১
সমুদ্র নি‘আমতের অফুরান ভাণ্ডার
লেখকঃ আলী হাসান তৈয়ব • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪
আমাদের যা করণীয়
সমুদ্রের এমনসব অফুরন্ত নি‘আমতের দাবী হলো, নি‘আমতদাতাকে নিয়ে চিন্তা করা। তিনি কীভাবে এত সাগর-মহাসাগর মানুষের পদানত করেছেন, তাতে এত নি‘আমতসম্ভার সন্নিবেশিত করেছেন, তা নিয়ে ভাবনা-গবেষণা করা। বহুবিধ ঝুঁকি ও প্রতিকূলতা সত্ত্বেও সাগরতলের নি‘আমতরাজি মানবকল্যাণে আবিষ্কার করা। মানুষের আরও কর্তব্য হবে, একমাত্র আল্লাহর একত্ববাদ স্বীকার করা এবং তাঁরই ইবাদত করা। পাশাপাশি প্রাণহীন মূর্তি ও প্রতিমাসহ আল্লাহ ছাড়া সব কিছুর প্রভুত্ব অস্বীকার করা। আল্লাহ তা‘আলা এ কথাই বলেছেন নিচের আয়াতে:
﴿أَمَّن جَعَلَ ٱلۡأَرۡضَ قَرَارٗا وَجَعَلَ خِلَٰلَهَآ أَنۡهَٰرٗا وَجَعَلَ لَهَا رَوَٰسِيَ وَجَعَلَ بَيۡنَ ٱلۡبَحۡرَيۡنِ حَاجِزًاۗ أَءِلَٰهٞ مَّعَ ٱللَّهِۚ بَلۡ أَكۡثَرُهُمۡ لَا يَعۡلَمُونَ ٦١﴾ [ النمل : ٦١ ]
“বল তো কে পৃথিবীকে বাসপযোগী করেছেন এবং তার মাঝে মাঝে নদ-নদী প্রবাহিত করেছেন এবং তাকে স্থির রাখার জন্য পর্বত স্থাপন করেছেন এবং দুই সমুদ্রের মাঝখানে অন্তরায় রেখেছেন? অতএব, আল্লাহর সঙ্গে অন্য কোনো উপাস্য আছে কি? বরং তাদের অধিকাংশই জানে না।” [সূরা আন-নামল, আয়াত: ৬১]
সমাপ্ত
﴿أَمَّن جَعَلَ ٱلۡأَرۡضَ قَرَارٗا وَجَعَلَ خِلَٰلَهَآ أَنۡهَٰرٗا وَجَعَلَ لَهَا رَوَٰسِيَ وَجَعَلَ بَيۡنَ ٱلۡبَحۡرَيۡنِ حَاجِزًاۗ أَءِلَٰهٞ مَّعَ ٱللَّهِۚ بَلۡ أَكۡثَرُهُمۡ لَا يَعۡلَمُونَ ٦١﴾ [ النمل : ٦١ ]
“বল তো কে পৃথিবীকে বাসপযোগী করেছেন এবং তার মাঝে মাঝে নদ-নদী প্রবাহিত করেছেন এবং তাকে স্থির রাখার জন্য পর্বত স্থাপন করেছেন এবং দুই সমুদ্রের মাঝখানে অন্তরায় রেখেছেন? অতএব, আল্লাহর সঙ্গে অন্য কোনো উপাস্য আছে কি? বরং তাদের অধিকাংশই জানে না।” [সূরা আন-নামল, আয়াত: ৬১]
সমাপ্ত