১
শাস্তি প্রদান শরয়ি দৃষ্টিকোণ
লেখকঃ আমর ইব্রাহীম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭
কার্যকর শাস্তি প্রদানের শর্তসমূহ:
শাস্তিপ্রদান কে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার বা সংশোধন পদ্ধতি হিসাবে প্রয়োগ করার জন্য প্রাথমিকভাবে কিছু শর্তের অনুবর্তিতার প্রয়োজন। গুরুত্বপূর্ণ কিছু শর্ত নিচে উল্লেখ করা হল:
১. তুলনামূলক সহজতর সংশোধন পদ্ধতির বিদ্যমানতায় শাস্তি প্রয়োগের দিকে অগ্রসর না হওয়া। যেমন আলোচনা, উপদেশ, সঠিক পথের প্রতি দিকনির্দেশনা দান ইত্যাদি প্রয়োগ করা ব্যতীত প্রথমেই শাস্তি প্রদান পদ্ধতির দ্বারস্থ না হওয়া। এ গুলোতে কাজ না হলে পরবর্তী পর্যায়ে এ পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে।
২. শাস্তি বাস্তবায়ন কালে অতিরঞ্জন না করা। এতে করে শিক্ষার্থী বিগড়ে যাবে। কোনো শাস্তিই সে আর গ্রহণ করবে না।
৩. বাচনিক শাস্তি প্রয়োগের সময় অশালীন, অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহার না করা। গালমন্দ না করা।
৪. বাস্তবায়ন যোগ্য নয় এমন কথা বলে হুমকি না দেওয়া। যেমন, ফের এসব করলে একেবারে হত্যাই করে ফেলব। জবাই করে দেব ইত্যাদি।
৫. শিক্ষা গ্রহণের জন্য বাচ্চাকে বাধ্য করণার্থে শাস্তি প্রয়োগ পদ্ধতি গ্রহণ না করা।
৬. শাস্তি প্রদানের ক্ষেত্রে অপরাধ সঙ্ঘটিত হবার সাথে সাথে তড়িৎ ব্যবস্থা নেওয়া। অপরাধ ও শাস্তি প্রদানের মাঝে দীর্ঘ সময় বিলম্ব না করা।
৭. শাস্তি প্রয়োগের ক্ষেত্রে ক্রমান্বয়িক পন্থা অবলম্বন করা। এবং শিক্ষার্থীর বয়স, মেজাজ ও পরিবেশ-পরিস্থিতি বিবেচনা করে পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
৮. শাস্তি যেন প্রশিক্ষকের ক্রোধান্বিত অবস্থায় প্রয়োগ না হয়। কারণ শাস্তিদাতা শাস্তি প্রদানের সময় রাগান্বিত থাকলে সেটি আর সংশোধনের পর্যায়ে থাকবে না। প্রতিশোধ গ্রহণের পর্যায়ে চলে যাবে। এবং এর দ্বারা সংশোধন করা হবে না, হবে জিঘাংসা চরিতার্থ করা।
৯. শাস্তি প্রদান যেন পানাহার থেকে বারণ পর্যায় পর্যন্ত না গড়ায়। কারণ এর মাঝে বাচ্চার স্বাস্থ্যগত ক্ষতি নিহিত আছে। এর দ্বারা বাচ্চার সংশোধন হবে না। বরং উপকারের জায়গায় ক্ষতি হয়ে যাবে।
১. তুলনামূলক সহজতর সংশোধন পদ্ধতির বিদ্যমানতায় শাস্তি প্রয়োগের দিকে অগ্রসর না হওয়া। যেমন আলোচনা, উপদেশ, সঠিক পথের প্রতি দিকনির্দেশনা দান ইত্যাদি প্রয়োগ করা ব্যতীত প্রথমেই শাস্তি প্রদান পদ্ধতির দ্বারস্থ না হওয়া। এ গুলোতে কাজ না হলে পরবর্তী পর্যায়ে এ পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে।
২. শাস্তি বাস্তবায়ন কালে অতিরঞ্জন না করা। এতে করে শিক্ষার্থী বিগড়ে যাবে। কোনো শাস্তিই সে আর গ্রহণ করবে না।
৩. বাচনিক শাস্তি প্রয়োগের সময় অশালীন, অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহার না করা। গালমন্দ না করা।
৪. বাস্তবায়ন যোগ্য নয় এমন কথা বলে হুমকি না দেওয়া। যেমন, ফের এসব করলে একেবারে হত্যাই করে ফেলব। জবাই করে দেব ইত্যাদি।
৫. শিক্ষা গ্রহণের জন্য বাচ্চাকে বাধ্য করণার্থে শাস্তি প্রয়োগ পদ্ধতি গ্রহণ না করা।
৬. শাস্তি প্রদানের ক্ষেত্রে অপরাধ সঙ্ঘটিত হবার সাথে সাথে তড়িৎ ব্যবস্থা নেওয়া। অপরাধ ও শাস্তি প্রদানের মাঝে দীর্ঘ সময় বিলম্ব না করা।
৭. শাস্তি প্রয়োগের ক্ষেত্রে ক্রমান্বয়িক পন্থা অবলম্বন করা। এবং শিক্ষার্থীর বয়স, মেজাজ ও পরিবেশ-পরিস্থিতি বিবেচনা করে পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
৮. শাস্তি যেন প্রশিক্ষকের ক্রোধান্বিত অবস্থায় প্রয়োগ না হয়। কারণ শাস্তিদাতা শাস্তি প্রদানের সময় রাগান্বিত থাকলে সেটি আর সংশোধনের পর্যায়ে থাকবে না। প্রতিশোধ গ্রহণের পর্যায়ে চলে যাবে। এবং এর দ্বারা সংশোধন করা হবে না, হবে জিঘাংসা চরিতার্থ করা।
৯. শাস্তি প্রদান যেন পানাহার থেকে বারণ পর্যায় পর্যন্ত না গড়ায়। কারণ এর মাঝে বাচ্চার স্বাস্থ্যগত ক্ষতি নিহিত আছে। এর দ্বারা বাচ্চার সংশোধন হবে না। বরং উপকারের জায়গায় ক্ষতি হয়ে যাবে।