১১৭৩
মুয়াত্তা ইমাম মালিকحَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّ سَهْلَ بْنَ سَعْدٍ السَّاعِدِيَّ أَخْبَرَهُ أَنَّ عُوَيْمِرًا الْعَجْلَانِيَّ جَاءَ إِلَى عَاصِمِ بْنِ عَدِيٍّ الْأَنْصَارِيِّ فَقَالَ لَهُ يَا عَاصِمُ أَرَأَيْتَ رَجُلًا وَجَدَ مَعَ امْرَأَتِهِ رَجُلًا أَيَقْتُلُهُ فَتَقْتُلُونَهُ أَمْ كَيْفَ يَفْعَلُ سَلْ لِي يَا عَاصِمُ عَنْ ذَلِكَ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَأَلَ عَاصِمٌ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ ذَلِكَ فَكَرِهَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَسَائِلَ وَعَابَهَا حَتَّى كَبُرَ عَلَى عَاصِمٍ مَا سَمِعَ مِنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلَمَّا رَجَعَ عَاصِمٌ إِلَى أَهْلِهِ جَاءَهُ عُوَيْمِرٌ فَقَالَ يَا عَاصِمُ مَاذَا قَالَ لَكَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ عَاصِمٌ لِعُوَيْمِرٍ لَمْ تَأْتِنِي بِخَيْرٍ قَدْ كَرِهَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَسْأَلَةَ الَّتِي سَأَلْتُهُ عَنْهَا فَقَالَ عُوَيْمِرٌ وَاللهِ لَا أَنْتَهِي حَتَّى أَسْأَلَهُ عَنْهَا فَقَامَ عُوَيْمِرٌ حَتَّى أَتَى رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَسَطَ النَّاسِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللهِ أَرَأَيْتَ رَجُلًا وَجَدَ مَعَ امْرَأَتِهِ رَجُلًا أَيَقْتُلُهُ فَتَقْتُلُونَهُ أَمْ كَيْفَ يَفْعَلُ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ أُنْزِلَ فِيكَ وَفِي صَاحِبَتِكَ فَاذْهَبْ فَأْتِ بِهَا.
قَالَ سَهْلٌ فَتَلَاعَنَا وَأَنَا مَعَ النَّاسِ عِنْدَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلَمَّا فَرَغَا مِنْ تَلَاعُنِهِمَا قَالَ عُوَيْمِرٌ كَذَبْتُ عَلَيْهَا يَا رَسُولَ اللهِ إِنْ أَمْسَكْتُهَا فَطَلَّقَهَا ثَلَاثًا قَبْلَ أَنْ يَأْمُرَهُ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
قَالَ مَالِك قَالَ ابْنُ شِهَابٍ فَكَانَتْ تِلْكَ بَعْدُ سُنَّةَ الْمُتَلَاعِنَيْنِ.
আসিম ইবনু আদী আনসার (রা)থেকে বর্ণিতঃ
ওয়াইমির আজলানী (রা) আগমন করলেন এবং তাকে বললেন : হে আসিম এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে ভিন্ন ব্যক্তিকে (অবৈধ কর্মে লিপ্ত) পেলে। সে ঐ ব্যক্তিকে হত্যা করবে কি? যার ফলে প্রতিশোধ স্বরূপ নিহত ব্যক্তির সম্প্রদায়ের লোকেরা তাকে হত্যা করবে অথবা অন্য কিরূপ করিবে? হে আসিম; আপনি এই বিষয়ে আমার জন্য রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রশ্ন করুন। আসিম! এই ব্যাপারে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রশ্ন করলেন।
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই সকল প্রশ্নকে অপছন্দ করলেন এবং তজ্জন্য তাকে তিরস্কার করলেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে যা শুনলেন তা আসিমের নিকট অতি ভারী মনে হল।
