১
যিলহজ মাসের প্রথম দশ দিন, ঈদ, কুরবানি ও আইয়ামে তাশরীকের দিনসমূহ
লেখকঃ জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
৬. তাকবীর, তাহলীল ও তাহমীদ:
এ দিনগুলোতে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের মহত্ত্ব ঘোষণার উদ্দেশ্যে তাকবীর পাঠ করা সুন্নাত। এ তাকবীর প্রকাশ্যে ও উচ্চস্বরে মসজিদ, বাড়ি-ঘর, রাস্তা-ঘাট, বাজারসহ সর্বত্র উচ্চ আওয়াজে পাঠ করা হবে। তবে মেয়েরা নিম্নস্বরে তাকবীর পাঠ করবে। তাকবীর হলো:
اَللهُ أَكْبَرُ، اَللهُ أَكْبَرُ، لَاإِلَهَ إِلاَّ اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ، اللهُ أَكْبَرُ وَلِلهِ الحَمْدُ
আব্দুল্লাহ ইবন উমার ও আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা যিলহজ মাসের প্রথম দশকে বাজারে যেতেন ও তাকবীর পাঠ করতেন, লোকজনও তাদের অনুসরণ করে তাকবীর পাঠ করতেন। অর্থাৎ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই দুই প্রিয় সাহাবী লোকজনকে তাকবীর পাঠের কথা স্মরণ করিয়ে দিতেন। [সহীহ বুখারী, ঈদ অধ্যায়।]
ইমাম বুখারী রহ. বলেছেন: ইবন উমার ও আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা এ দশদিন তাকবীর বলতে বলতে বাজারের জন্য বের হতেন, মানুষেরাও তাদের দেখে দেখে তাকবীর বলত। তিনি আরও বলেছেন, ইবন উমার মিনায় তার তাবুতে তাকবীর বলতেন, মসজিদের লোকেরা শুনত, অতঃপর তারা তাকবীর বলত এবং বাজারের লোকেরাও তাদের সাথে তাকবীর বলত। এক পর্যায়ে পুরো মিনা তাকবীর ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠত।
ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা এ দিনগুলোতে মিনায় তাকবীর বলতেন, প্রত্যেক সালাতের পর, বিছানায়, তাঁবুতে মজলিসে ও চলার পথে সশব্দে তাকবীর বলা মোস্তাহাব। যেহেতু উমার, ইবন উমার ও আবূ হুরায়রা সশব্দে তাকবীর বলেছেন।
اَللهُ أَكْبَرُ، اَللهُ أَكْبَرُ، لَاإِلَهَ إِلاَّ اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ، اللهُ أَكْبَرُ وَلِلهِ الحَمْدُ
আব্দুল্লাহ ইবন উমার ও আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা যিলহজ মাসের প্রথম দশকে বাজারে যেতেন ও তাকবীর পাঠ করতেন, লোকজনও তাদের অনুসরণ করে তাকবীর পাঠ করতেন। অর্থাৎ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই দুই প্রিয় সাহাবী লোকজনকে তাকবীর পাঠের কথা স্মরণ করিয়ে দিতেন। [সহীহ বুখারী, ঈদ অধ্যায়।]
ইমাম বুখারী রহ. বলেছেন: ইবন উমার ও আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা এ দশদিন তাকবীর বলতে বলতে বাজারের জন্য বের হতেন, মানুষেরাও তাদের দেখে দেখে তাকবীর বলত। তিনি আরও বলেছেন, ইবন উমার মিনায় তার তাবুতে তাকবীর বলতেন, মসজিদের লোকেরা শুনত, অতঃপর তারা তাকবীর বলত এবং বাজারের লোকেরাও তাদের সাথে তাকবীর বলত। এক পর্যায়ে পুরো মিনা তাকবীর ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠত।
ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা এ দিনগুলোতে মিনায় তাকবীর বলতেন, প্রত্যেক সালাতের পর, বিছানায়, তাঁবুতে মজলিসে ও চলার পথে সশব্দে তাকবীর বলা মোস্তাহাব। যেহেতু উমার, ইবন উমার ও আবূ হুরায়রা সশব্দে তাকবীর বলেছেন।