hadith book logo

ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৬

ইতিবাচক মুল্যায়নের উপকারিতা:

অনেকেই আছেন যারা কারো কোনো কাজ বা কীর্তি দেখলে কর্তাকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে মূল্যায়ন না করে তা নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখেন, নেতিবাচক দৃষ্টভঙ্গি নিয়ে বিশ্লেষণ করেন। তারা ভালো কাজের স্বীকৃতি দিতে নিরাগ্রহ; কিন্তু রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কারো মধ্যে সামান্য ভালো কাজ দেখলে তা ইতিবাচক দৃষ্টিতে মূল্যায়ন করার সাথে সাথে তার প্রশংসা করতেন। তাকে বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করতেন। দেখুন! তিনি তার সাহাবীগণের সম্পর্কে বলছেন,

«أفضل أمتي أبو بكر، وأشدهم في الله عمر، وأكثرهم حياء عثمان، وأقرؤهم لكتاب الله أبي بن كعب، وأقربهم إلىَّ زيد بن ثابت، وأعلمهم بالحلال والحرام معاذ بن جبل، ألا وإن لكل أمة أمينا، وأمين هذه الأمة : أبو عبيدة عامر بن الجراح» .

“আমার উম্মতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি আবু বকর, আল্লাহর ব্যাপারে সবার চেয়ে কঠিন উমার, সর্বাপেক্ষা লজ্জাশীল উসমান, কুরআন সর্বাপেক্ষা ভালো তিলাওয়াতকারী উবাই ইবন কা‘আব, আমার সবচেয়ে নিকটতম ব্যক্তি যায়েদ ইবন সাবিত এবং হালাল হারামের ব্যাপারে সর্বাধিক বিজ্ঞ মু‘আয ইবন জাবাল। সাবধান! প্রত্যেক জাতির একজন সমধিক বিশ্বস্ত ব্যক্তি থাকে আর আমার উম্মতের বিশ্বস্ত ব্যক্তি হচ্ছে- আবু উবাইদাহ আমের ইবনুল-জাররাহ্।” [আহমদ ও তিরমিযী]

দেখুন! তিনি এ হাদিসে তার সাহাবীদের কীভাবে ইতিবাচক মূল্যায়ন করেছেন। তাদের প্রশংসা করেছেন। সম্মানজনক উপাধি দিয়েছেন। তিনি সাহাবী আশাজ্জ ইবন আবদে কায়েসকে বলেছিলেন,

«إن فيك خصلتين يحبهما الله : الحلم والأناة» .

“তোমার মধ্যে দুটো গুণ রয়েছে, যা আল্লাহ পছন্দ করেন। সহিষ্ণুতা ও ধীরস্থিরতা।” (সহীহ মুসলিম)