মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।
আসসালামু আলাইকুম,
এই ওয়েবসাইটটি নিয়মিত চালু রাখতে প্রতি মাসেই সার্ভার ও টেকনিক্যাল খরচ বহন করতে হয়। দুঃখজনকভাবে বর্তমানে এই খরচ বহন করার মতো পর্যাপ্ত ফান্ড আমাদের নেই।
🌿 আপনার একটি দান হতে পারে অসংখ্য মানুষের হিদায়াতের মাধ্যম
Hadith.one–এ প্রতিটি হাদিস পড়া, শেখা ও শেয়ার করার মাধ্যমে আপনি হতে পারেন সদকাহ জারিয়াহর অংশীদার।
🤲 আল্লাহর রাস্তায় আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার মাধ্যমে এই দাওয়াহ প্ল্যাটফর্মটি চালু রাখতে সাহায্য করুন।
🔗 আজই দান করুন এবং এই খিদমতের সাথে যুক্ত থাকুন
জাযাকাল্লাহু খাইরান,
আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
আল্লাহর দিকে দাওয়াতের মাজাল বলতে আমরা বুঝি দাওয়াতের বিভিন্ন ক্ষেত্র। আল্লাহর পথে দাওয়াত কোন নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর অনেক ক্ষেত্র রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে :
১. ব্যক্তিগত যোগাযোগ : আহবানকারী কোন ব্যক্তিকে দাওয়াত দানের ইচ্ছা করবে। অতঃপর তার দ্বিতীয় অধ্যায়ে উল্লেখিত ধারাবাহিক পদ্ধতিতে আল্লাহর পথে আহবান করবে।
২. গুরুত্বপূর্ণ স্থান : যেমন মসজিদ, একত্রিত হওয়ার অনুষ্ঠান, যথা- হজ্জ মওসুম, সভা সম্মেলন, হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও অন্যান্য স্থানে পরিবেশ-পরিস্থিতি ও প্রয়োজনের আলোকে দাওয়াত দেয়া। আর এ জন্য রাসূল ﷺ বিভিন্ন মেলা ও মওসুমে অনেক গোত্রের কাছে নিজেকে পেশ করতেন এবং তাদেরকে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দিতেন। ইমাম আহমদ (রহ.) রাবিয়াহ বিন ইবাদ আদ্দাহলী (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন,
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল ﷺ বিভিন্ন স্থানে মানুষের কাছে নিজেকে পেশ করতেন। অতঃপর বলতেন, কে আছ যে আমাকে তার গোত্রের কাছে নিয়ে যাবে? কেননা কুরাইশরা আমাকে আমার রবের কথা পৌঁছাতে নিষেধ করেছে। [আবু দাউদ, হা/৪৭৩৬; তিরমিযী, হা/২৯২৫।]
ইবনে ইসহাক বলেন, রাসূল ﷺ এর অবস্থা এমন ছিল যে, কোন মওসুমে মানুষ যখন একত্রিত হতো, তখন তিনি তাদের কাছে আসতেন এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়কে আল্লাহর দিকে ও ইসলামের দিকে ডাকতেন। তাদের সামনে নিজেকে এবং যে হেদায়েত ও রহমত তিনি নিয়ে এসেছেন, তা পেশ করতেন। আর যখনই তনি আরবের কোন সম্ভ্রান্ত নামকরা ব্যক্তির মক্কা আগমনের খবর শুনতেন, তখনই তার কাছে আসতেন এবং তাকে আল্লাহর পথে দাওয়াত দিতেন, তার কাছে দ্বীন পেশ করতেন। [বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ৩/১৭৯।]
৩. শিক্ষাঙ্গন : যেমন- ইনস্টিটিউট, মাদরাসা, স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি- সেখানে বক্তৃতা ও সাধারণ সভার মাধ্যমে হোক অথবা বিশেষ ক্লাসের মাধ্যমেই হোক দ্বীনের দাওয়াত দেয়া যায়। স্বীয় ধর্মের প্রতি একনিষ্ঠ শিক্ষক পাঠের মধ্য দিয়ে কথার মাধ্যমে আল্লাহর পথে আহবান করতে সক্ষম। অথবা তার ইবাদাতের অবস্থা, উত্তম চরিত্র, ন্যায়-নীতি ইত্যাদির মাধ্যমেও আল্লাহর পথে দাওয়াতের কাজ করতে পারে। কেননা শিক্ষক হচ্ছে ছাত্রদের আদর্শ। তার কাজ-কর্ম ও চরিত্র তাদের মন-মানসে গেঁথে থাকে এবং তাদের আমল ও আখলাকে তা প্রকাশ পায়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় হাদিস শেয়ার করুন
Or Copy Link
https://hadith.one/bn/book/469/5
রিডিং সেটিংস
Bangla
English
Bangla
Indonesian
Urdu
System
System
Dark
Green
Teal
Purple
Brown
Sepia
আরবি ফন্ট নির্বাচন
Kfgq Hafs
Kfgq Hafs
Qalam
Scheherazade
Kaleel
Madani
Khayma
অনুবাদ ফন্ট নির্বাচন
Kalpurush
Kalpurush
Rajdip
Bensen
Ekushe
Alinur Nakkhatra
Dhakaiya
Saboj Charulota
Niladri Nur
22
17
সাধারণ সেটিংস
আরবি দেখান
অনুবাদ দেখান
রেফারেন্স দেখান
হাদিস পাশাপাশি দেখান
এই সদাকা জারিয়ায় অংশীদার হোন
মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।