১
কুরআন ও সুন্নাহ’র আলোকে রাতের সালাত
লেখকঃ ড. সাঈদ ইবন আলী ইবন ওয়াহফ আল-কাহতানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
দ্বিতীয়: তাহাজ্জুদের হুকুম:
তাহাজ্জুদের সালাত সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ। [‘মজমু ফাতওয়া ওয়াল মাকালাত মুতানাওয়েয়াহ’ লি ইবন বায রহ.: (১১/২৯৬)।] কুরআন, সুন্নাহ ও উম্মতের ইজমা দ্বারা তা প্রমাণিত। আল্লাহ তা‘আলা রহমানের বান্দাদের গুণাগুণ সম্পর্কে বলেন,
﴿وَٱلَّذِينَ يَبِيتُونَ لِرَبِّهِمۡ سُجَّدٗا وَقِيَٰمٗا ٦٤﴾ [ الفرقان : ٦٤ ]
“আর যারা তাদের রবের জন্য সাজদারত ও দণ্ডায়মান হয়ে রাত্রি যাপন করে”। [সূরা আল-ফুরকান, আয়াত: ৬৪)] অন্যত্র তিনি মুত্তাকীদের গুণাগুণ আলোচনায় বলেন,
﴿كَانُواْ قَلِيلٗا مِّنَ ٱلَّيۡلِ مَا يَهۡجَعُونَ ١٧ وَبِٱلۡأَسۡحَارِ هُمۡ يَسۡتَغۡفِرُونَ ١٨ ﴾ [ الذاريات : ١٧، ١٨ ]
“রাতের সামান্য অংশই এরা ঘুমিয়ে কাটাত আর রাতের শেষ প্রহরে এরা ক্ষমা চাওয়ায় রত থাকত” [সূরা আয-যারিয়াত, আয়াত: ১৭-১৮] আল্লাহ তা‘আলা পূর্ণ ইমানদার বান্দাদের সম্পর্কে বলেন,
﴿تَتَجَافَىٰ جُنُوبُهُمۡ عَنِ ٱلۡمَضَاجِعِ يَدۡعُونَ رَبَّهُمۡ خَوۡفٗا وَطَمَعٗا وَمِمَّا رَزَقۡنَٰهُمۡ يُنفِقُونَ ١٦ فَلَا تَعۡلَمُ نَفۡسٞ مَّآ أُخۡفِيَ لَهُم مِّن قُرَّةِ أَعۡيُنٖ جَزَآءَۢ بِمَا كَانُواْ يَعۡمَلُونَ ١٧﴾ [ السجدة : ١٦، ١٧ ]
“তাদের পার্শ্বদেশ বিছানা থেকে আলাদা হয়। তারা ভয় ও আশা নিয়ে তাদের রবকে ডাকে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দান করেছি, তা থেকে তারা ব্যয় করে। অতঃপর কোনো ব্যক্তি জানে না তাদের জন্য চোখ জুড়ানো কী জিনিস লুকিয়ে রাখা হয়েছে, তারা যা করত, তার বিনিময়স্বরূপ”। [সূরা আস-সাজদাহ, আয়াত: ১৬-১৭]
তিনি অন্যত্র বলেন,
﴿يَتۡلُونَ ءَايَٰتِ ٱللَّهِ ءَانَآءَ ٱلَّيۡلِ وَهُمۡ يَسۡجُدُونَ ١١٣﴾ [ ال عمران : ١١٣ ]
“তারা রাতের বেলায় আল্লাহর আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করে এবং তারা সাজদাহ করে”। [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১১৩]
তিনি আরো বলেন,
﴿وَٱلۡمُسۡتَغۡفِرِينَ بِٱلۡأَسۡحَارِ ١٧﴾ [ ال عمران : ١٧ ]
“এবং শেষ রাতে ক্ষমাপ্রার্থনাকারী”। [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৭]
আল্লাহ তা‘আলা সেসব পরিপূর্ণ মুমিনদের ইলম ও মর্যাদার উচ্চ শিখরে ভূষিত করেছেন, যারা রাতে সালাত আদায় করে। তিনি বলেন,
﴿أَمَّنۡ هُوَ قَٰنِتٌ ءَانَآءَ ٱلَّيۡلِ سَاجِدٗا وَقَآئِمٗا يَحۡذَرُ ٱلۡأٓخِرَةَ وَيَرۡجُواْ رَحۡمَةَ رَبِّهِۦۗ قُلۡ هَلۡ يَسۡتَوِي ٱلَّذِينَ يَعۡلَمُونَ وَٱلَّذِينَ لَا يَعۡلَمُونَۗ إِنَّمَا يَتَذَكَّرُ أُوْلُواْ ٱلۡأَلۡبَٰبِ ٩﴾ [ الزمر : ٩ ]
