১
মোরা বড় হতে চাই
লেখকঃ আহসান হাবীব ইমরোজ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৮
তারপরও সবচেয়ে দামি হলো পড়াশোনা
তারপরও সবচেয়ে দামি হলো পড়াশোনা
ইন্টারনেটের কল্যানে পশ্চিমের কিশোরদের অনেকেই আজ বাড়িগাড়ি অফিসের মালিক। রাতভর কম্পিউটারের সামনে বসে থেকে অত্যন্ত চড়া দামে নিজেদের এই অসময়ের সাফল্য কিনছে তারা। অধিকাংশই স্কুলে যাওয়া বন্ধ করেছে। দুই একজন তো ঘোষণাই করে দিয়েছে, পড়াশোনা শেষ করার কোনো ইচ্ছাই তাদের নেই। তবে এদের মধ্যে কয়েকজন আছে আত্ম উপলব্ধি ছুঁয়েছে যাদের। হার্ভার্ডে পড়ার সময় চিপলট ডট-কম তৈরি করেছিল ২৩ বছরের অমর গোয়েল। চিপলট থেকে মিলিয়ন ডলার এসেছে তার পকেটে। কিন্তু হার্ভাডের গ্রাজুয়েশন নেয়া হয়নি তার। তাই তো বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে সুযোগ পেলেই পড়াশোনা শেষ করার কথা বলে অমর এবং বলে পড়াশোনা শেষ করে তারপর ইন্টারনেট ব্যবসায়ে ঢোকার কথা। লাখপতি মাইকেল ফারডেকেরও সেই একই মত। হয়তো ১৮ বছর বয়সেই তার একাউন্টে আছে কাঁড়িকাঁড়ি টাকা, আছে মাইক্রোসফটের চাবি, ঝকঝকে অফিস। তারপর শিগগিরই গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করার জন্য স্কুলে ফিরে যাবে সে। এর কারণ অবশ্য তার বাবার উপদেশ। তিনিই বোঝাতে পেরেছেন ফারডিককে, যতো কিছুই থাকুক তোমার সবচেয়ে দামি হলো পড়াশোনা। ঢাকার বনশ্রী আইডিয়াল স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্র ১১ বছরের অমিত। অমিত খুব মেধাবী, প্রাণবন্ত আর সিরিয়াস আত্মবিশ্বাসী। ১১ মাস সে শুয়ে শুয়ে রয়েছে হাসপাতালে দুরারোগ্য ওয়াইল্ড পোলিও রোগে। তার বাবা জানিয়েছে, এসময়ে তার হাত-পা কার্যক্ষম ছিলনা। তার স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যবস্থা করতে হচ্ছে যান্ত্রিক উপায়ে। এ অবস্থাতেও সে হাসপাতালের বেডে শুয়ে পড়া শেষ করেছে। অনেক বই, পত্র-পত্রিকা। অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী ছেলে সে।স্বাধীন ও স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য দরকার তার কৃত্রিম পেসমেকার। যা আমেরিকা থেকে আনতে হবে, দাম তেতাল্লিশ লক্ষ টাকা। বাবার অসঙ্গতির কথা বুঝতে পেরে বাবাকে সান্তনা দিয়ে সে বলে, ঢাকা শহরে এত লোক সবাই একটি করে টাকা দিলেই তো হয়ে যায়। মিডিয়ার বদৌলতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এ খবর। গত অক্টোবর পর্যন্ত ৮০ লক্ষ টাকা সংগ্রহ হয়েছে। তোমাদের মত স্কুল -কলেজ ছাত্র-ছাত্রীরা, সাধারণ মানুষ, শ্রমিক এমনকি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেকার পর্যন্ত তাকে ৬শত টাকা দিয়েছেন। তার ঘটনায় আমাদের জন্য শিক্ষা হলো- আত্মবিশ্বাস দিয়ে কিভাবে বিশ্বজয় করা যায়। আর মানবিক কারণে কিভাবে এগিয়ে যেতে হয়। আমরা অমিতের মতো অমিত আত্মবিশ্বাসী হতে চাই।
কালের শপথ,মানুষ মূলতঃই বড় ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত;
সেই লোকদের ছাড়া, যাহারা ঈমান আনিয়াছে ও নেক আমল করিয়াছে
