hadith book logo

সূরা কাফিরুন ও ইখলাস আমাদেরকে যা শেখায়

লেখকঃ ফায়িয বিন সাঈদ আয-যাহরানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৫

সূরা কাফিরূনের শানে নুযুল:

কোরাইশের কিছু লোকের একটি আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতে । তারা এসে বলল, হে মুহাম্মাদ- এসো তুমি আমাদের ধর্মের অনুসরণ কর, আমরা তোমার দ্বীনের অনুসরণ করব। তুমি আমাদের উপাস্যদের উপসনা কর এক বছর, আমরা তোমার মাবূদের ইবাদত করব এক বছর। এর মাধ্যমে তোমার আনীত দ্বীন যদি আমাদের অনুসৃত ধর্ম-কর্ম হতে উৎকৃষ্ট হয় তাহলে আমরা তাতে অংশ গ্রহণ করতে পারলাম এবং তা হতে আমাদের নির্ধারিত অংশ নিতে পারলাম। আর যদি তোমার ধর্ম হতে আমাদেরটি উত্তম হয় তাহলে তুমি তাতে অংশ নিতে পারলে এবং তোমার নির্ধারিত অংশ গ্রহণ করতে পারলে। নবীজি বললেন, নাউযুবিল্লাহ- তাঁর সাথে অন্য কাউকে শরিক করা হতে পানাহ চাই। এরপর আল্লাহ তাআলা নাযিল করলেন,

قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ ﴿1﴾ لَا أَعْبُدُ مَا تَعْبُدُونَ ﴿2﴾ وَلَا أَنْتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ ﴿3﴾ وَلَا أَنَا عَابِدٌ مَا عَبَدْتُمْ ﴿4﴾ وَلَا أَنْتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ ﴿5﴾ لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِيَ دِينِ ﴿6﴾

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকালে মসজিদে তাশরিফ রাখলেন। পূর্ব হতেই কোরাইশ সম্প্রদায়ের লোকজনে মসজিদ প্রাঙ্গন ছিল পরিপূর্ণ। তিনি তাদের সম্মুখে পূর্ণ সূরা তেলাওয়াত করে শুনালেন। তাদের হেদায়াতের প্রতি রাসূলুল্লাহর সীমাহীন আগ্রহ দেখে তারা আশা করছিল হয়ত তিনি তাদের প্রস্তাবে সম্মত হবেন। কিন্তু সেদিন সকালের পর থেকে তারা আশা ছেড়ে দিল বরং বলা চলে একেবারে নিরাশ হয়ে গেল। (আসবাবুন্নুযূল লিল-ওয়াহিদি)