hadith book logo

কীভাবে আমরা সন্তানদের লালন-পালন করব

লেখকঃ আখতারুজ্জামান মুহাম্মদ সুলাইমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৮

জিহাদ ও বীরত্ব

১। মাঝে মাঝে পরিবারের লোকেরা ও ছাত্ররা একত্রে কোনো বৈঠকে বসবে। সেই বৈঠকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীবনী ও সাহাবীগণের জীবনী পাঠ করে শোনাতে হবে, যাতে তারা বুঝতে পারে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন নির্ভীক সেনাপতি। আর তাঁর সাহাবীগণ যেমন- আবূ বকর, উমার, উসমান, আলী, মু‘আবিয়া রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুম প্রমুখ সাহাবীগণ বিশ্বের বহু দেশ জয় করেছিলেন। আর তারা জয়যুক্ত হয়েছিলেন ঈমানের কারণেই এবং যুদ্ধ অবস্থায়ও আমলে সর্বদা তারা কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী চলতেন। তাদের চারিত্রিক গুণাবলী ছিল অতি উচ্চ।

২। সন্তানদের গড়ে তুলতে হবে বীর মনোভাবাপন্ন হিসেবে। তারা সৎকাজের আদেশ ও অন্যায় কাজের নিষেধ করবে। আর আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পাবে না। কোনো অবস্থাতেই মিথ্যা গল্প ও গুজব কাহিনী দ্বারা তাদের ভীত করা ঠিক হবে না।

৩। তাদের মধ্যে এমন চেতনা জাগ্রত করতে হবে, যাতে তারা অন্যায়কারী ও যালেমদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পারে। আমাদের যুবকরা সমাজকে যাবতীয় আবিলতা থেকে মুক্ত করতে পারবে, যদি তারা ইসলামের শিক্ষার ওপর চলে এবং আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করে। ইনশাআল্লাহ সফল তারা হবেই।

৪। তাদের উত্তম ইসলামি চরিত্র গঠন মূলক বই পুস্তক কিনে দিতে হবে। যেমন, কুরআনের কাহিনীসমূহ, রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনী, সাহাবীদের ও মুসলিমদের বীরত্বগাঁথা। যেমন, শামায়েলে মুহাম্মাদীয়া, আল-আকীদা আল-ইসলামীয়া, আরকানুল ঈমান ওয়াল ইসলাম, মিনহাজ ফিরকাতুন নাজিয়াহ, ধূমপানের ব্যপারে ইসলামের হুকুম, তাওজীহাত আল ইসলামিয়াহ, দীনের জরুরী জ্ঞানসমূহ, অদ্ভুত কাহিনীসমূহ, যা হক ও বাতিলকে আলাদা করে- ইত্যাদি বই পড়তে উদ্ধুদ্ধ করতে হবে।