১
শরীয়তের মানদন্ডে রজব মাসের ফজিলত
লেখকঃ ফায়সাল বিন আলী আল-বাদানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
কিছু দায়ী যা করেন
মৌসুমি কিছু বেদআতে কিছু কিছু দায়ীকে আরোপিত হতে দেখা যায়। উদাহরণ রজবের বেদআত। এগুলোতে তারা আরোপিত হচ্ছে শরিয়ত বিরুদ্ধ হওয়ার ব্যাপারে শত ভাগ নিশ্চিত হওয়া সত্ত্বেও। এ বেদআত পরিত্যাগ করলে সাধারণ মানুষ ইবাদত ভিন্ন অন্যসব কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে পড়বে, এটাই তাদের যুক্তি।
বেদআত শিরকের পরেই মারাত্মক পাপ বলে বিবেচিত। সে হিসেবে ইসলাম ধরে রাখা বা প্রচারের জন্য এ ধরনের যুক্তি আদৌ মেনে নেয়া যায় না। প্রচারকদের কর্তব্য হল, যা সুন্নত ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শ সমর্থিত কেবল তাই প্রচার করা। সাউরি বলেন : ইসলামি আইনবিদগণ বলতেন, প্রয়োগ ব্যতীত কেবল কথার কোনো মূল্য নেই। আর শুদ্ধ নিয়ত ব্যতীত কথা ও কাজ কোনোটারই কোনো মূল্য নেই। আর কথা-কাজ-নিয়ত সুন্নত অনুযায়ী না হলে এগুলোরও কোনো মূল্য নেই। (৩২)
সুন্নত বিষয়ে যথার্থ জ্ঞান লাভ করা তাদের দায়িত্ব ছিল। নিজেদের এবং তাদের পাশে যারা রয়েছে তাদেরকে সুন্নত বাস্তবায়নের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা তাদের দায়িত্ব ছিল। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, [আমার অনুমোদন নেই এমন কাজ যে করল তা হবে অগ্রহনযোগ্য] আবুল আলিয়া তার সাথিদেরকে খুব চমৎকার বলেছেন: তোমরা ইসলাম শেখো, শেখা হলে তা থেকে কখনো বিচ্যুত হয়ো না। সরল পথ ধরে রাখো। মূলত ইসলামই হল সরল পথ। সরল পথ থেকে ডানে বামে বিচ্যুত হয়ো না। তোমাদের নবীর সুন্নত আকড়ে ধরো। আর দূরে থাকো এ সব প্রবৃত্তি থেকে যা পরস্পরে ঘৃণা ও শত্রুতার উদ্রেক করে। (৩৩)
এর পূর্বে হুযায়ফা রা. বলেছেন : হে কুরআন ওয়ালারা! সরল পথে দৃঢ়তার সাথে দাঁড়াও। তোমরা বহু অগ্রনী। তোমরা যদি ডানের-বামের পথ ধর তবে বিচ্যুত হবে। (৩৪)
বর্তমান বিশ্বে ইসলাম প্রচারকগণ ও সাথে সাথে উম্মতের সকল সদস্যই, সকল বিষয়ে, কেবল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নতের অনুসরণ করবে, এটাই ইসলামের দাবি। ইখলাস যেভাবে আল্লাহর জন্য সুনির্ধারিত করতে হয় ঠিক সেই রূপে। নিজেদের পরিত্রাণ, ও তাদের ধর্মের সম্মান-মর্যাদার সমুন্নত রাখার ইচ্ছা হলে এতদ্ভিন্ন অন্য কোনো পন্থা নেই। আল্লাহ তাআলা বলেন: যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাৎ কামনা করে সে যেন সৎকাজ করে এবং তার প্রভুর ইবাদতে কাউকে শরিক না করে। [ সূরা আল কাহফ: ১১০] আল্লাহ আরো বলেন : আল্লাহ অবশ্যই সাহায্য করবেন যে আল্লাহকে সাহায্য করে, নিশ্চয়ই আল্লাহ শক্তিধর ও অতি ক্ষমতাবান।
বেদআত শিরকের পরেই মারাত্মক পাপ বলে বিবেচিত। সে হিসেবে ইসলাম ধরে রাখা বা প্রচারের জন্য এ ধরনের যুক্তি আদৌ মেনে নেয়া যায় না। প্রচারকদের কর্তব্য হল, যা সুন্নত ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শ সমর্থিত কেবল তাই প্রচার করা। সাউরি বলেন : ইসলামি আইনবিদগণ বলতেন, প্রয়োগ ব্যতীত কেবল কথার কোনো মূল্য নেই। আর শুদ্ধ নিয়ত ব্যতীত কথা ও কাজ কোনোটারই কোনো মূল্য নেই। আর কথা-কাজ-নিয়ত সুন্নত অনুযায়ী না হলে এগুলোরও কোনো মূল্য নেই। (৩২)
সুন্নত বিষয়ে যথার্থ জ্ঞান লাভ করা তাদের দায়িত্ব ছিল। নিজেদের এবং তাদের পাশে যারা রয়েছে তাদেরকে সুন্নত বাস্তবায়নের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা তাদের দায়িত্ব ছিল। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, [আমার অনুমোদন নেই এমন কাজ যে করল তা হবে অগ্রহনযোগ্য] আবুল আলিয়া তার সাথিদেরকে খুব চমৎকার বলেছেন: তোমরা ইসলাম শেখো, শেখা হলে তা থেকে কখনো বিচ্যুত হয়ো না। সরল পথ ধরে রাখো। মূলত ইসলামই হল সরল পথ। সরল পথ থেকে ডানে বামে বিচ্যুত হয়ো না। তোমাদের নবীর সুন্নত আকড়ে ধরো। আর দূরে থাকো এ সব প্রবৃত্তি থেকে যা পরস্পরে ঘৃণা ও শত্রুতার উদ্রেক করে। (৩৩)
এর পূর্বে হুযায়ফা রা. বলেছেন : হে কুরআন ওয়ালারা! সরল পথে দৃঢ়তার সাথে দাঁড়াও। তোমরা বহু অগ্রনী। তোমরা যদি ডানের-বামের পথ ধর তবে বিচ্যুত হবে। (৩৪)
বর্তমান বিশ্বে ইসলাম প্রচারকগণ ও সাথে সাথে উম্মতের সকল সদস্যই, সকল বিষয়ে, কেবল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নতের অনুসরণ করবে, এটাই ইসলামের দাবি। ইখলাস যেভাবে আল্লাহর জন্য সুনির্ধারিত করতে হয় ঠিক সেই রূপে। নিজেদের পরিত্রাণ, ও তাদের ধর্মের সম্মান-মর্যাদার সমুন্নত রাখার ইচ্ছা হলে এতদ্ভিন্ন অন্য কোনো পন্থা নেই। আল্লাহ তাআলা বলেন: যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাৎ কামনা করে সে যেন সৎকাজ করে এবং তার প্রভুর ইবাদতে কাউকে শরিক না করে। [ সূরা আল কাহফ: ১১০] আল্লাহ আরো বলেন : আল্লাহ অবশ্যই সাহায্য করবেন যে আল্লাহকে সাহায্য করে, নিশ্চয়ই আল্লাহ শক্তিধর ও অতি ক্ষমতাবান।