এবং একজন অপরজনকে হক উপদেশ দিয়াছে ও ধৈর্য ধারণে উৎসাহ দিয়াছে।
-সূরা আল আসর
ইন্টারনেটের কল্যানে পশ্চিমের কিশোরদের অনেকেই আজ বাড়িগাড়ি অফিসের মালিক। রাতভর কম্পিউটারের সামনে বসে থেকে অত্যন্ত চড়া দামে নিজেদের এই অসময়ের সাফল্য কিনছে তারা। অধিকাংশই স্কুলে যাওয়া বন্ধ করেছে। দুই একজন তো ঘোষণাই করে দিয়েছে, পড়াশোনা শেষ করার কোনো ইচ্ছাই তাদের নেই। তবে এদের মধ্যে কয়েকজন আছে আত্ম উপলব্ধি ছুঁয়েছে যাদের। হার্ভার্ডে পড়ার সময় চিপলট ডট-কম তৈরি করেছিল ২৩ বছরের অমর গোয়েল। চিপলট থেকে মিলিয়ন ডলার এসেছে তার পকেটে। কিন্তু হার্ভাডের গ্রাজুয়েশন নেয়া হয়নি তার। তাই তো বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে সুযোগ পেলেই পড়াশোনা শেষ করার কথা বলে অমর এবং বলে পড়াশোনা শেষ করে তারপর ইন্টারনেট ব্যবসায়ে ঢোকার কথা। লাখপতি মাইকেল ফারডেকেরও সেই একই মত। হয়তো ১৮ বছর বয়সেই তার একাউন্টে আছে কাঁড়িকাঁড়ি টাকা, আছে মাইক্রোসফটের চাবি, ঝকঝকে অফিস। তারপর শিগগিরই গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করার জন্য স্কুলে ফিরে যাবে সে। এর কারণ অবশ্য তার বাবার উপদেশ। তিনিই বোঝাতে পেরেছেন ফারডিককে, যতো কিছুই থাকুক তোমার সবচেয়ে দামি হলো পড়াশোনা। ঢাকার বনশ্রী আইডিয়াল স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্র ১১ বছরের অমিত। অমিত খুব মেধাবী, প্রাণবন্ত আর সিরিয়াস আত্মবিশ্বাসী। ১১ মাস সে শুয়ে শুয়ে রয়েছে হাসপাতালে দুরারোগ্য ওয়াইল্ড পোলিও রোগে। তার বাবা জানিয়েছে, এসময়ে তার হাত-পা কার্যক্ষম ছিলনা। তার স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যবস্থা করতে হচ্ছে যান্ত্রিক উপায়ে। এ অবস্থাতেও সে হাসপাতালের বেডে শুয়ে পড়া শেষ করেছে। অনেক বই, পত্র-পত্রিকা। অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী ছেলে সে।স্বাধীন ও স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য দরকার তার কৃত্রিম পেসমেকার। যা আমেরিকা থেকে আনতে হবে, দাম তেতাল্লিশ লক্ষ টাকা। বাবার অসঙ্গতির কথা বুঝতে পেরে বাবাকে সান্তনা দিয়ে সে বলে, ঢাকা শহরে এত লোক সবাই একটি করে টাকা দিলেই তো হয়ে যায়। মিডিয়ার বদৌলতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এ খবর। গত অক্টোবর পর্যন্ত ৮০ লক্ষ টাকা সংগ্রহ হয়েছে। তোমাদের মত স্কুল -কলেজ ছাত্র-ছাত্রীরা, সাধারণ মানুষ, শ্রমিক এমনকি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেকার পর্যন্ত তাকে ৬শত টাকা দিয়েছেন। তার ঘটনায় আমাদের জন্য শিক্ষা হলো- আত্মবিশ্বাস দিয়ে কিভাবে বিশ্বজয় করা যায়। আর মানবিক কারণে কিভাবে এগিয়ে যেতে হয়। আমরা অমিতের মতো অমিত আত্মবিশ্বাসী হতে চাই।
কালের শপথ,মানুষ মূলতঃই বড় ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত;
সেই লোকদের ছাড়া, যাহারা ঈমান আনিয়াছে ও নেক আমল করিয়াছে
এবং একজন অপরজনকে হক উপদেশ দিয়াছে ও ধৈর্য ধারণে উৎসাহ দিয়াছে।
-সূরা আল আসর