আসিম যখন পরিজনের নিকট প্রত্যাবর্তন করলেন, তার নিকট তখন ‘উওয়াইমির উপস্থিত হলেন এবং বললেন, হে আসিম! রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাকে কি বলেছেন? আসিম বললেন : আপনি আমার কাছে কোন ভাল বিষয় নিয়ে আসেননি। আমি যে মাসআলার বিষয়ে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রশ্ন করেছি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম না পছন্দ করেছেন। ‘উওয়াইমির বললেন : এই বিষয়ে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে প্রশ্ন না করে আমি ক্ষান্ত হব না। তারপর ‘উওয়াইমির অগ্রসর হলেন এবং রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমীপে উপস্থিত হলেন এবং লোকের মাঝখানে আসন গ্রহণ করলেন। তারপর বললেন : ইয়া রসূলাল্লাহ! আপনি কি হুকুম দেন সেই ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে অন্য লোককে দেখতে পেল সে কি উক্ত ব্যক্তিকে হত্যা করবে? ফলে, কিসাসস্বরূপ লোকেরা তাকেও হত্যা করবে? অথবা সে ব্যক্তি অন্য কিরূপ করবে? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : তোমার এবং তোমার স্ত্রী বিষয়ে আয়াত নাযিল হয়েছে, তুমি যাও তাকে নিয়ে আস। সাহল বলেন : তারপর তারা উভয়ে লি’আন করল, অন্য লোকজনের সাথে আমিও তখন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তারা উভয়ে লি’আন হতে অবসর গ্রহণ করার পর ‘উওয়াইমির বললেন, এই ঘটনার পর যদি এই স্ত্রীকে রাখি তবে আমি তার সম্বন্ধে মিথ্যাবাদী বলে গণ্য হব। তারপর স্ত্রীকে তিন তালাক দিলেন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে কোন নির্দেশ দেওয়ার পূর্বে। (বুখারী ৫২৫৯, মুসলিম ১৪৯২)
মালিক (র) বলেন : ইবনু শিহাব (র) বলেছেন, এই ঘটনার পর লি’আয়িশারীদের জন্য এক হুকুম নির্ধারিত রয়েছেন।
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই সকল প্রশ্নকে অপছন্দ করলেন এবং তজ্জন্য তাকে তিরস্কার করলেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে যা শুনলেন তা আসিমের নিকট অতি ভারী মনে হল।
আসিম যখন পরিজনের নিকট প্রত্যাবর্তন করলেন, তার নিকট তখন ‘উওয়াইমির উপস্থিত হলেন এবং বললেন, হে আসিম! রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাকে কি বলেছেন? আসিম বললেন : আপনি আমার কাছে কোন ভাল বিষয় নিয়ে আসেননি। আমি যে মাসআলার বিষয়ে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রশ্ন করেছি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম না পছন্দ করেছেন। ‘উওয়াইমির বললেন : এই বিষয়ে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে প্রশ্ন না করে আমি ক্ষান্ত হব না। তারপর ‘উওয়াইমির অগ্রসর হলেন এবং রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমীপে উপস্থিত হলেন এবং লোকের মাঝখানে আসন গ্রহণ করলেন। তারপর বললেন : ইয়া রসূলাল্লাহ! আপনি কি হুকুম দেন সেই ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে অন্য লোককে দেখতে পেল সে কি উক্ত ব্যক্তিকে হত্যা করবে? ফলে, কিসাসস্বরূপ লোকেরা তাকেও হত্যা করবে? অথবা সে ব্যক্তি অন্য কিরূপ করবে? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : তোমার এবং তোমার স্ত্রী বিষয়ে আয়াত নাযিল হয়েছে, তুমি যাও তাকে নিয়ে আস। সাহল বলেন : তারপর তারা উভয়ে লি’আন করল, অন্য লোকজনের সাথে আমিও তখন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তারা উভয়ে লি’আন হতে অবসর গ্রহণ করার পর ‘উওয়াইমির বললেন, এই ঘটনার পর যদি এই স্ত্রীকে রাখি তবে আমি তার সম্বন্ধে মিথ্যাবাদী বলে গণ্য হব। তারপর স্ত্রীকে তিন তালাক দিলেন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে কোন নির্দেশ দেওয়ার পূর্বে। (বুখারী ৫২৫৯, মুসলিম ১৪৯২)
মালিক (র) বলেন : ইবনু শিহাব (র) বলেছেন, এই ঘটনার পর লি’আয়িশারীদের জন্য এক হুকুম নির্ধারিত রয়েছেন।