“যে ব্যক্তি রাতের প্রহরে সাজদাবনত হয়ে ও দাঁড়িয়ে আনুগত্য প্রকাশ করে, আখিরাতকে ভয় করে এবং তার রবের রহমত প্রত্যাশা করে (সে কি তার সমান যে এরূপ করে না) বল, ‘যারা জানে আর যারা জানে না তারা কি সমান?’ বিবেকবান লোকেরাই কেবল উপদেশ গ্রহণ করে”। [সূরা আয-যুমার, আয়াত: ৯] আল্লাহ তা‘আলার নিকট রাতের সালাতের গুরুত্ব অধিক, তাই তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলেন,
﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلۡمُزَّمِّلُ ١ قُمِ ٱلَّيۡلَ إِلَّا قَلِيلٗا ٢ نِّصۡفَهُۥٓ أَوِ ٱنقُصۡ مِنۡهُ قَلِيلًا ٣ أَوۡ زِدۡ عَلَيۡهِ وَرَتِّلِ ٱلۡقُرۡءَانَ تَرۡتِيلًا ٤﴾ [ المزمل : ١، ٤ ]
“হে চাদর আবৃত! রাতের সালাতে দাঁড়াও কিছু অংশ ছাড়া। রাতের অর্ধেক কিংবা তার চেয়ে কিছুটা কম। অথবা তার চেয়ে একটু বাড়াও। আর স্পষ্টভাবে ধীরে ধীরে কুরআন আবৃত্তি কর”। [সূরা আল-মুয্যাম্মিল, আয়াত: ১-৪]
তিনি আরো বলেন,
﴿وَمِنَ ٱلَّيۡلِ فَتَهَجَّدۡ بِهِۦ نَافِلَةٗ لَّكَ عَسَىٰٓ أَن يَبۡعَثَكَ رَبُّكَ مَقَامٗا مَّحۡمُودٗا ٧٩﴾ [ الاسراء : ٧٩ ]
“আর রাতের কিছু অংশে তাহাজ্জুদ আদায় কর তোমার অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে। আশা করা যায়, তোমার রব তোমাকে প্রশংসিত অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করবেন”। [সূরা আল-ইসরা, আয়াত: ৭৯]
তিনি আরো বলেন,
﴿إِنَّا نَحۡنُ نَزَّلۡنَا عَلَيۡكَ ٱلۡقُرۡءَانَ تَنزِيلٗا ٢٣ فَٱصۡبِرۡ لِحُكۡمِ رَبِّكَ وَلَا تُطِعۡ مِنۡهُمۡ ءَاثِمًا أَوۡ كَفُورٗا ٢٤ وَٱذۡكُرِ ٱسۡمَ رَبِّكَ بُكۡرَةٗ وَأَصِيلٗا ٢٥ وَمِنَ ٱلَّيۡلِ فَٱسۡجُدۡ لَهُۥ وَسَبِّحۡهُ لَيۡلٗا طَوِيلًا ٢٦﴾ [ الانسان : ٢٣، ٢٦ ]
“নিশ্চয় আমরা তোমার প্রতি পর্যায়ক্রমে আল - কুরআন নাযিল করেছি। অতএব তোমার রবের হুকুমের জন্য ধৈর্য ধারণ কর এবং তাদের মধ্য থেকে কোনো পাপিষ্ঠ বা অস্বীকারকারীর আনুগত্য করো না। আর সকাল-সন্ধ্যায় তোমার রবের নাম স্মরণ কর, আর রাতের একাংশে তার উদ্দেশ্যে সাজদাবনত হও এবং দীর্ঘ রাত ধরে তাঁর তাসবীহ পাঠ কর”। [সূরা ইনসান, আয়াত: ২৩-২৬]
তিনি আরো বলেন,
﴿وَمِنَ ٱلَّيۡلِ فَسَبِّحۡهُ وَأَدۡبَٰرَ ٱلسُّجُودِ ٤٠﴾ [ق: ٤٠ ]
“এবং রাতের একাংশেও তুমি তাঁর তাসবীহ পাঠ কর এবং সালাতের পশ্চাতেও”। [সূরা কাফ, আয়াত: ৪০]
তিনি আরো বলেন,
﴿وَمِنَ ٱلَّيۡلِ فَسَبِّحۡهُ وَإِدۡبَٰرَ ٱلنُّجُومِ ٤٩﴾ [ الطور : ٤٨ ]
“আর রাতের কিছু অংশে এবং নক্ষত্র অস্ত যাবার পর তার তাসবীহ পাঠ কর”। [সূরা আত- তুর, আয়াত: ৪৯] নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও রাতের সালাতের প্রতি উদ্বুদ্ধ করে বলেন,
«أفضل الصيام بعد رمضان شهر الله المحرم، وأفضل الصلاة بعد الفريضة صلاة الليل» .
