১
মুসলিমের আদব বা শিষ্টাচার
লেখকঃ আহমদ আল-মাযইয়াদ/আদেল ইবন আলী আশ-শিদ্দী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
5. স্বীয় আত্মার সাথে শিষ্টাচার
একজন মুসলিম সর্বদা মনে মনে হিতোপদেশ এবং শিষ্টাচারের দিকগুলো স্মরণ করবে, যাতে করে পবিত্র ও উন্নত রাখতে পারে তার নফসকে। নিজ আত্নাকে প্রবৃত্তির ও লালসার পেছনে ছেড়ে দিবে না, যাতে সে স্খলিত হয়ে যায় এবং অন্যায় করে। যারা নিজেদের নফসের হিসাব নিজেরা রাখে এবং নফসের তদারকি করে, তাদের প্রশংসায় আল্লাহ রাববুল ‘আলামীন বলেন,
﴿ قَدۡ أَفۡلَحَ مَن زَكَّىٰهَا ٩ وَقَدۡ خَابَ مَن دَسَّىٰهَا ١٠ ﴾ [ الشمس : ٩، ١٠ ]
‘‘সেই সফলকাম যে নফসকে পরিশুদ্ধ করেছে, আর সেই ক্ষতিগ্রস্ত যে আত্মাকে কলুষিত করেছে।” [সূরা আশ-শামস, আয়াত: ৯, ১০]
মুসলিম মা’সূম তথা বেগুনাহ নয়, বরং সে কখনো কখনো ভ্রান্তি ও গুনাহে লিপ্ত হয়ে যায় কিন্তু মুসলিম হিসেবে তাকে নফসের সাথে জিহাদ করতে হবে, যাতে সে অবাধ্য গুনাহগার হয়ে না যায়। যদি ও কখনো তার আত্মা তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো গুনাহে লিপ্ত হয়ে যায়, তাহলে সে মুষড়ে পড়বে না। সে হতাশ হবে না। আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হবে না; বরং সে আল্লাহর দরবারে ফিরে আসবে এবং দ্রুত তওবা করবে এবং গুনাহের জন্য তাঁর নফসকে ভৎর্সনা করবে। সম্ভব হলে নফসকে অনুমোদিত খাহেশ থেকেও বিরত রাখতে হবে, যাতে করে সে পরবর্তিতে কোনো গুনাহের নির্দেশনা দিতে না পারে।
মনে রাখা দরকার, তওবা তিনটি জিনিসকে শামিল করে।
গুনাহ থেকে ফিরে আসা।
গুনার কাজের জন্য অনুশোচনা।
কৃতগুনাহের দিকে ভবিষ্যতে ফিরে না যাওয়ার দৃঢ় সিদ্ধান্ত।
যখন মুসলিম সত্যিকারার্থে তওবা করে, আল্লাহ তার তওবা কবুল করেন, তার গুনাহ ক্ষমা করে দেন, তার মন্দ কাজগুলো মিটিয়ে দেন তিনি বলেন,
﴿ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ تُوبُوٓاْ إِلَى ٱللَّهِ تَوۡبَةٗ نَّصُوحًا عَسَىٰ رَبُّكُمۡ أَن يُكَفِّرَ عَنكُمۡ سَئَِّاتِكُمۡ وَيُدۡخِلَكُمۡ جَنَّٰتٖ تَجۡرِي مِن تَحۡتِهَا ٱلۡأَنۡهَٰرُ ﴾ [ التحريم : ٨ ]
‘‘হে মুমিনগণ! তোমরা খালেসভাবে আল্লাহর কাছে তওবা কর সম্ভবত তোমাদের রব তোমাদের পাপসমূহ মোচন করে দিবেন এবং তোমাদেরকে দাখিল করাবেন জান্নাতে যার তলদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত।’’ [সূরা আত-তাহরীম, আয়াত: ৮]
﴿ قَدۡ أَفۡلَحَ مَن زَكَّىٰهَا ٩ وَقَدۡ خَابَ مَن دَسَّىٰهَا ١٠ ﴾ [ الشمس : ٩، ١٠ ]
‘‘সেই সফলকাম যে নফসকে পরিশুদ্ধ করেছে, আর সেই ক্ষতিগ্রস্ত যে আত্মাকে কলুষিত করেছে।” [সূরা আশ-শামস, আয়াত: ৯, ১০]
মুসলিম মা’সূম তথা বেগুনাহ নয়, বরং সে কখনো কখনো ভ্রান্তি ও গুনাহে লিপ্ত হয়ে যায় কিন্তু মুসলিম হিসেবে তাকে নফসের সাথে জিহাদ করতে হবে, যাতে সে অবাধ্য গুনাহগার হয়ে না যায়। যদি ও কখনো তার আত্মা তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো গুনাহে লিপ্ত হয়ে যায়, তাহলে সে মুষড়ে পড়বে না। সে হতাশ হবে না। আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হবে না; বরং সে আল্লাহর দরবারে ফিরে আসবে এবং দ্রুত তওবা করবে এবং গুনাহের জন্য তাঁর নফসকে ভৎর্সনা করবে। সম্ভব হলে নফসকে অনুমোদিত খাহেশ থেকেও বিরত রাখতে হবে, যাতে করে সে পরবর্তিতে কোনো গুনাহের নির্দেশনা দিতে না পারে।
মনে রাখা দরকার, তওবা তিনটি জিনিসকে শামিল করে।
গুনাহ থেকে ফিরে আসা।
গুনার কাজের জন্য অনুশোচনা।
কৃতগুনাহের দিকে ভবিষ্যতে ফিরে না যাওয়ার দৃঢ় সিদ্ধান্ত।
যখন মুসলিম সত্যিকারার্থে তওবা করে, আল্লাহ তার তওবা কবুল করেন, তার গুনাহ ক্ষমা করে দেন, তার মন্দ কাজগুলো মিটিয়ে দেন তিনি বলেন,
﴿ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ تُوبُوٓاْ إِلَى ٱللَّهِ تَوۡبَةٗ نَّصُوحًا عَسَىٰ رَبُّكُمۡ أَن يُكَفِّرَ عَنكُمۡ سَئَِّاتِكُمۡ وَيُدۡخِلَكُمۡ جَنَّٰتٖ تَجۡرِي مِن تَحۡتِهَا ٱلۡأَنۡهَٰرُ ﴾ [ التحريم : ٨ ]
‘‘হে মুমিনগণ! তোমরা খালেসভাবে আল্লাহর কাছে তওবা কর সম্ভবত তোমাদের রব তোমাদের পাপসমূহ মোচন করে দিবেন এবং তোমাদেরকে দাখিল করাবেন জান্নাতে যার তলদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত।’’ [সূরা আত-তাহরীম, আয়াত: ৮]