মরণের দ্বিগুণ আযাব। তারপর তুমি তোমার জন্য আমার বিরুদ্ধে কোন সাহায্যকারী পাবে না। (সূরা আল-ইসরা:৭৩-৭৫)
এমন আশঙ্কার কারণ, তাদের প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা ছিল রাসূলুল্লাহ তাদের প্রবৃত্তির চাহিদা চরিতার্থ করবেন যে ব্যাপারে আল্লাহ অনুমতি প্রদান করেননি। অনুরূপভাবে নবীজি আপন হৃদয়ে তাদের হেদায়াতের অদম্য বাসনা পোষণ করতেন। {তাফসির আস-সা’দি:৪১৫}
নবীজির পবিত্র জীবন চরিত ও সাহাবাদের দৈনন্দিন যাপিত জীবনের চিত্র ছিল আলোচ্য কোরআনি বুঝের আদর্শরূপ।
এ বুঝের আলোকে আল্লাহ আমাদের জীবন গড়ার তাওফিক দান করুন।
সমাপ্ত