“রমযানের পর সর্বোত্তম সিয়াম হচ্ছে মুহররমের সিয়াম, আর ফরয সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত হচ্ছে রাতের সালাত”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১৬৩, আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত।]
﴿وَٱلَّذِينَ يَبِيتُونَ لِرَبِّهِمۡ سُجَّدٗا وَقِيَٰمٗا ٦٤﴾ [ الفرقان : ٦٤ ]
“আর যারা তাদের রবের জন্য সাজদারত ও দণ্ডায়মান হয়ে রাত্রি যাপন করে”। [সূরা আল-ফুরকান, আয়াত: ৬৪)] অন্যত্র তিনি মুত্তাকীদের গুণাগুণ আলোচনায় বলেন,
﴿كَانُواْ قَلِيلٗا مِّنَ ٱلَّيۡلِ مَا يَهۡجَعُونَ ١٧ وَبِٱلۡأَسۡحَارِ هُمۡ يَسۡتَغۡفِرُونَ ١٨ ﴾ [ الذاريات : ١٧، ١٨ ]
“রাতের সামান্য অংশই এরা ঘুমিয়ে কাটাত আর রাতের শেষ প্রহরে এরা ক্ষমা চাওয়ায় রত থাকত” [সূরা আয-যারিয়াত, আয়াত: ১৭-১৮] আল্লাহ তা‘আলা পূর্ণ ইমানদার বান্দাদের সম্পর্কে বলেন,
﴿تَتَجَافَىٰ جُنُوبُهُمۡ عَنِ ٱلۡمَضَاجِعِ يَدۡعُونَ رَبَّهُمۡ خَوۡفٗا وَطَمَعٗا وَمِمَّا رَزَقۡنَٰهُمۡ يُنفِقُونَ ١٦ فَلَا تَعۡلَمُ نَفۡسٞ مَّآ أُخۡفِيَ لَهُم مِّن قُرَّةِ أَعۡيُنٖ جَزَآءَۢ بِمَا كَانُواْ يَعۡمَلُونَ ١٧﴾ [ السجدة : ١٦، ١٧ ]
“তাদের পার্শ্বদেশ বিছানা থেকে আলাদা হয়। তারা ভয় ও আশা নিয়ে তাদের রবকে ডাকে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দান করেছি, তা থেকে তারা ব্যয় করে। অতঃপর কোনো ব্যক্তি জানে না তাদের জন্য চোখ জুড়ানো কী জিনিস লুকিয়ে রাখা হয়েছে, তারা যা করত, তার বিনিময়স্বরূপ”। [সূরা আস-সাজদাহ, আয়াত: ১৬-১৭]
তিনি অন্যত্র বলেন,
﴿يَتۡلُونَ ءَايَٰتِ ٱللَّهِ ءَانَآءَ ٱلَّيۡلِ وَهُمۡ يَسۡجُدُونَ ١١٣﴾ [ ال عمران : ١١٣ ]
“তারা রাতের বেলায় আল্লাহর আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করে এবং তারা সাজদাহ করে”। [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১১৩]
তিনি আরো বলেন,
﴿وَٱلۡمُسۡتَغۡفِرِينَ بِٱلۡأَسۡحَارِ ١٧﴾ [ ال عمران : ١٧ ]
“এবং শেষ রাতে ক্ষমাপ্রার্থনাকারী”। [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৭]
আল্লাহ তা‘আলা সেসব পরিপূর্ণ মুমিনদের ইলম ও মর্যাদার উচ্চ শিখরে ভূষিত করেছেন, যারা রাতে সালাত আদায় করে। তিনি বলেন,
﴿أَمَّنۡ هُوَ قَٰنِتٌ ءَانَآءَ ٱلَّيۡلِ سَاجِدٗا وَقَآئِمٗا يَحۡذَرُ ٱلۡأٓخِرَةَ وَيَرۡجُواْ رَحۡمَةَ رَبِّهِۦۗ قُلۡ هَلۡ يَسۡتَوِي ٱلَّذِينَ يَعۡلَمُونَ وَٱلَّذِينَ لَا يَعۡلَمُونَۗ إِنَّمَا يَتَذَكَّرُ أُوْلُواْ ٱلۡأَلۡبَٰبِ ٩﴾ [ الزمر : ٩ ]
“যে ব্যক্তি রাতের প্রহরে সাজদাবনত হয়ে ও দাঁড়িয়ে আনুগত্য প্রকাশ করে, আখিরাতকে ভয় করে এবং তার রবের রহমত প্রত্যাশা করে (সে কি তার সমান যে এরূপ করে না) বল, ‘যারা জানে আর যারা জানে না তারা কি সমান?’ বিবেকবান লোকেরাই কেবল উপদেশ গ্রহণ করে”। [সূরা আয-যুমার, আয়াত: ৯] আল্লাহ তা‘আলার নিকট রাতের সালাতের গুরুত্ব অধিক, তাই তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলেন,
﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلۡمُزَّمِّلُ ١ قُمِ ٱلَّيۡلَ إِلَّا قَلِيلٗا ٢ نِّصۡفَهُۥٓ أَوِ ٱنقُصۡ مِنۡهُ قَلِيلًا ٣ أَوۡ زِدۡ عَلَيۡهِ وَرَتِّلِ ٱلۡقُرۡءَانَ تَرۡتِيلًا ٤﴾ [ المزمل : ١، ٤ ]
“হে চাদর আবৃত! রাতের সালাতে দাঁড়াও কিছু অংশ ছাড়া। রাতের অর্ধেক কিংবা তার চেয়ে কিছুটা কম। অথবা তার চেয়ে একটু বাড়াও। আর স্পষ্টভাবে ধীরে ধীরে কুরআন আবৃত্তি কর”। [সূরা আল-মুয্যাম্মিল, আয়াত: ১-৪]
তিনি আরো বলেন,
﴿وَمِنَ ٱلَّيۡلِ فَتَهَجَّدۡ بِهِۦ نَافِلَةٗ لَّكَ عَسَىٰٓ أَن يَبۡعَثَكَ رَبُّكَ مَقَامٗا مَّحۡمُودٗا ٧٩﴾ [ الاسراء : ٧٩ ]
“আর রাতের কিছু অংশে তাহাজ্জুদ আদায় কর তোমার অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে। আশা করা যায়, তোমার রব তোমাকে প্রশংসিত অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করবেন”। [সূরা আল-ইসরা, আয়াত: ৭৯]
তিনি আরো বলেন,
﴿إِنَّا نَحۡنُ نَزَّلۡنَا عَلَيۡكَ ٱلۡقُرۡءَانَ تَنزِيلٗا ٢٣ فَٱصۡبِرۡ لِحُكۡمِ رَبِّكَ وَلَا تُطِعۡ مِنۡهُمۡ ءَاثِمًا أَوۡ كَفُورٗا ٢٤ وَٱذۡكُرِ ٱسۡمَ رَبِّكَ بُكۡرَةٗ وَأَصِيلٗا ٢٥ وَمِنَ ٱلَّيۡلِ فَٱسۡجُدۡ لَهُۥ وَسَبِّحۡهُ لَيۡلٗا طَوِيلًا ٢٦﴾ [ الانسان : ٢٣، ٢٦ ]
“নিশ্চয় আমরা তোমার প্রতি পর্যায়ক্রমে আল - কুরআন নাযিল করেছি। অতএব তোমার রবের হুকুমের জন্য ধৈর্য ধারণ কর এবং তাদের মধ্য থেকে কোনো পাপিষ্ঠ বা অস্বীকারকারীর আনুগত্য করো না। আর সকাল-সন্ধ্যায় তোমার রবের নাম স্মরণ কর, আর রাতের একাংশে তার উদ্দেশ্যে সাজদাবনত হও এবং দীর্ঘ রাত ধরে তাঁর তাসবীহ পাঠ কর”। [সূরা ইনসান, আয়াত: ২৩-২৬]
তিনি আরো বলেন,
﴿وَمِنَ ٱلَّيۡلِ فَسَبِّحۡهُ وَأَدۡبَٰرَ ٱلسُّجُودِ ٤٠﴾ [ق: ٤٠ ]
“এবং রাতের একাংশেও তুমি তাঁর তাসবীহ পাঠ কর এবং সালাতের পশ্চাতেও”। [সূরা কাফ, আয়াত: ৪০]
তিনি আরো বলেন,
﴿وَمِنَ ٱلَّيۡلِ فَسَبِّحۡهُ وَإِدۡبَٰرَ ٱلنُّجُومِ ٤٩﴾ [ الطور : ٤٨ ]
“আর রাতের কিছু অংশে এবং নক্ষত্র অস্ত যাবার পর তার তাসবীহ পাঠ কর”। [সূরা আত- তুর, আয়াত: ৪৯] নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও রাতের সালাতের প্রতি উদ্বুদ্ধ করে বলেন,
«أفضل الصيام بعد رمضان شهر الله المحرم، وأفضل الصلاة بعد الفريضة صلاة الليل» .
“রমযানের পর সর্বোত্তম সিয়াম হচ্ছে মুহররমের সিয়াম, আর ফরয সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত হচ্ছে রাতের সালাত”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১৬৩, আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত।]