hadith book logo

ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২

ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি: গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

যদি এমন একটি গ্লাস থাকে যার অর্ধেকটা পানি দিয়ে ভর্তি আর অর্ধেকটা শূন্য তাহলে এটাকে দু’ভাবে মূল্যায়ন করা যাবে।

এক. ইতিবাচক মূল্যায়ন। অর্থাৎ বলা হবে যে, গ্লাসটি অর্ধেকটা পূর্ণ। গ্লাসটি খালী নয়। আর এ অর্ধগ্লাস পানি মানুষের জন্য উপকারী।

দুই. নেতিবাচক মূল্যায়ন। যেমন বলা হবে গ্লাসটির অর্ধেকই খালি, অপূর্ণাঙ্গ আর এ অর্ধগ্লাস পানি দিয়ে কি-ই বা হবে।

প্রতিটি ব্যক্তি, ঘটনা ও কর্ম মূল্যায়নকালে এভাবে ইতিবাচক ও নেতিবাচক দৃষ্টভঙ্গি আপন করে নেওয়া যায়। বক্ষ্যমাণ প্রবন্ধে আমার আলোচনার বিষয় হল, ইসলাম আমাদেরকে কোন ধরনের মূল্যায়ন প্রক্রিয়া আপন করতে উৎসাহ দেয়? ইতিবাচক মূল্যায়ন নাকি নেতিবাচক মূ্ল্যায়ন?

ইতিবাচক মূল্যায়ন মানুষকে উৎসাহ যোগায়, উদ্দীপনা দেয়, সামনে এগুতে সাহস যোগায়, যা মানুষকে উপকার করে তা অর্জন করতে শেখায়, ধৈর্যধারনে উৎসাহ দেয়, মানুষের মধ্যে সৃজনশীলতা ও আবিস্কারের মানসিকতা সৃষ্টি করে, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, অন্যকে ভালোবাসতে উদ্বুদ্ধ করে।

নেতিবাচক মূল্যায়ন মানুষকে নিরুৎসাহিত করে, হতাশ করে, অলস হতে সাহায্য করে, ধৈর্যহীন করে তোলে, নৈরাশ্যবাদের জন্ম দেয়, অন্যের প্রতি হিংসা, পরনিন্দা ও অবমাননা ইত্যাদিতে উৎসাহিত করে।

ইসলাম তার অনুসারীদের কাছ থেকে সর্বক্ষেত্রে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি কামনা করে। এর উদাহরণ হিসেবে কুরআন ও হাদীসের অসংখ্য দৃষ্টান্ত থেকে মাত্র কয়েকটি দৃষ্টান্ত নিম্নে তুলে ধরছি।