১
কীভাবে আমরা সন্তানদের লালন-পালন করব
লেখকঃ আখতারুজ্জামান মুহাম্মদ সুলাইমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
সন্তানদের সালাত শিক্ষা দেওয়া
১। অল্প বয়সেই ছেলে মেয়েদেরকে সালাত শিক্ষা দেওয়া ওয়াজিব, যাতে বড় হলে সর্বদা তা আদায় করতে সচেষ্ট হয়।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সম্বন্ধে বলেছেন,
«مُرُوا صِبْيَانَكُمْ بِالصَّلَاةِ ، إِذَا بَلَغُوا سَبْعًا وَاضْرِبُوهُمْ عَلَيْهَا، إِذَا بَلَغُوا عَشْرًا، وَفَرِّقُوا بَيْنَهُمْ فِي الْمَضَاجِعِ»
“যখন সন্তানরা সাত বছরে পদার্পন করে তখনই তাদেরকে সালাতের আদেশ কর। আর দশ বছর অতিক্রান্ত হলে সালাতের জন্য প্রহার কর জন্য আলাদা আলাদা বিছানার ব্যবস্থা কর”। [মুসনাদ আহমাদ, হাদীস নং ৬৬৮৯।]
তা‘লীমের মধ্যে আছে -তাদের অযু শিক্ষা দেওয়া ও তাদের সম্মুখে সালাত আদায় করা, যা দেখে তারা শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। তাদেরকে সাথে নিয়ে মসজিদে গমন করা। আর তাদের ঐ সমস্ত কিতাব পড়তে উদ্বুদ্ধ করা যাতে সালাতের সহীহ নিয়মাবলি লিপিবদ্ধ আছে, যেন পরিবারের সকলে সালাতের নিয়মাবলি শিক্ষা করতে পারে। এটা শিক্ষক ও পিতামাতা উভয়েরই দায়িত্ব। যদি এতে কোনো গাফিলতি করা হয়, তাহলে এ ব্যাপারে আল্লাহ তা‘আলা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।
২। সন্তানদের কুরআন শিক্ষা দান করা। প্রথমে সূরা ফাতিহা এবং তার বাংলা অর্থ ও অন্যান্য ছোট সূরাসমূহ শিক্ষা দিতে হবে। সালাতের জন্য আত্তাহিয়্যাতু, দুরূদ এবং অন্যান্য দো‘আ শিক্ষা দিতে হবে। তাদের তাজবীদ ও কুরআন হিফয ও হাদীসের শিক্ষা দানের জন্য শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।
৩। সন্তানদের জুমু‘আ ও মসজিদে গিয়ে জামা‘আতে সালাত আদায় করার ব্যাপারে উৎসাহিত করা। যদি মসজিদে গিয়ে তারা কোনো ভুল-ত্রুটি করে তবে মিষ্টি ভাষায় তাদের ভুল সংশোধন করে দেওয়া। তাদের কোনো ধমক বা ভর্ৎসনা না করা, যে কারণে ঐ অজুহাতে তারা সালাতকে পরিত্যাগ করে। ফলে উক্ত কারণে আমরা অপরাধী হয়ে যাব। যদি আমরা আমাদের শৈশবের ভুল-ত্রুটি ও খেল-তামাশার কথা স্মরণ করি, তাহলে সহজেই তাদের ক্ষমা করতে পারব।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সম্বন্ধে বলেছেন,
«مُرُوا صِبْيَانَكُمْ بِالصَّلَاةِ ، إِذَا بَلَغُوا سَبْعًا وَاضْرِبُوهُمْ عَلَيْهَا، إِذَا بَلَغُوا عَشْرًا، وَفَرِّقُوا بَيْنَهُمْ فِي الْمَضَاجِعِ»
“যখন সন্তানরা সাত বছরে পদার্পন করে তখনই তাদেরকে সালাতের আদেশ কর। আর দশ বছর অতিক্রান্ত হলে সালাতের জন্য প্রহার কর জন্য আলাদা আলাদা বিছানার ব্যবস্থা কর”। [মুসনাদ আহমাদ, হাদীস নং ৬৬৮৯।]
তা‘লীমের মধ্যে আছে -তাদের অযু শিক্ষা দেওয়া ও তাদের সম্মুখে সালাত আদায় করা, যা দেখে তারা শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। তাদেরকে সাথে নিয়ে মসজিদে গমন করা। আর তাদের ঐ সমস্ত কিতাব পড়তে উদ্বুদ্ধ করা যাতে সালাতের সহীহ নিয়মাবলি লিপিবদ্ধ আছে, যেন পরিবারের সকলে সালাতের নিয়মাবলি শিক্ষা করতে পারে। এটা শিক্ষক ও পিতামাতা উভয়েরই দায়িত্ব। যদি এতে কোনো গাফিলতি করা হয়, তাহলে এ ব্যাপারে আল্লাহ তা‘আলা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।
২। সন্তানদের কুরআন শিক্ষা দান করা। প্রথমে সূরা ফাতিহা এবং তার বাংলা অর্থ ও অন্যান্য ছোট সূরাসমূহ শিক্ষা দিতে হবে। সালাতের জন্য আত্তাহিয়্যাতু, দুরূদ এবং অন্যান্য দো‘আ শিক্ষা দিতে হবে। তাদের তাজবীদ ও কুরআন হিফয ও হাদীসের শিক্ষা দানের জন্য শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।
৩। সন্তানদের জুমু‘আ ও মসজিদে গিয়ে জামা‘আতে সালাত আদায় করার ব্যাপারে উৎসাহিত করা। যদি মসজিদে গিয়ে তারা কোনো ভুল-ত্রুটি করে তবে মিষ্টি ভাষায় তাদের ভুল সংশোধন করে দেওয়া। তাদের কোনো ধমক বা ভর্ৎসনা না করা, যে কারণে ঐ অজুহাতে তারা সালাতকে পরিত্যাগ করে। ফলে উক্ত কারণে আমরা অপরাধী হয়ে যাব। যদি আমরা আমাদের শৈশবের ভুল-ত্রুটি ও খেল-তামাশার কথা স্মরণ করি, তাহলে সহজেই তাদের ক্ষমা করতে পারব।