hadith book logo

সূরা কাফিরুন ও ইখলাস আমাদেরকে যা শেখায়

লেখকঃ ফায়িয বিন সাঈদ আয-যাহরানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২

সূরা কাফিরূন ও ইখলাস আমাদের যা শেখায় :

بسم الله الرحمن الرحيم

قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ ﴿1﴾ لَا أَعْبُدُ مَا تَعْبُدُونَ ﴿2﴾ وَلَا أَنْتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ ﴿3﴾ وَلَا أَنَا عَابِدٌ مَا عَبَدْتُمْ ﴿4﴾ وَلَا أَنْتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ ﴿5﴾ لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِيَ دِين ﴿6﴾

১.বল, হে কাফিররা,

২.তোমরা যার ইবাদাত কর আমি তার ইবাদাত করি না।

৩.এবং আমি যার ইবাদাত করি তোমরা তার ইবাদাতকারী নও।

৪.আর তোমরা যার ইবাদত করছ আমি তার ইবাদাতকারী হব না।

৫.আর আমি যার ইবাদাত করি তোমরা তার ইবাদাতকারী হবে না।

৬. তোমাদের জন্য তোমাদের দীন আর আমার জন্য আমার দীন।

بسم الله الرحمن الرحيم

قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ﴿1﴾ اللَّهُ الصَّمَدُ ﴿2﴾ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ ﴿3﴾ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ ﴿4﴾

১. বল, তিনিই আল্লাহ, এক-অদ্বিতীয়।

২. আল্লাহ কারো মুখাপেক্ষী নন।

৩. তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি।

৪. আর তাঁর কোন সমকক্ষও নেই।

সূরাদ্বয়ের ফযিলতে অনেকগুলো হাদিস বর্ণিত হয়েছে, এ ক্ষেত্রে বোধ করি এতটুকু বলাই যথেষ্ট হবে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দিন শুরু করতেন এ সূরাদ্বয়ের তেলাওয়াতের মাধ্যমে আর সূরাদ্বয়ের তেলাওয়াতের মাধ্যমেই শেষ করতেন দিন। কারণ তিনি অধিকাংশ সময় ফজরের সুন্নাত ও সালাতুল বিতরে এ সূরাদু’টো তেলাওয়াত করতেন। রমযান মাসে পৃথিবী ব্যাপি মসজিদগুলোতে এ সূরাদ্বয়ের তেলাওয়াতের গুঞ্জরণ চারিদিক মুখরিত করে তুলে। সূরা কাফিরূন দ্বীপ্ত ঘোষণা উচ্চারণ করে যে, তাওহিদ ও শিরকের আকিদার মাঝে কোনোরূপ সামঞ্জস্য নেই। উভয় আকিদার মাঝে ন্যূনতম সাদৃশ্যকেও এ সূরা প্রত্যাখ্যান করে। আর সূরা ইখলাস তাওহিদের আকিদাকে দৃঢ় ও প্রতিষ্ঠিত করে। এ দিক থেকে উভয় সূরাই তাওহিদের নিগুঢ় তত্ত্বকে প্রমাণ করে সুস্পষ্টরূপে। (তাফসির ফী যিলালিল কোরআন ৬/৪০০৫)

চলমান নিবন্ধে আমরা ‌‌‍‌‌‌ 'আল-কোরআনের প্রশিক্ষণ পদ্ধতি ও তার রূপরেখা’র আলোকে কয়েকটি শিক্ষণীয় বিষয় উৎসারিত করে নিবন্ধটি কয়েকটি পর্বে সাজাতে চেষ্টা করেছি। মহান আল্লাহর নিকট আকুল আবেদন, তিনি আমাদেরকে সঠিক পথে অগ্রসর হবার তাওফিক দিন এবং বিষয় উন্মোচণে যথাযথ থাকতে সহায়তা করুন... ।